সুপ্র ও দর্পণের যৌথ উদ্যোগে তৃণমূল ক্যাম্পেইনারদের জন্য কর ন্যায্যতা বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার :–

রবিবার অক্সফাম নভিব এর আর্থিক সহযোগীতায় সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযান সুপ্র কুমিল্লা জেলা কমিটি ও বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা দর্পণের যৌথ উদ্যোগে দর্পণ এর অপরাজিতা সম্মেলন কক্ষে দিন ব্যাপী ‘‘তৃণমূল ক্যাম্পেইনারদের জন্য কর ন্যায্যতা বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালা’ অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালার শুভ উদ্বোধন করেন কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও অভিবাদন পত্রিকার সম্পাদক আবুল হাসনাত বাবুল। কর্মশালার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য ও লক্ষ্য উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা করেন সুপ্র কুমিল্লা জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও দর্পণ এর নির্বাহী পরিচালক মো: মাহবুব মোর্শেদ।
এরপর কর্মশালায় কর কি ও কেন, করের ধরন, কর প্রদানে নাগরিকদের অনীহা ও প্রবণতা, কর ব্যবস্থায় ন্যায্যতা ও অন্যায্যতা, ন্যায্য কর ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা ও কর প্রদানে নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে করনীয় এবং কর আদায়ে স্থানীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের অবহিত করা হয়।
কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সার্ড এর নির্বাহী পরিচালক মো: খন্দকার গোলাম ফারুক, পিডস এর নির্বাহী পরিচালক ইকরাম আহম্মেদ রানা, মাকস এর নির্বাহী পরিচালক কে.এম শামীম উদ্দিন, গাস এর নির্বাহী পরিচালক মো: নজরুল ইসলাম সরকার, আর.এইচ.ডি.ও এর নির্বাহী পরিচালক কাজী মাহতাব, সেবা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের পরিচালক নার্গিস আক্তার, ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, দৈনিক কুমিল্লার আলো পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক জসিম উদ্দিন কনক, দৈনিক ডাক প্রতিদিনের সহ-সম্পাদক হাবিব জালাল, সাংবাদিক জসিম উদ্দিন চৌধুরী, দৈনিক পূর্বাশা’র স্টাফ রিপোর্টার এইচ.এম মহিউদ্দিন, সিসিএন কলেজের শিক্ষার্থী জুনায়েদ হোসেন সরকার, মানবাধিকার কর্মী আয়েশা আক্তার ও উম্মে কুলসুম আইরিন।
কর্মশালায় সহায়কের ভুমিকা পালন করেন সুপ্র’র ডিস্ট্রিক্ট ক্যাম্পেইন ফ্যাসিলেটেটর সালমা আক্তার চৈতী, দর্পণ এর তথ্য ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো: শাকিল মোল্লা এবং দর্পণ এর সহকারী প্রকল্প পরিচালক মো: আবুল হাসেম।
অনুষ্ঠানে বক্তাগন বলেন, উন্নয়নশীল দেশগুলো আভ্যন্তরীন সম্পদ বৃদ্ধির দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এজন্য সুষ্ঠ ও ন্যায্য কর ব্যবস্থাপনা অত্যান্ত প্রয়োজনীয়। কারণ, করই আভ্যন্তরীন সম্পদ বৃদ্ধির প্রধান উৎস। কর ব্যবস্থা রাষ্ট্রের সাথে জনগনের সংযোগ সূত্র এবং তা রাষ্ট্রের সাথে নাগরিকের সামাজিক চুক্তির প্রাণশক্তি। সরকারের জবাবদিহিতা সৃষ্টিতে কর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। পর্যাপ্ত কর আদায় হলে ও নাগরিকেরা স্বেচ্ছা প্রনোদিত হয়ে রাষ্ট্রের প্রাপ্ত কর যথাযথভাবে প্রদান করলে রাষ্ট্রের পক্ষে জনকল্যাণে তা ব্যয় করা সম্ভব হয়। ন্যায্য কর ব্যবস্থা হচ্ছে নাগরিকের অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে সাম্য ও ন্যায্যতার ভিক্তিতে রূপায়িত এমন একটি কর ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে রাষ্ট্র ও জনগনের কল্যাণ নিশ্চিত করা যায়। তাই কর প্রদানে নাগরিকদের উৎসাহিত করতে এবং ন্যায্য কর ব্যবস্থায় বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থাগুলিকে সরকারের পাশাপাশি কাজ করতে হবে।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...

Leave a Reply