যে লেখা হৃদয়ে দাগ কাটে—-

 

——মাসুমুর রহমান মাসুদ

আজ যা খবর, কাল তা ইতিহাস, প্রমাণ বা দলিল। এ কথার যথার্থতা নতুন করে প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই, তা সবারই জানা। তবে সে খবর যদি বস্তুনিষ্ঠ হয়। না হলে, তা ইতিহাসের রুগ্ন অঙ্গ। কলুশিত অধ্যায়। এ প্রসঙ্গে একটি কথা না বললেই নয়। প্রিয় পত্রিকা দৈনিক সংবাদ এর ৮ মার্চ ১৯৭১ সংখ্যায় লিড নিউজ ছিলো ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’। ৭ মার্চ ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ভাষণের এই অংশটি ৮ মার্চ দিনটির জন্য ছিলো শুধুই একটি খবর। কিন্তু কালানুক্রমে আজ ওই খবরটি একটি ইতিহাস। সেই ভাষণটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর পঞ্চম তফসিল [১৫০(২)] অনুচ্ছেদে লিপিবদ্ধ আছে। খবরটি এতই গুরুত্বপূর্ণ ছিলো যে, এটি দেশের জন্য লিখিত দলিল।

দৈনিক সংবাদকে প্রিয় পত্রিকা বলার পেছনে কিছু কারণ রয়েছে। এটি দেশের অবিভক্ত সময়ের প্রাচীনতম দৈনিক। প্রগতিশীল ধারার পত্রিকা হিসেবে এর আত্মপ্রকাশ। মুনীর চৌধুরী, শহীদুল্লাহ কায়সার এর মতো সমকালীন সাহসী লেখক সাহিত্যিকদের সংস্পর্শ রয়েছে পত্রিকাটিতে। প্রগতিশীল ধারার রাজনীতিক ও সাংবাদিক আহমাদুল কবির, প্রথিতযশা সাংবাদিক প্রয়াত বজলুর রহমানসহ অসংখ্য গুণীদের এক সময়ের চারণ ভূমিতে পরিণত হয়েছিলো পত্রিকাটি। সাংবাদিকতায় আমাদের অগ্র পথিক মঞ্জুরুল হাসান বুলবুল এর সান্নিধ্য পেয়েছি এই পত্রিকার সুবাদে। অধিকন্তু আমিও ব্যক্তিগতভাবে এ পত্রিকার একজন কলম সৈনিক।

স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে যুবলীগ নেতা নূর হোসেন’র আত্মত্যাগ (সামরিক বাহিনীর বর্বরোচিত গুলিতে নিহত) এর খবরটি পরের দিন শুধু পত্রিকা পাঠকদের জন্য একটি খবর ছিলো। কারো জন্য বেদনার এক পাহাড়। কারো জন্য রাজনীতিতে পালা বদলের হাতিয়ার। পরিবারের সদস্যদের জন্য শোকের কড়ানল। সময় পরিবর্তনের সাথে সাথে আজ তা নিষ্ঠুর ইতিহাস। কারো কারো জন্য দৃষ্টান্ত, আদর্শ। আবার কারো জন্য স্লোগানের খোরাক। কিন্তু সেই খবরটি আজ বাঙালী জাতি ও গণতন্ত্রের ইতিহাসের একটি অবিচ্ছেদ্য দলিল।

‘সাহিত্যের উদ্দেশ্য সকলকে আনন্দ দেওয়া, করও মনোরঞ্জন করা নয়।’- প্রমথ চৌধুরী’র এ বক্তব্যের হ্রেস ধরে বলতে চাই সাহিত্য অবশ্যই সকলের জন্য লিখিত হবে। কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর মনোরঞ্জন করতে গেলেই তা সাহিত্য জগৎ থেকে বিচ্যুত হবে। আমি সাহিত্যিকদের মতো ওজস্বী কথা বলতে চাই না। কারণ একে তো আমি সাহিত্যক নই, তদুপরি সাহিত্য সম্পর্কে আমার জ্ঞানের পরিধি অত্যন্ত ক্ষুদ্র। তবে, আমি বাংলা সাহিত্যের জ্ঞান পিপাসু শিক্ষানবিশ বটে।

