নাঙ্গলকোটে পাল্লা দিয়ে চলছে খাল দখল প্রতিযোগিতা, প্রশাসন নির্বিকার!

 

মো. আলাউদ্দিন :–
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে পাল্লা দিয়ে চলছে খাল দখলের প্রতিযোগিতা। উপজেলার বিভিন্ন খালগুলো দিন দিন অবৈধভাবে দখল হয়ে পড়েছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় এমন ঘটনা ঘটলেও কোন এক অদৃশ্য কারণে প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করছে।
সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়, উপজেলার দক্ষিন শাকতলী-ভোলাইন বাজার হয়ে তুগুরিয়া বাজারের উপর দিয়ে প্রবাহমান ডাকাতিয়া নদীর শাখা খালটি ভরাট করে এমনভাবে স্থাপনা নির্মান করা হয়েছে যে খালটি তার অস্তিত্বের সঙ্কটে ভুগছে। শুকনো মৌসুমে খালে পানি না থাকায় বোরো চাষের শুরুতেই পানি সঙ্কটে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। ওই এলাকার কৃষকদের দাবি খালটির উপরে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে দ্রুত খালটি খনন করা হলে বোরো মৌসুমে সেচের অতিরিক্ত খরচ থেকে মুক্তি পাবে তারা। দখলদাররা প্রভাবশালী হওয়ায় সাধারণ মানুষ তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায় না। এদিকে প্রশাসনও খালটি দখলমুক্ত করতে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। অন্যদিকে উপজেলার পেড়িয়া ইউপির সাঙ্গিশ্বর থেকে নোয়াপাড়া হয়ে বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের করের ভোমরা পর্যন্ত খালটিরও। দু’পাশ থেকে এমনভাবে ভরাট করে জমি-বাড়ী তৈরী করা হয়েছে যে, এখানে এক সময় খাল ছিল সেজি আজ বোঝার উপায় নেই। ২-৩ ফুটের নালায় পরিনত হয়েছে খালটি। উপজেলার আরো ১৭টি খালেরও ঠিক একই চিত্র ফুটে উঠেছে। এ উপজেলার মাঝ দিয়ে বয়ে একমাত্র ডাকাতিয়া নদীটিও অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেনা। এতে করে এক সময়ের খোরস্রোতা ডাকাতিয়া হারাতে বসেছে তার প্রবাহিত পানির গর্জনের ঐতিহ্য।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ বলেন, নদী ও খাল ভরাট বা দখল করা একটি ঘৃণিত কাজ। এ বিষয়ে উধ্বত্মন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...