মনোহরগঞ্জে মাঠে মাঠে সোনালী ফসলের হাঁসি

আকবর হোসেন, মনোহরগঞ্জ প্রতিনিধি:—

মাঠে মাঠে ধান কাটার মহা উৎসব। চলচে ধান কাটার ধুম। বাম্পার ফলন হয়েছে তাই কৃষেেকর মুখে হাঁসি। এক কথায় বলতে গেলে মনোহরগঞ্জে মাঠে মাঠে বইছে সোনালী ফসলের হাঁসি। সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, মনোহরগঞ্জ উপজেলার কিছু কিছু এলাকার বেশ কয়েকটি মাঠে ধান কাটা শরু হয়েছে। বৈশাখী রোদ্রের মধ্যে কৃষকরা তাদের কাজ চালিতে যাচ্ছেন। দীর্ঘ কষ্টের পর কিছু দিনের মধ্যেই নতুন ধানে গোলা ভরবে কৃষক। তাই এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। এমন চিত্রই দেখা গেছে কৃষকের মধ্যে। মনোহরগঞ্জ উপজেলার ১০ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড ও উফশী জাতের ধান উৎপাদন লক্ষ মাত্রা নির্ধারণ করেছে ৭২ হাজার ৯৩২,৭৭ মেঃ টন। এবার ইরি বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মনোহরগঞ্জ উপজেলায় হাইব্রিড ৭ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে ৫৪ হাজার ৯৫৩.৭৭ মেঃ টন, উফশী জাত ২ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে ১৭ হাজার ৯৭৯ মেঃ টন ধান উৎপাদন লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মনোহরগঞ্জের কৃষক পাটোওয়ারী ও ওলিউল্যাহ জানায়, সরকারি ভাবে বিনা মূল্যে সার, বীজ, কীটনাশক প্রদান, কৃষি অফিসের কর্মকর্তাদের পরিদর্শন ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগ উপেক্ষা করেও ইরি-বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশা করেছেন কৃষকরা। তবে শেষ মুহুর্তের প্রাকৃতিক দুর্যোগ, কাল বৈশাখী ঝড়ের কারণে বোরো ধান বিনষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মাঠ পর্যায়ে একাধিক কৃষক জানায়। অনেক কৃষক বোরো আবাদ করতে গিয়ে গচ্ছিত টাকা, ধার দেনা, এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে বোরো ধান চাষে অনেক টাকা ব্যয় করেছে । প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে তাদের উৎপাদিত ফসল সহ ব্যপক ক্ষতি হওয়ার আশংকা রয়েছে। মনোহরগঞ্জ উপজেলা কৃষি সহকারি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শায়েস্তা খাঁন ও উপজেলা কৃষি অফিসের এসএপিপিও মো: আবুল কাশেম জানায়, সরকারী ভাবে বিনামূল্যে সার,বীজ, কীটনাশক বিতরণ ও মাঠ পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তাদের তদারকি এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরিদর্শনের কারণে এবার মনোহরগঞ্জের ইরি ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। যা নির্ধারিত লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...