মুনীর চৌধুরীর একটি কথা এখানে উল্লেখ না করলে পূর্ণতা পাওয়া যাবে না। ‘…আমি নাটকের বশ, ইতিহাসের দাস নই… ।’ ইতিহাস এর ভিত্তিতেই যে সাহিত্য রচিত হবে তার কোন ধরাবাধা নিয়ম নেই। ইতিহাসের কুহেলিকাচ্ছন্ন ঘটনা, কাল্পনিক চরিত্র, বর্ণনা রীতিকে আধাঁর করে যে রোমান্স রচিত হয় তাই যে সাহিত্য তাও পরিপূর্ণ সাহিত্যের সংজ্ঞা নয়। আমিও এখানে সাহিত্যের সংজ্ঞা দিতে চাই না। শুধু এটুকু বলতে চাই ইতিহাস আমাদের জন্য অপরিহার্য। যে জাতি নিজের ইতিহাসকে যতোটা সত্য ভিতের উপর দাঁড় করাতে পেরেছে এ ধরাধামে তারাই ততোটা উচ্চ শিখরে পৌঁছতে পেরেছে। আমরা অহেতুক ইতিহাস বিকৃত করি, ইতিহাসের মিমাংশিত বিষয়কে টেনে এনে নতুন করে সমস্যা সৃষ্টি করতে চাই। যা মোটেও কাম্য নয়। সম্প্রতি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রথম না সপ্তম রাষ্ট্রপতি তা নিয়ে বহু বাড়াবাড়ি-বাকযুদ্ধ হয়েছে। এরকম বাকযুদ্ধ আমাদের ইতিহাসকে ক্ষতাক্ত ও রক্তাক্ত করবে। এসব অপ্রীতিকর বিষয়ক প্রত্যাশিত নয়।

কোন বাস্তব ঘটনা বা ইতিহাস অবলম্বন করে রচিত লেখা যেভাবে মানুষের হৃদয়ে দোলা দিতে পারে, অবাস্তব বা কাল্পনিক লেখা সেভাবে মানুষের মন যোগাতে পারে না। মানুষের মনকে জাগাতে হলে বাস্তব সম্মত বিষয়গুলো খুব কম সময়ে উদ্দেশ্য হাসিল করতে পারে। আমার এ লেখা সমালোচকদের মুখের খোরাক হবে এমন চিন্তা করি না। করলে নিজেকে আরও সংযত রাখার চেষ্টা করতাম।

একটি সুলিখিত চিঠি যেমনি সাহিত্যিক মর্যাদা লাভ করে তেমনি কিছু সুলিখিত খবরও সাহিত্যিক মর্যাদা লাভ করে। বিষয়টি আমি নিশ্চিত হতে পেরেছি। বাংলা সাহিত্যের ছাত্র হিসেবে এবং সাংবাদিকতা করার সুবাদে অনেক নবীণ লেখকদের সাথেই পরিচয় হয়, কথা হয়, বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। প্রবীণদের অনেকেই ¯েœহ করেন। প্রকাশের পর তাদের লেখা উপন্যাস, কাব্যগ্রন্থ, বই উপহার দেন। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে সম্পাদনার গুরু ভার দিয়ে আমার নগণ্যতাকে দূর করতে চান। দীর্ঘ ৭-৮ বছর ধরে বই সংগ্রেহর এক প্রবল নেশা আমাকে গ্রাস করেছে। এরই আগ্রহ বশত- সময় কম পেলেও বই পড়ার আশক্তি আমাকে দুর্বল করে ফেলেছে। ভাল বই সংগ্রহ করা আমার এক কাজে পরিণত হয়েছে।

অনেক লেখকই বই দিয়েছেন- কিছু উপহার, কিছু মুদ্রার বিনিময়ে, আবার কেউ প্রবল আগ্রহে তার লেখা কেমন হয়েছে সে মতামত যাচাইয়ের জন্য। এদের মধ্যে দৈনিক সংবাদ এর তৎকালীন মফস্বল বিভাগের সম্পাদক শ্রেণিয় সিকান্দার ফয়েজ (বর্তমানে দৈনিক সমকাল পত্রিকায়) দিয়েছেন- সংবাদকোষ এবং তৃষ্ণা আমার বক্ষ জুড়ে। একই পত্রিকার বর্তমান ন্যাশনাল ডেস্ক এডিটর আবুল হোসেন খোকন দিয়েছেন তার ভ্রমণ কাহিনী- দার্জিলিং ভ্রমণ, রিপোর্টিং এন্ড এডিটিং এবং জনযুদ্ধের দিনগুলি। কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃকিত সংগঠন চারণ এর পক্ষ থেকে আবৃত্তি বিষয়ক কর্মশালা’র সমাপনী দিন সংগঠনের পক্ষ থেকে আকবর আহমদ সম্পাদিত- এবং পাঁচকবি। চান্দিনার বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুর রশিদ দিয়েছিলেন তার কাব্যগ্রন্থ ‘পথভ্রষ্ট’। তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় লেখক সুলতান আহম্মেদ উপহার দিয়েছেন তার রচিত তৃতীয় গ্রন্থ ‘জীবন মোহনা’।

