নাসিরনগরে ২৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন ঝুঁকিপূর্ণ ॥ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উদ্বিগ্ন

আকতার হোসেন ভুইয়া,নাসিরনগর :–

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ২৪টি প্রাথমিক বিদ্যায়ের ভবন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় কোন কোন বিদ্যালয়ে ঝুঁিকপূর্ণ ভবনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হচ্ছে। এসব বিদ্যালয় দ্রুত সংস্কার করা না হলে যেকোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করছেন অভিভাবক-শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, নাসিরনগর উপজেলায় ১৬টি সরকারি ও ৮ বেসরকারি(রেজির্স্টাড) প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনকে অধিক ঝুকিঁপূর্ন হিসেবে চিহিৃত করা করা হয়েছে। অধিক ঝুকিঁপূর্ন হওয়ায় কিপাতনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বড়নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ধানতলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সিংহগ্রাম উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শ্রীঘর উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফুলখারকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চিতনা রেজিঃ বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, শ্যামপুর রেজিঃ বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেলুয়া রেজিঃ বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, দূর্গাপুর রেজিঃ বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, খাগালিয়া রেজিঃ বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, গুটমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাইজখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কদমতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পতইর রেজিঃ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শংকরাদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভোলাউক রেজিঃ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঝামারবালী রেজিঃ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাছমা রেজিঃ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বালিখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মকবুলপুর রেজিঃ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেনীপাড়া রেজিঃ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জয়নগর (বাঘাইয়া) রেজিঃ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দেওরত রেজিঃ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনগুলোকে ব্যবহারের অনুপযোগী ঘোষনা করা হয়েছে। মকবুলপুর রেজিঃ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমির আলী জানান,ভবনটি ব্যবহারের অনুপযোগী ঘোষনা করা হয়েছে। অতিরিক্ত ভবন না থাকায় এলাকাবাসীর সহযোগিতায় উঠানো একচালা টিনের ঘরে ক্লাস নিতে হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, ঝুকিঁপূর্ণ ভবনগুলোর ছাদ ও দেয়ালের পলেস্তারা খসে লোহার রড বেবিয়ে গেছে। একাধিক বিদ্যালয়ের ছাদের ভিম ও দেয়াল ফাটল ধরেছে। বৃষ্টি হলে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ছে। তাছাড়া বিদ্যালয়ে জরার্জীণ ভবনের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ায় শিক্ষার্থীরা শ্রেনী কক্ষে ক্লাস করতে ভয় পায়। দ্রুত ঝুকিঁপূর্ণ এসব বিদ্যালয়ের ভবনগুলো পুনঃ নিমার্ণের উদ্যোগ নেয়া না হলে যে কোন সময় ধসে পড়তে পারে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার (চলতি দায়িত্ব) মোঃ হেমায়েতুল ফারুক ভূঞা জানান, ঝুকিঁপূর্ণ ও ব্যবহারে অনুপযোগী ২৪টি বিদ্যালয়ের তালিকা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ভবনগুলো দ্রুত সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণের সুপারিশ করা হয়েছে।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...

Leave a Reply