কুমিল্লায় মানবাধিকার আন্দোলনের ইতিকথা- তিন দশকের অর্জন ও ন্যুনতা

—-দেলোয়ার জাহিদ

সে প্রায় ৩১ বছর আগের কথা। ১৯৮২ সালের কোন এক তপ্ত দপুরে কুমিল্লা প্রশিকা’র সালাউদ্দিন ছোটে এসেছিলো সাপ্তাহিক সমাজকন্ঠ অফিসে। প্রশিকা’য় ঢাকা থেকে আগত ক’জন অতিথি আমার সাথে আলোচনায় বসতে চান। রাহাত উদ্দিন তখন কুমিল্লা প্রশিকা’র প্রধান নির্বাহী। বলতে গেলে আমি তখন ব্যস্ত, নেশাগ্রস্থ সাংবাদিকতায়। প্রিন্টিং প্রেসের একটি কম্পোজ সেকশন খুলে নিয়মিত আমার পত্রিকাটি প্রকাশে হিমশিম খাচ্ছি। লেখা আর ধারনার সব ভান্ডার নিয়ে বার্ড থেকে প্রায়ই এসে হাজির হতো বন্ধু তোফায়েল, চলতো দু’জনে মিলে সমাজ পরিবর্তনের নিরন্তর চর্চা। নেটওয়ার্কিং বা সম্পর্ক বিন্যাসে আমার কখনোই আগ্রহের কমতি ছিলোনা। তাই চলে এলাম প্রশিকা’য়। ব্যারিষ্টার নাজমুল হুদা ও এডভোকেট সিগমা হুদা আইন পেশায় তখন অনেক নবীন, কুমিল্লা এসেছিলেন মানবাধিকার নিয়ে কথা বলতে, মতবিনিময় করতে, কিন্তু বারে আইনজীবিদের সাথে এ বিষয়ে আলোচনায় তারা অনেকটা হতাশ। মানবাধিকার বিষয়টি তখনো অতটা আলোচিত বা পরিচিত নয়। আমার সাথে অধিকার প্রশ্নে দীর্ঘ আলোচনা হলো, খুবই খুশী হলেন তারা । পর্যায়ক্রমে আমাকে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নির্বাচন করে বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা কুমিল্লা জেলা শাখা গঠিত হলো।

DJ_07 003
ফাদার আর ডব্লিউ টীম ও জাষ্টিস কামাল উদ্দিন হোসেন এর অংশ গ্রহন ও অনুপ্রেরনায় বাংলাদেশে মানবাধিকার আন্দোলনের সূত্রপাত হয়েছিলো। এ আন্দোলনে সংস্থার কেন্দ্রের সাথে যারা সংশ্লিষ্ট ছিলেন তারা হলেনঃ আবদুল মতিন, আকরাম হোসেন চৌধুরী, সাইফুল ইসলাম দিলদার, আব্দুল মান্নান, কমল, এডভোকেট এলিনা আজিজ প্রমুখ। আর কুমিল্লায় এডভোকেট লিয়াকত আলী, অধ্যাপক আব্দুস সামাদ, নজরুল ইসলাম বাবুল, আবদুল আজিজ মাসুদ, আলী আকবর মাসুম, খায়রুল আহসান মানিক, মাহবুব হোসেন মানিক, সৈয়দ নূরুর রহমান, শামীম আহসান, এডভোকেট নোমান, মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, রমিজ খান, কাজী এমদাদ, ফিরোজ খান, জসিম উদ্দিন, আবুল কাশেম ও তাপস সহ আরো অনেকে।