এবছরের ২৮ মার্চ বরুড়া উপজেলার জয়নগর গ্রামে যাই। সাথে আরও কয়েকজন সাংবাদিক ছিলেন।  দৈনিক আমাদের কুমিল্লার বার্তা সম্পাদক বন্ধুবর মহিউদ্দিন মোল্লা, দৈনিক ভোরের ডাক প্রতিনিধি গোলাম মোস্তফা, সাপ্তাহিক নয়ারবি’র নির্বাহী সম্পাদক তাহমিদুর রহমান দিদার। অজপাড়াগাঁয়ে গড়ে ওঠেছে ‘উত্তমাশা’ নামের একটি সমাজ সেবী সংগঠন। সংগঠন সম্পর্কে জানতে এবং এক্সক্লুসিভ নিউজ আইটেমের জন্য সেখানে যাওয়া। কোমলমতি শিশুসহ এলাকাবাসীর জন্য উত্তমাশা প্রতিষ্ঠিত গণ-পাঠাগারে গিয়ে অনেক বই দেখি। অতপর নিজের বাড়িতে একটি লাইব্রেরি করার আগ্রহ আমার মনে আরও গভীরভাবে জটলা পাকায়। ওখানে একটি টেবিলের ওপর স্তুপাকারে কিছু বই সাজানো আছে। সবগুলো একই। ‘কথায় কথায়’ নামের ওই বইটি হাতে তুলে দেখছিলাম। এমন সময় আনন্দ দা (উত্তমাশা’র একজন কর্মকর্তা) এসে বললেন- ‘এগুলো আপনাদের জন্য’। উত্তমাশা’র প্রতিষ্ঠাতা গোছের একজন বিদ্যুৎ সরকার। তিনি বিদেশে থাকেন। ‘আজকাল’ নামের একটি পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন। ওই সুবাদে বরেণ্য কিছু ব্যক্তির সাক্ষাৎকার তিনি এবং তার এক সহযোগী মনীষ পাল দু’জনে মিলে নিয়েছেন। সেগুলো মিলিয়ে বইটি প্রকাশিত হয়েছে। যথারীতি আমাদের সবার হাতে একটি করে বই দেওয়া হলো। অনুপস্থিত আমাদের এক ছোট ভাই- সেও সাংবাদিক, তার নাম মো. আবদুল বাতেন, তার জন্যও একটি বই চেয়ে এনেছিলাম। বইটি বেশ ভালো লেগেছে।

২৭ এপ্রিল দেশের বরেণ্য সাংবাদিক কুমিল্লার অহংকার নাঈমুল ইসলাম খান সম্পাদিত দৈনিক আমাদের কুমিল্লা কার্যালয়ে যাই। সেখানে পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শ্রদ্ধাভাজন কলম সৈনিক শাহাজাদা এমরান ভাইয়ের সাথে একান্ত বৈঠক ছিলো। বৈঠক শেষে চা-চক্র হলো। এরই ফাঁকে লজ্জার মাথা খেয়ে তাঁর কাছে বই চাইলাম। দীর্ঘদিন ধরেই পত্রিকায় বিজ্ঞাপনটি দেখেছি, শাহাজাদা এমরান’র প্রথম গ্রন্থ। আমাকে এটি খুব হাতছাঁনি দিয়ে ডাকছে যেন। মুক্তিযুদ্ধে কুমিল্লা জেলার বীর সেনানীদের সাক্ষাৎকার ‘রণাঙ্গনের বীর’।

