দেবীদ্বারে এমপি’র নিরবতা-এমপি পিতার আধিপত্য বিস্তারে শিক্ষক সমাজে ক্ষোভ-হতাশ : শিক্ষক সমিতি’র পাল্টা-পাল্টি কমিটি

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার :–
দেবীদ্বারে সরকারী প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বে স্থানীয় সংসদ সদস্যের নিরবতা এবং সাংসদ পিতার একচ্ছত্র আধিপত্যে শিক্ষক সমাজের নাকাল অবস্থা তৈরী হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রাজনৈতিক প্রভাবে মেয়াদ শেষ হওয়ার সাত মাস পূর্বে ‘বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি’ দেবীদ্বার উপজেলা কমিটি ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে। শিক্ষক নেতাদের অভিযোগ রাজনৈতিক সুযোগকে কাজে লাগিয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার প্ররোচনায় এবং সৃষ্ট বিবদমান দু’গ্রুপের পাল্টা-পাল্টি কমিটি নিয়ে এলাকায় তুলকালাম চলছে। ওই ঘটনায় স্থানীয় সাংসদের নিরবতা এবং সাংসদ পিতার একচ্ছত্র আধিপত্বে নতুন কমিটি গঠন ও ওই কমিটির সমর্থন আদায়ে দলীয় ক্যাডারদের দিয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের ভীতি প্রদর্শন ও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টায় উপজেলার ১শত ৮৪টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় সাড়ে ১২ শত শিক্ষকের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।
শিক্ষক নেতারা ক্ষোভের সাথে জানান, আমাদের শিক্ষকদের মধ্যে কোন বিভেদ, বিরোধ, গ্রুপিং ছিলনা। নানা অনিয়ম, দূর্নীতি, স্বজনপ্রিতী, সেচ্ছাচারিতা, শিক্ষক ও শিক্ষক নেতাদের সাথে অশোভন আচরনসহ নানা অনৈতিক কর্মকান্ডে অভিযুক্ত হয়ে ২০১১ সালে তাৎক্ষনিক অন্যত্র বদলী হওয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার শাহ্ মোঃ ইকবাল মনসুর রাজনৈতিক প্রভাবে গতবছরের এপ্রিল মাসে পুনঃরায় দেবীদ্বার কর্মস্থলে যোগদান করেন। যোগদানের পর আমাদের মধ্যে বিরোধ তৈরী করে প্রতিপক্ষ তৈরী করেছেন। ওই কর্মকর্তা প্রকাশ্যে শিক্ষক নেতাদের হুমকী দেয়াসহ শিক্ষক নেতাদের সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় পরিদর্শনের নামে অহেতুক ত্রুটি দেখিয়ে কারন দর্শানোর নোটিশ প্রদানে হয়রানী করছেন।
ওই বক্তব্য অস্বীকার করে উপজেলা শিক্ষা অফিসার শাহ্ মোঃ ইকবাল মনসুর বলেন, আমাকে কেউ তাৎক্ষনিক বদলী করেনি, আমি স্ব-ইচ্ছাই বদলী হয়েছি। আবার স্থানীয় এমপি মহোদয় আমাকে দেবীদ্বারে এনেছেন। আমার বিরুদ্ধে আনিত অনিয়ম- দূর্নীতির অভিযোগ উদ্দেশ্য প্রনোদীত। শিক্ষক সমিতি তাদের নিজস্ব দাবী আদায় এবং শিক্ষকদের সমস্যা নিয়ে কাজ করবেন, ওখানে আমার কোন খবরধারী নেই। আমি উদ্দেশ্য প্রনোদীত হয়ে বিদ্যালয় পরিদর্শনে কোন শিক্ষক নেতাকে অহেতুক হয়রানী করি নাই। ভিজিট করাকালে শিক্ষার উন্নয়নে অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়াটাই আমার কাজ। শিক্ষকদের মধ্যে বিরোধ বা দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে কোন কমিটি গঠন করি নাই।
তিনি পাল্টা কমিটি সম্পর্কে বলতে যেয়ে বলেন,- সেটা শিক্ষক সমিতির আভ্যন্তরিন বিষয়। রাহেলা মজুমদার সভাপতি হতেই পূর্বের কমিটির বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ এনে ওই কমিটি ভেঙ্গে দিতে কেন্দ্রীয় কমিটির সাথে লভিং করেছেন। পরবর্তীতে এমপি সাহেবের নির্দেশেই তালেব হোসেনকে সভাপতি, তাহমিনা আক্তার আঁখীকে সাধারন সম্পাদক, রাহেলা মজুমদারকে সহ-সভাপতি এবং কামরুল ইসলামকে অর্থ সম্পাদক করে ৩১ সদস্যের মধ্যে ৪ জনের নাম ঘোষনা করেছি। এমপি সাহেবের পিতা সাবেক মন্ত্রী ও এমপি এএফএম ফখরুল ইসলাম মূন্সীর নির্দেশেই ওই