hr_SHATKHIRA_01
বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার কর্মপরিধির মধ্যে কুমিল্লার কাজ সারা দেশেই ব্যাপক সাড়া ফেললো।স্থানীয় সংবাদপত্রগুলোর সহযোগিতা ছিল খুবই উৎসাহ ব্যঞ্জক। দৈনিক রূপসী বাংলা সম্পাদক মরহুম আব্দুল ওহাব ও আমোদ সম্পাদক অগ্রজ মরহুম ফজলে রাব্বী বেশ উৎসাহ যোগাতেন। সাংবাদিকতা, মানবাধিকার ও উন্নয়নের একটা যোগসূত্রিতা স্থাপনের সুযোগ তৈরী হলো। কুমিল্লা প্রেসক্লাব ও কুমিল্লা সাংবাদিক ইউনিয়নের মাধ্যমে সৃষ্টি হলো নতুন নেতৃত্বের। বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি’র তদানীন্তন অনুষদবর্গ-আব্দুস সাত্তার, আব্দুল মান্নান, টিপু সুলতান, খায়রুল কবীর, তোফায়েল আহমেদ সহ প্রায় সকলেই বিভিন্ন প্রশিক্ষন সংগঠনে আমাদের সহযোগিতা দিয়েছেন। বার্ড প্রশাসনের সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সহযোগিতার কথা উল্লেখ না করলে তা খুবই অবিবেচনা প্রসুত হবে। বার্ডস্থ কো-অপারেটিভ কলেজের তদানীন্তন লাইব্রেরীয়ান মির্জা রফিক উদ্দিন আহমেদ ও ছিলেন আমাদের একজন ঘনিষ্ট শুভানুধ্যায়ী। প্রশিক্ষন ও গবেষনামূলক কাজে বার্ড ও কো-অপারেটিভ কলেজের প্রাতিষ্ঠানিক যেকোন সহযোগিতা চাইলেই পাওয়া যেতো।

