বুড়িচংয়ে প্রবল বর্ষণ ও ঘূর্ণিঝড়ে গাছপালা ও বাড়ী-ঘর বিধস্ত

মো.জাকির হোসেন :–
গত দু’দিনের টানা বর্ষণ ও সোমবার দুপুরে হঠাৎ এক ঘূর্ণিঝড়ে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশীমূল গ্রামে কমপক্ষে ১২টি ঘর বিধস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া ঝড়ে গাছপালা ভেঙ্গে দিয়ে রাস্তায় পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ ও বিদুৎতের খুটি উপরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
জানা যায়, গত শনিবার থেকে বুড়িচং উপজেলার টানা বর্ষণের শুরু হয়। দু’দিনের টানা বর্ষণে মাটি কিছুটা নরম হয়ে যায়। এর মধ্যে সোমবার দুপুর ১২ টায় বুড়িচং উপজেলার বাকশীমূল গ্রামের উপর দিয়ে বয়ে গেছে মাঝারি আকারের একটি ঘূর্ণিঝড়। এতে করে ওই গ্রামের উত্তর পাড়ার আবদুল কাদেরের ১টি, মোঃ রাসেলের ১টি, বিল্লাল হোসেনের ১টি, ইদ্রিছ মিয়ার ১টি, পশ্চিম পাড়ার মনু মিয়ার ১টি, কামরুলের ১টি, জামাল মিয়ার ১টি, আবদুল কাদেরের ২টি, মধ্য পাড়ার মোঃ কাদের মিয়ার ১টি, আক্কাছ আলীর ১টি, রাখাল চন্দ্রের ১টি মোট ১২টি ঘর বিধস্ত হয়ে যায়। এতে করে পরিবারের সদস্যরা খোলা আকাশের নিচে চলে আসে। এসময় ঝড়ের প্রবল বেগে ২ শতাধীক গাছ উপরে গিয়ে বুড়িচং-কালিকাপুর সড়ক ও বাকশীমূল-পিতাম্বর সড়কের মধ্যে পরে। এতে করে উভয় পার্শ্বের গাড়ী চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় রাস্তা থেকে গাছ কেঁটে ওই সড়কে পুনরায় যান চলাচল শুরু হয়। খবর পেয়ে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনম নাজিম উদ্দীন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থদের পূর্নাবাসের আস্বাস দেন। এসময় বাকশীমূল ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল হক মাষ্টার, ইউপি সদস্য ফারুক খাঁন, লেয়াকত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...

Leave a Reply