নাঙ্গলকোটে পাল্লা দিয়ে চলছে খাল দখল, প্রশাসন নির্বিকার

 

বারী উদ্দিন আহমেদ বাবর, নাঙ্গলকোট :—
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বিভিন্ন খালগুলো পাল্লা দিয়ে চলছে দখল। এ ব্যাপারে কারও যেন বলার কিছুই নেই। প্রশাসনের নাকের ডগার উপর ঘটছে এসব কাজ কিন্তু প্রশাসন নির্বাক। উপজেলার দক্ষিন শাকতলী থেকে ভোলাইন বাজারের মধ্যে দিয়ে প্রবাহমান ডাকাতিয়া নদের শাখা খালটি এমনভাবে ভরাট ও স্থাপনা নির্মান করা হয়েছে যে খালটি তার অস্তিত্বের সঙ্কটে ভুগছে। শুকনো মৌসুমে খালে পানি না থাকায় বোরো চাষে পানি সষ্কটে পড়েছেন কৃষকরা। ওই এলাকার কৃষকদের দাবি খালটির উপরে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে দ্রুত খালটি খনন করা হলে বোরো মৌসুমে সেচের অতিরিক্ত খরচ থেকে মুক্তি পাবে তারা। খালটির দখলদার মাওঃ আবদুল আজিজ মজুঃ, মাষ্টার হারুন, মাও দাউদ, আবুল খায়ের মজুঃ, লাল মিয়া, দেলু মিয়া, রেফায়েত উল্লাহ, হাফেজ লাতু মজুমদার ও ফরিদুল ইসলামসহ আরো অনেকে। তারা প্রভাবশালী হওয়ায় সাধারণ মানুষ মুখ খুলতে সাহস পায় না। প্রশাসনের অবস্থা দেখে মনে হয় খালটি রক্ষায় তাদের যেন কোন ভূমিকাই নেই। এছাড়াও উপজেলার পেড়িয়া ইউপির সাঙ্গিশ্বর থেকে নোয়াপাড়া হয়ে বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের করেরভ্রমরা পর্যন্ত খালটির দুপাশ থেকে এমনভাবে ভরাট করে জমি-বাড়ী তৈরী করা হয়েছে যে এটি একসময় খাল ছিল তা বোঝার উপায় নেই। ২-৩ ফুটের নালায় পরিনত হয়েছে খালটি। একই চিত্র ফুটে উঠেছে উপজেলার আরো ১৭ খালের। এ উপজেলার মাঝ দিয়ে বয়ে একমাত্র ডাকাতিয়া নদীটিও দখল দূষনের ভারে নুয়ে পড়েছে। হারাতে বসেছে তার প্রবাহিত পানির গর্জনের ঐতিহ্য।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ বলেন, নদী ও খাল ভরাট বা দখল করা একটি গর্হিত কাজ। এ বিষয়ে যোগাযোগ করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...