অনেকের লেখাই দেখেছি। যেন তেলে মাথায় তেল দেওয়া। নামকরা ব্যক্তিদের নিয়েই লিখে থাকেন। এ বইটি আমাকে প্রবলভাবে আকৃষ্ট করেছে। অখ্যাত সব মুক্তিযোদ্ধা আর বীরাঙ্গনা দের সাক্ষাৎকার বইটিতে স্থান পেয়েছে। যারা এর আগে কোন খবরের আইটেম হয়নি। তাদের দুঃখ, ব্যথা, বেদনা, চাওয়া, পাওয়া, না পাওয়া, দাবি, চাহিদা সবই উঠে এসেছে সাক্ষাৎকার গুলোর চরণে চরণে। সাক্ষাৎকারগুলো পর্বাকারে দৈনিক আমাদের কুমিল্লা’য় ছাপা হয়েছে। সেগুলো সম্পাদিত ও পরিমার্জিত রূপে বইটিতে স্থান পেয়েছে। মোট ৩২ জনের সাক্ষাৎকার এতে রয়েছে। শাহজাদা ভাইয়ের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চান্দিনায় ফেরার উদ্দেশ্যে বাসে উঠি। বইটি পড়ার পিপাসা মিটছিলো না। বাসে বসে হট্টগোলের মধ্যেই নিরব আমি। দু’চাখ বই থেকে সড়াতে পারিনি। গ্রন্থটি লেখা না হলে- বীরাঙ্গনা ফুলবানুর কান্না, খেতাব না পাওয়া বীরাঙ্গনা আলেয়া’র আর্তি, স্বাধীনতার চেতনাকামী মুক্তিযোদ্ধা অমল চন্দ্র পালের কথা, মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিতে আবুল কাশেমের লজ্জা, সঠিক নেতৃত্বের সন্ধানী সালাহউদ্দীন তালুকদার, ভূয়া সনদধারী মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে মফিজুল ইসলামের বিষোদ্গার, যুদ্ধাপরাধিদের বিচার দাবিদার আলি মোহাম্মদরা আমাদের অজানা থেকে যেতো। তাদের না বলা কথাগুলো আমাদের কানে পৌঁছত না। মুক্তিযুদ্ধের প্রতিটি ঘটনাই ইতিহাস। সেই ইতিহাসের সন্ধানে এবং বাস্তব সত্য উদঘাটনে লেখকের অক্লান্ত পরিশ্রম এসব আমাদের সাধারণের জানার কথা নয়।

সাক্ষাৎকারগুলো পত্রিকায় বা বইটিতে প্রকাশিত না হলে- ইতিহাসের নির্মম সত্যগুলো ইতিহাসের অপ্রকাশিত অধ্যায় রূপে থেকে যেতো। সাহিত্যিক ছোঁয়া দিয়ে লেখা প্রতিটি সাক্ষাৎকার ইতিহাসের দেয়ালের একেকটি ইট। মুক্তিযুদ্ধের প্রতিটি দিনের ঘটনার আদর্শ কোষ স্বরূপ। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে কাল্পনিক চরিত্র দিয়ে রচিত হয়েছে জহির রায়হানের ‘একুশের গল্প’। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্’র ‘লালসালু’, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়’র আঞ্চলিক উপন্যাস ‘পদ্মানদীর মাঝি’ তে বাস্তব ঘটনা ও চরিত্র স্থান পেয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ কে ভিত্তি করে সময়ের শ্রেষ্ঠ লেখক প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদ এর ‘আগুনের পরশমণি’ সহ মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক অনেক উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়েছে। ১৯৭১ সালে আমাদের দেশের স্বাধীনতার ঐতিহাসিক সত্য এবং বাস্তব ঘটনার উপর লেখা শাহাজাদা এমরানের ‘রণাঙ্গনের বীর’। কারো মুখে শুনা গল্প নয়। রণাঙ্গনের বাস্তব নায়কদের মুখ নিঃসৃত বাণী ফুটে উঠেছে তার লেখাগুলোতে। ফলে, শাহাজাদা এমরানের ‘রণাঙ্গনের বীর’ বইটির ঐতিহাসিক মূল্য বিচার করবেন সমালোচক এবং সাহিত্য বিশারদগণ- এই শুভ কামনা।

ধন্যবাদ দিয়ে তার সাহিত্যিক গুণকে ছোট করবো না। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই। আর যে দরদ দিয়ে তিনি বইটির মুখবন্ধ নিবেদন করেছেন তা নিতান্তই এক প্রকৃত জনের কথা। বইটির প্রতি তার হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা আমাকে অবিভূত করেছে। তার প্রথম সন্তানের সাথে বইটির উপমা তুলে ধরে হৃদয়াবেগকে প্রকাশিত করেছেন অকুণ্ঠ চিত্তে।  যে লেখা হৃদয়ে দাগ কাটে আশাকরি সে লেখা সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক মর্যাদা পাবে।

লেখক-
মাসুমুর রহমান মাসুদ
বি.এ (অনার্স); এম.এ (বাংলা)
প্রভাষক, লক্ষ্মীপুর আলিম মাদ্রাসা, চান্দিনা
সাধারণ সম্পাদক চান্দিনা রিপোর্টার্স ইউনিটি।
ই-মেইল: masud599@gmail.com
মোবাইল: ০১৮১৮৫৯৯১৯৯

Check Also

মাদকসন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সরকারকেই জোরালো ভূমিকা নিতে হবে

—-মো. আলীআশরাফ খান লেখার শিরোনাম দেখে হয়তো অনেকেই ভাবতে পারেন, কেনো লেখাটির এমন শিরোনাম দেয়া ...

Leave a Reply