নাঙ্গলকোটে কাজীর বিরুদ্ধে বাল্য বিয়ে রেজিষ্ট্রির অভিযোগ

মোঃ আলাউদ্দিন, নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা):–

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের মক্রবপুর ইউপির নিকাহ রেজিষ্ট্রার কাজী আবদুল হকের বিরুদ্ধে ব্যাপক মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে বাল্য বিয়ে রেজিষ্ট্রিকরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, কাজী আবদুল হক দীর্ঘদিন থেকে মোটা অংকের অংকের উৎকোচের বিনিময়ে সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে বাল্য বিয়ে রেজিষ্ট্রি করে আসছে। তার এ অপকর্মের ফলে ওই এলাকায় বাল্য বিয়ের প্রবণতা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ২৬ জুন বৃহস্পতিবার তার অবৈধ সহযোগিতায় উপজেলার সাহেদাপুর গ্রামে আরও একটি বাল্য বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বাল্য বিয়ের শিকার ওই স্কুল ছাত্রীর নাম মোসাঃ তাসলিমা আক্তার (১৫)। সে সাহেদাপুর গ্রামের আবুল হাসেমের মেয়ে এবং সাবিত্রা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী। গত ২৬ জুন উপজেলার একই ইউপির শ্রীফলিয়া গ্রামের আবদুল মতিনের ছেলে প্রবাসী আবদুল মোতালেবের সাথে ওই স্কুল ছাত্রীর বিয়ে হয়। সবকিছু জেনেশুনেও আইন অমান্য করে কাজী আবদুল হক ভূয়া জন্ম সনদ বানিয়ে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে এ বাল্য বিয়ে রেজিষ্ট্রি করেন।
উল্লেখ্য, এ ঘটনার পূর্বেও একাধিকবার কাজী আবদুল হকের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারি, জন্ম সনদ জালিয়াতি ও বাল্য বিয়ে রেজিষ্ট্রির অভিযোগ উঠেছে।
এ ব্যাপারে সাবিত্রা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহজাহান বলেন- বিয়ের বিষয়টি আমি জানিনা। তবে, ৯ম শ্রেণির কোনো শিক্ষার্থীর বয়স ১৮ বছর হবেনা। ঘটনাটি সত্য হলে আমি উপজেলা নির্বাহির কাছে অভিযোগ করব।
এ বিষয়ে জানার জন্য কাজী আবদুল হকের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।
নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মুহাম্মদ সাইদুল আরিফ জানান, এ ব্যাপারে আমি কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Check Also

দাউদকান্দিতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

হোসাইন মোহাম্মদ দিদার :কুমিল্লার দাউদকান্দিতে শান্তা বেগম (২৪) নামে এক গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। ...

Leave a Reply