কমিটি ঘোষনা করেছি। কমিটির বাকী ২৭ সদস্য কোয়াপ করার জন্য উল্লেখিত ঘোষিত কমিটির ৪ সদস্যকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। রাহেলা মজুমদার সভাপতি না হতে পেরে এখন তিনি পূর্বের কমিটির নেতাদের সাথে যুক্ত হয়ে বিরোধীতা করছেন। কমিটির সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচিত তাহমিনা আক্তার আঁখী’র সাথে আমার স্ত্রী লেখাপড়া করেছে সত্য, সেই অজুহাতে কিংবা তাকে সমিতির সাধারন সম্পাদক বানাতে আমাকে রাজনৈতিক প্রভাবে আ’লীগ ও যুবলীগ নেতাদের তদবিরে দেবীদ্বার এনেছেন এটাও সত্য নয়। স্থানীয় এমপি মহোদয় আমাকে এনেছেন। বর্তমান কমিটি ৬ মে ঘোষনার পরই গত ২৮ মার্চ কেন্দ্রীয় কমিটির স্বাক্ষরিত ও অনুমোদিত নতুন কমিটির কথা শোনেছি এবং ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির একটি ফটোকপি পেয়েছি। ওই সংক্রান্তে এমপি মহোদয় এবং তার পিতা ভালো বলতে পারবেন।
কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) নির্বাচনী এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য সাবেক মন্ত্রী ও সাবেক আ’লীগ কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য এ,এফ,এম ফখরুল ইসলাম মূন্সী বলেন, আমি সার্বিক বিবেচনায় শিক্ষক সমাজের উন্নয়নে এবং বিরোধ নিষ্পত্তিতেই দু’পক্ষের লোকদের নিয়েই কমিটি গঠনের চেষ্টা করেছি। একাধিকবার ডেকেও সবাইকে একত্র করতে পারি নাই। তবুও সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত আছে। তবে তিনি কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদীত কমিটি স্থানীয় সাংসদের কোন সুপারিশ নেই বলে তা গ্রহনযোগ্য নয় এবং ওই কমিটি নানা অনিয়ম-দূনীতিগ্রস্থ বলে দাবী করেন।
কুমিল্লা-৪ দেবীদ্বার নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য রাজী মোহাম্মদ ফখরুল বলেন, দেবীদ্বার সরকারী প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি গঠন নিয়ে আমার কোন প্রভাব নেই। ওনাদের স্বাধীন চিন্তায় আমি হস্তক্ষেপ করবোনা। আমার পিতা (এ,এফ,এম ফখরুল ইসলাম মূন্সী) যেহেতু শিক্ষক ও শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করেন, তাই শিক্ষক নেতাদের বলেছি, আমার পিতার সাথে যোগাযোগ বা পরামর্শ নিয়ে তাদের বিরোধ নিষ্পত্তি করে সর্বগ্রহনযোগ্য একটি কমিটি গঠনে কাজ করতে। প্রয়োজনে বিতর্ক এড়াতে নির্বাচন দিয়ে তার সমাধান করবেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক নেতা জানান, সাংসদ পিতা এ,এফ,এম ফখরুল ইসলাম মূন্সী সমর্থিত কমিটি গঠনে ৩১জন সদস্য খুঁজে পাচ্ছেননা। ওনার প্রস্তাবিত কমিটির সভাপতি, সাধারন সম্পাদক ছাড়া আর কেহই ওই কমিটিতে সম্পৃক্ত হতে আগ্রহ প্রকাশ করছেননা। তাই তিনি ইউনিয়ন ভিত্তিক রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের দিয়ে এবং শিক্ষা অফিসারের হুমকীতে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন।
‘বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি’ দেবীদ্বার উপজেলা কমিটি’র সভাপতি হালিমা আক্তার বলেন, রাজনীতির উর্ধে থেকে একটি পেশাজীবী সংগঠনের দায়িত্ব পালন করাই শিক্ষক সমিতির কাজ। শিক্ষক সমাজের দাবী আদায় এবং সুস্থ্য পরিবেশে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদান ও শিক্ষকদের কর্মস্থলে সঠিক দায়িত্ব পালনই সমিতির কাজ। একজন দূর্নীতিবাজ বিতর্কীত উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা- যাকে নানা অনিয়ম, দূর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, সেচ্ছাচারিতা, শিক্ষক ও শিক্ষক নেতাদের সাথে অশোভন আচরনসহ নানা অনৈতিক কর্মকান্ডে ক্ষোভে ফুসে উঠা শিক্ষক