চোখের জলেই কেটে গেল পরিবারের এক বছর: কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ হাতিমারা ট্যাজেডি

লাকসাম প্রতিনিধি:–
স্বজনদের চোখের জলেই কেটে গেল কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ “হাতিমারা ট্যাজেডির” এক বছর। নিহত শিশুদের পরিবাররা তাদের আদরের সন্তানদের হারিয়ে আজও নির্বাক। ছোট্ট সোনামনিদের কবরের পাশে গিয়ে শুধু ফ্যাঁলফ্যাঁল করে চোখের জল পেলে বুক ভাসিয়ে নিরবে চলে আসে বাড়িতে। তাদের প্রিয় সন্তানেরা আর কোনদিন ফিরে আসবে না জেনেও ওই স্কুলের অন্য শিশুদের দিকে তাকিয়ে শুধু শান্তনা খুঁজে বেড়ান।
সেই ভয়াল ১৬ মার্চ, দিনটি ছিল শনিবার কালের স্বাক্ষী হয়ে এক বছর আগে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের ইতিহাসে ঘটে যায় সবচেয়ে বড় দূর্ঘটনা! যাহা “হাতিমারা ট্যাজেডি” নামে খ্যাত। ওইদিন ঘাতক ট্রাকের নিষ্ঠুর আঘাতে সেইদিন নিহাদ, রাকিব, হৃদয়, মিথুন, স্বাধীন, শোভা, আল-আমিনরা নিয়তির কাছে পরাজিত হয়ে ট্যাজেডির স্বাক্ষী হন।
নিহত ওই সাত শিশু শিক্ষার্থীর একজন কাওলি পাড়া ও বাকী ছয়জনই উপজেলার হাতিমারা গ্রামের। নিহত শিশুরা সবাই স্থানীয় নাথেরপেটুয়া মডেল স্কুলের শিক্ষার্থী। ওইদিন স্কুল ছুটির পর বাড়ী ফিরার পথে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের হাতিমারায় বেপরোয়া একটি ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে ভুবন বিদায় জানায় ওই শিক্ষার্থীরা।
দিবসটি উপলক্ষ্যে মনোহরগঞ্জের বিভিন্ন সংগঠন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোরআন খানী, মিলাদ-মাহফিল ও নানা কর্মসূচি পালন করে। ওই ঘটনার ক্ষত আজও শুকায়নি স্কুল শিক্ষার্থীদের স্বজনদের। তাদের অন্তঃমাতমে আজও এলাকা কম্পিত।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...

Leave a Reply