কুমিল্লার অপরাধ সভায় মামলার তদন্তে শ্রেষ্ঠ হওয়ায় এক উপ-পরিদর্শককে পুরস্কার ও ক্রেষ্ট প্রদান

স্টাফ রিপোর্টার:–
বুধবার সকালে কুমিল্লা পুলিশ সুপার কার্য্যালয়ে অপরাধ সভায় মামলার তদন্তে শ্রেষ্ঠ হওয়ায় ও পুলিশের ভাবমুর্তি উজ্জল করার সম্মানে দেবিদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক(এস.আই) শাহ কামাল আখন্দকে পুরস্কার ও ক্রেষ্ট প্রদান করেন জেলার পুলিশ সুপার টুটুল চক্রবর্ত্তী।
ওই অপরাধ সভায় কুমিল্লা পুলিশ সুপার টুটুল চক্রবর্ত্তীর সভাপতিত্বে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(দক্ষিণ) আলী আশ্রাফ, সহকারী পুলিশ সুপার সদর সার্কেল জাহাঙ্গীর আলম, মুরাদনগর সার্কেল মোঃ নজরুল ইসলামসহ কুমিল্লার ১৬টি থানার অফিসার ইনচার্জ ও ওসি(তদন্ত)সহ পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নভেম্বর/১৩ইং মাসের জেলার ১৬টি থানার মধ্যে দুটি সিএনজি অটোরিক্সা চালককে হত্যা করে সিএনজি অটোরিক্সা ছিনতাই ঘটনায় এবং দু’টি গুরুত্বপূর্ণ হত্যার মামলার তদন্দকারী কর্মকর্তা হিসাবে দেবিদ্বার থানা উপ-পরিদর্শক শাহ কামাল আখন্দ দায়িত্ব গ্রহণ করে ঘটনা দু’টির রহস্য উদঘাটন ও আসামী গ্রেপ্তারের জন্য একটানা অক্লান্ত পরিশ্রম ও বুদ্ধিমত্তার সহিত মামলা দায়িত্ব পালন করে উপ-পরিদর্শক(এস আই) শাহ কামাল আখন্দ দ্রত সময়ের মধ্যে চাঞ্চলেকর ঘটনা দু’টির আসামী গ্রেফতার ,হত্যার মূল রহস্য উদঘটনা এবং উভয় মামলার জড়িতদের ৪ জনকে গ্রেফতার পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় বিজ্ঞ আদালতে স্বীকাররোক্তি মূলক জবানবন্দি রেকর্ড করতে সক্ষম হওয়ায় এবং ছিনতাইকৃত একটি সিএনজি অটোরিক্সা উদ্ধার করতে সক্ষম হওয়ায় এবং পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জল করায় তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহ কামাল আখন্দকে এই পুরস্কার ও ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।
বিগত সেপ্টম্বর মাসে ও শাহ কামাল আখন্দ জেলার সেরা তদন্তকারী কর্মকর্তা বিশেষ পুরস্কার লাভ করেন।
উল্লেখ্য,গত ৩০অক্টোবর উপজেলার কংশনগর-বামনীসার রোডের ফুলতলী চরেরপাড়া দয়ার চর খালের পাড়ে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে সনাক্ত হওয়ার পর মৃতের ভাই বিল্লাল হোসেন এজাহার দায়ের করেন যে, অজ্ঞাত নামা আসামীরা তাহার বড় ভাই আব্দুল আলীমকে হত্যা করিয়া লাশ গোপন করার লক্ষ্যে উক্ত খালের পাড়ে ফেলে দেয় এবং তাহার চালানোকৃত সিএনজি অটোরিক্সা ও মোবাইল নিয়ে যায় মর্মে একটি  মামলা রুজু করেন।
গত ১৪ নভেম্বর দেবিদ্বারের গুনাইঘর(উত্তর)ইউনিয়নস্থ এর পূর্ব দিকে ছেপাড়া রাস্তার পার্শ্বে  জঙ্গলের নিচে খাদের এক আজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করার পর মৃত ব্যক্তির দেহ সনাক্ত হওয়ার করে মৃত ব্যক্তির ভাই আঃআউয়াল এজাহার দায়ের করেন যে, অজ্ঞাতনামা আসামীরা তাহার ছোট ভাই কালুকে হত্যা করিয়া লাশ গোপন করার উদ্দেশ্যে জঙ্গলের নিচে খাদের ফেলে দেয় এবং তাহার চালানোকৃত অটোরিক্সা ও মোবাইল নিয়ে যায় মর্মে একটি মামলা রুজু করেন।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...

Leave a Reply