সমাজের আপত্তির মুখে ষ্ট্যান্ড রিলেজ করেছে, সেই লোকটি রাজনৈতিক সেল্টারে এসে আবারো শিক্ষক সমাজের মধ্যে বিরোধই নয়, পাল্টা কমিটি গঠনেও সহযোগীতা করছে। যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে এসব ঘটনা প্রচারের কারনে তাৎক্ষনিক বদলীর আদেশে কর্মস্থল পরিবর্তন করতে হয়েছে। উপরন্ত তিনি প্রকাশ্যে শিক্ষক নেতাদের হুমকী দেয়াসহ কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় পরিদর্শনের নামে অহেতুক ত্রুটি দেখিয়ে কারন দর্শানোর নোটিশ দিয়ে হয়রানী করছেন। তিনি সাংসদ পিতার উক্তিকে অযৌক্তিক দাবী করে বলেন, সাংসদের নির্দেশেই কমিটি অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটিতে পাঠিয়েছি। শিক্ষক সমিতি যেহেতু একটি অরাজনৈতিক ও স্বায়ত্ব শাসিত প্রতিষ্ঠান সেহেতু কমিটির অনমোদনে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সুপারিশ মূখ্য বিষয় নয়।
‘বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি’ দেবীদ্বার উপজেলা কমিটি’র সাধারন সম্পাদক মোঃ আমীর হোসেন বলেন, আমরা এমপি মহোদয়ের নির্দেশেই নিয়ম তান্ত্রিকভাবে সমিতির নতুন কমিটি পূনর্গঠন করে কেন্দ্রে পাঠিয়েছি। কেন্দ্র অনুমোদন দিয়েছেন। এবৈধ কমিটি বাতিলের চেষ্টা অব্যাত আছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নিজ উদ্যোগে এবং নিজ দপ্তরে গত ৬ মে কয়েকজন শিক্ষককে ডেকে এনে এমপির পিতার বরাত দিয়ে চার জনের নাম উল্লেখ করে নতুন কমিটি ঘোষনা ঘোষনা করেছেন। এ চারজনের মধ্যে দু’জনের আপত্তিও রয়েছে। ওই কমিটিতে সাড়ে ১২শত শিক্ষকদের থেকে ৩১ সদস্য নিয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনেরও কোন অবস্থা তাদের নেই।
সংশ্লিষ্টরা জানান, রাজনৈতিক প্রভাবে তিন বছর মেয়াদে নির্বাচিত ‘হালিমা-আমির’ প্যানাল’র ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির মেয়াদ শেষ না হতেই অর্থাৎ কমিটির মেয়াদ সাত মাস বাকী থাকতেই ২০১৪ সালের ৮ জানুয়ারী ওই কমিটি ভেঙ্গে দেয়া হয়। ‘হালিমা-আমির’ কমিটির বিপরীতে ‘রাহেলা- আখী’ নতুন জোট করে পুরাতন কমিটির বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ এনে কেন্দ্রীয় কমিটির বরাবরে আবেদন জানান এবং পুরাতন কমিটি ভেঙ্গে নতুন কমিটি গঠনে তফসীল ঘোষনারও দাবী জানান। ওই আবেদনের প্রেক্ষিত কেন্দ্রীয় কমিটি পুরাতন কমিটি ভেঙ্গে দিয়ে তিন মাসের মধ্যে নতুন করে কমিটি গঠন/ পূনর্গঠনের নির্দেশ দেন এবং আনিত অভিযোগ অনিয়ম- দূর্নীতির বিষয়ে দু’সপ্তাহের মধ্যে জবাব চেয়ে নোটিশ করেন। একই সাথে কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে বিবাদমান দু’গ্রুপের বিরোধ নিষ্পত্তি করে এক মাসের মধ্যে নতুন করে কমিটি গঠন/ পুনর্গঠন করার অনুরোধ জানিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য রাজী মোহাম্মদ ফখরুলকে লিখিত অনুরোধ জানান। ওই চিঠির আলোকে স্থানীয় সংসদ সদস্য তার ঢাকাস্থ অফিসে শিক্ষক সমিতির জরুরী বৈঠক ডাকেন। ওই বৈঠকে ‘হালিমা-আমির’ প্যানালে নির্বাচিত গত কমিটির ৩১ সদস্যের মধ্যে সহ-সভাপতি রাহেলা বেগম মজুমদার এবং সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক তাহমিনা পারভিন আঁখী ছাড়া বাকী ২৯জন সদস্য উপস্থিত হন। ওই বৈঠকে সাংসদ রাজী মোহাম্মদ ফখরুল এক দিন পরে অপর গ্রুপের সাথে আলোচনা করে সাবেক কমিটির সভাপতি হালিমা আক্তারকে পূর্বের কমিটি পুনঃর্গঠন পূর্বক কেন্দ্রীয় কমিটির বরাবরে নতুন করে কমিটি জমা দেয়ার নির্দেশ দেন। কেন্দ্রীয় কমিটি অভিযুক্ত কমিটির সন্তোষজনক জবাব প্রাপ্তি এবং চলতি বছরের ২ জানুয়ারীতে জমা দেয়া পূনঃর্গঠিত কমিটি’র বিপক্ষে আর কোন অভিযোগ কিংবা আপত্তি না থাকায় আবেদনের ৩মাস অতিবাহিত হওয়ার শেষ সময়ে অর্থাৎ গত ২৮ মার্চ কমিটি অনুমোদন করে পাঠিয়ে দেন।
