এ কেমন সেতু, নির্মানের ১৬ বছরেও কাজে লাগেনি

সৈয়দ আহাম্মদ লাভলুঃ–

১৯৯৬ সালে আট লাখ টাকা ব্যায়ে নির্মান করা হয়েছিল সেতুটি। স্থানীয় জনতার দাবির মুখে নির্মান কাজ শেষ হলেও গত হলো ষোল বছর। দুই পাশে মাটির ভরাটের অভাবে অন্ধকারে ডেকে গেছে সেতুটি। একপাশে শৌচাগার অন্যপাশে বিশাল গর্ত। সেতুটি নিয়ে পথচারিদের মুখরোচক আলোচনার অন্তহীন হলেও কর্তৃপক্ষের নজর নেই। সেতুটি কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মালাপাড়া ইউনিয়নের পুর্বচন্ডিপুর গ্রামে অবস্থিত। সরেজমিন জানা যায়, উপজেলার জিরুইন-চন্ডিপুর সড়কের পুর্বচন্ডিপুর গ্রামের মো. মাইনুউদ্দিনের বাড়ির পাশে খালের উপর সেতুটি নির্মিত হয়। স্থানীয় জনগনের দাবির মুখে ১৯৯৬ সালে সেতুটির নির্মান করা হয়। আট লাখ টাকা ব্যায়ে সেতুটি নির্মিত হয়েছিল। সেতুটি নির্মানের পূর্বে শৌচাগারটি ছিল। সেতুটি নির্মানের পর শৌচাগারটি ভেঙ্গে রাস্তা নির্মানের কথা থাকলেও আজ পর্যন্ত তা না হওয়ায় সেতুটি কোন কাজেই আসছেনা। সেতুর পাশের বাড়ির প্রবীণ ব্যাক্তি আব্দুল মতিন এ প্রতিনিধিকে বলেন, সেতুটি নির্মানের উদ্দেশ্য ছিল এটি দিয়ে চন্ডিপুর দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রী সহ এলাকার জনগন যাতায়াত করতে পারবে। কিন্তু এর এক পাশে মাটি নেই আর অপর পাশে একটি শৌচাগার থাকায় জনগন সেতুটি আজ পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারেনি। তাই আজ প্রায় ১৬ বছর এ সেতুটি জনগনের কোন উপকারে আসেনি। এ ব্যাপারে মালাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম ভুইয়া বলেন, সেতুটির পাশে রাস্তা করার উদ্দেশ্যে এটি নির্মিত হয়। পরবর্তীতে রাস্তা না হওয়ায় সেতুটি জনগনের কোন কাজে আসেনি। ভবিষ্যতে এটি জনগনের ব্যবহারের কোন সম্ভাবনা নেই। এলাকার সচেতন মহল মনে করেন, জনগনের অর্থে পরিচালিত সরকারের টাকা এভাবে অপচয়ের কোন যুক্তিকতা নেই। ভবিষ্যতে যেন এধরনের কাজের পুনরাবৃত্তি না হয়, এব্যাপারে প্রসাশনের সু-দৃষ্টি কামনা করেন এলাকাবাসী।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...

Leave a Reply