গত এপ্রিল মাসের শেষ দিকে উপজেলা শিক্ষা অফিসার শাহ্ মোঃ ইকবাল মনসুর ৩১ সদস্যের কমিটির মধ্যে বিদ্রোহী গ্রুপের ‘রাহেলা-আঁখী’ প্যানালের তালেব হোসেনকে সভাপতি, তাহমিনা আক্তার আঁখীকে সাধারন সম্পাদক, রাহেলা মজুমদারকে সহ-সভাপতি এবং কামরুল ইসলামকে অর্থ সম্পাদক করে ৩১ সদস্যের বাকী ২৭ জনের নাম অন্তর্ভূক্তি না করেই নতুন কমিটির প্রস্তাব দেন। গত ৬ মে কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) নির্বাচনী এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য সাবেক মন্ত্রী ও সাবেক আ’লীগ কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য এ,এফ,এম ফখরুল ইসলাম মূন্সী’র উপস্থিতিতে ওই প্রস্তাবের আলোকে নতুন কমিটি ঘোষনা দেয়ার পর শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দেয়।
শিক্ষক নেতারা বলেন, আমরা কেন্দ্রীয় কমিটির বরাবরে অনিয়ম-দূর্নীতির মিথ্যা প্রতিবেদনের যথাযথ জবাব ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশে নতুন করে ৩১ সদস্যের পূনঃর্গঠিত কমিটি ২ জানুয়ারীতে জমা দেই। বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির মহা-সম্পাদক সালেহা আক্তার’র সুপারিশকৃত এবং সভাপতি মুহাঃ আঃ আউয়াল তালুকদার কর্তৃক অনুমোদীত স্বাক্ষরিত স্বারক নং-২৯২ (২) তারিখ ২৮/০৩/১৫ (পত্রে ফেডারেল অব: গভ: টিচার্স এসোসিয়েশন ও শিক্ষা আন্তর্জাতিক (ই.আই))’র দেবীদ্বার শাখার নির্বাচিত কমিটি অনুমোদনকৃত কমিটির বিপরীতে ওই কমিটি ঘোষনা করা হয়।
‘বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি’ কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদীত দেবীদ্বার উপজেলা কমিটি’র সদস্যরা হলেন,- গুনাইঘর দক্ষিণ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হালিমা আক্তারকে সভাপতি ও আলমপুর মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আমীর হোসেনকে সাধারন সম্পাদক করে ৩১সদস্য বিশিস্ট কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটির অন্যান্যরা হলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি দেবীদ্বার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাহেলা বেগম মজুমদার, সহ-সভাপতি মোঃ তালেব হোসেন, মোসাঃ রোকেয়া আক্তার, ফরিদা আক্তার খানম, মুজিবুর রহমান, আঞ্জুমান আরা বেগম, জাহাঙ্গীর আলম মুন্সী, মো:জাকারিয়া, মোঃ নজরুল ইসলাম সিনিয়র যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মোঃ ইব্রাহিম, যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক মোঃ আবুল বাশার খান, সহ-সাধারন সম্পাদক মোসাঃ মমতাজ বেগম, খাইরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মোখলেছুর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান, দপ্তর সম্পাদক বশিরুল ইসলাম, আর্থ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান ভুইয়া, তথ্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ ছিদ্দকুর রহমান, স্কাউট সম্পাদক মোঃ হারুন অর রশিদ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোসাঃ রোকেয়া বেগম, সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মোঃ খোরশেদ আলম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মনোয়ারা বেগম, সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক তাহমিনা পারভিন আঁখি, কো-অপট সদস্য আলী আজ্জম, কাজী সফিকুল ইসলাম, মোঃ আবদুল সালাম, দীল আফরুজ, মোঃ কাইয়ুম, তাপস চন্দ্র।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...