comilla_pressclub_16
তৃণমূলে মানবাধিকার নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষাপটি তুলে ধরার কিছু যৌক্তিক কারন রয়েছে। মানবাধিকার কোন বিশেষ দল জনগোষ্টীর নয় বরং তা সকল মানুষের। সে হিসাবে এ অধিকারের দাবিদার প্রতিটি মানুষ। ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর মানব মুক্তির সনদ বলে খ্যাত ঘোষনাপত্রটি জাতিসংঘে পাস হয়। এ ঘোষনাপত্রটি বিশ্বে মানবাধিকারকে সর্বোচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠা করেছে। এটিকে একটি দিক নির্দেশনা হিসেবে নিয়ে আমরা আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট আলোচনা করতে পারি। বর্তমান সময়ে মানবাধিকার পরিস্থিতি বিচার বিশ্লেষন করলে এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠবে। শুধু যে দেশে কোন সরকার মানবাধিকার লংঘন করে তা নয়, ফ্যাসিবাদী সামাজিক শক্তিগুলো ও মানবাধিকার লংঘনের ক্ষেত্রে অতীতের চেয়ে অনেক বেশী শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। মানবাধিকার লংঘনকে চিরতরে নির্মূল করা হয়তো কখনোই সম্ভব হবে না তবে এর ক্রমবৃদ্ধিকে অবশ্যই নীচে নামিয়ে আনা যাবে।
কুমিল্লা শুধু শিক্ষা, সংস্কৃতিরই পাদপীঠ নয়, বলা চলে মানবাধিকার আন্দোলনের ও পাদপীঠ। তৃণমূলে মানবাধিকার আন্দোলনের সূত্রপাত কুমিল্লা থেকে। এটি যে শুধু কথার কথা তা নয়, এর কিছু জলন্ত দৃষ্টান্ত তুলে ধরবো -আমাদের ১৯৮২-৯২ পর্যন্ত কর্মকান্ড থেকে। সে সাথে কুমিল্লা থেকে জাতীয় কোন নেতৃত্ব গড়ে তোলার ব্যর্থতার দায় ও নেবো দ্বিধাহীন চিত্তে। মানবাধিকার সংক্রান্ত মৌলিক কতগুলো বিষয়ের উপর প্রাপ্ত অভিযোগ; সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্য, কুমিল্লা জেলাধীন উপজেলা শাখাগুলোর কার্য্যক্রম সমন্বয়, জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সেমিনার ও সিম্পোজিয়াম সহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন, নির্বাচন পর্যবেক্ষন সহ নানাবিধ কাজ করেছি আমরা। মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা আইন সহায়তা কাজে সময় সময় কিছু আর্থিক সমর্থন ও যোগিয়েছিলো।
১৯৮৭ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার জাতীয় সন্মেলনে আমি দৃঢ়ভাবে তৃণমূলে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার রূপরেখা তুলে ধরি। সন্মেলনে এ বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও হয়। ১৯৮৯-৯০ সালে মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার সাথে পরামর্শ ক্রমে বাংলাদেশ মানবাধিকার ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করি। প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসাবে আমি এর দায়িত্ব পালন করি দেশ ত্যাগের পূর্ব পর্যন্ত, অতঃপর লুৎফুন্নেছা, শামীমা আক্তার ও মাহবুব হোসেন মানিক যথাক্রমে সভাপতি’র দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে ৮০ এর দশকে মানবাধিকার সংস্থা’র কর্মী, সমাজকন্ঠের সাবেক বার্তা সম্পাদক এবং সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবি আব্দুল আজিজ মাসুদকে সভাপতি এবং বায়েজিদ হোসেন বাবুকে সম্পাদক করে মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। ফাউন্ডেশনের কার্য্যক্রমকে আরো গতিশীল ও জোরদার করার জন্য এতে সাংগঠনিকভাবে ব্যাপক সংস্কার প্রয়োজন বলে অনেকে মনে করেন।
জেলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে মানবাধিকার বাস্তবায়নের কাজে যুক্ত করার প্রচেষ্টা চালায় এবং এর অংশ হিসেবে বার্ড ও এডাবের সহযোগিতায় প্রশিক্ষন ও সভা, সমাবেশের আয়োজন করি। ঢাকায় বাংলাদেশ মানবাধিকার সমন্বয় পরিষদে ও গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক ভূমিকা পালন করি।
১৯৮৭ সালে কুমিল্লা প্রশিকা’র উন্নয়নকর্মী সালাউদ্দিন আহমেদকে নিয়ে গড়ে তুলি সেবা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র, সাথে যোগ দেন মেজর (অবঃ) নোয়াব মিয়া। সেবা’র মাধ্যমে মানবাধিকারের কন্সেপ্টগুলোকে গ্রামীন কৃষক, মধ্যবিত্ত ও ভূমিহীনদের মাঝে পৌছে দেয়ার একটি সুবর্ণ সুযোগ তৈরী হয়। সেবার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে মানবাধিকার কার্য্যক্রমকে জনপ্রিয় করে তোলার চেষ্টা চালায়। শুনেছি, শিক্ষা ও মানবাধিকার সেবার নিয়মিত কর্মসূচী হিসেবে বর্তমানে আত্মীকরণ হয়েছে।
২০০৪ সালে আমাদেরই একজন একনিষ্ট সহযোগি আলী আকবর মাসুমের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে অধিকার ফাউন্ডেশান। শিক্ষা ও সচেতনতামূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে কুমিল্লায় এটি তার স্বীয় স্থান দখল করে নিয়েছে। আগষ্ট ২০০৯ এ কুমিল্লায় যোগ দিলাম দু’টো প্রানবন্ত সেমিনারে । অধিকার ফাউন্ডেশান আয়োজিত মানবাধিকার সংরক্ষনে গনমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার, আলোচনায় সভাপতি আঃ মতিন মাষ্টার, বার্ডের উপপরিচালক ডঃ কামরুল হাসান, এডভোকেট জহিরুল ইসলাম, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল হাসানাত বাবুল, বদরুল হুদা জেনু, অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান, অধ্যক্ষ জোহরা আনিস, অধ্যক্ষ কাজী মুজিবুর রহমান, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সম্পাদক সৈয়দ নূরুর রহমান, ডাঃ গোলাম শাহজাহান, কবি ফখরুল হুদা হেলাল, এডভোকেট প্রহলাদ, সাংবাদিক মাহমুদ পারভেজ, শাহজাদা এমরান, ওমর ফারুকী তাপস, মুন্জুর হোসেন, শামসুল হক ও দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধি খায়রুল আহসান মানিক প্রমুখ। স্নেহাস্পদ তরুন সাংবাদিকেরা তাদের আবেগ মিশ্রিত আর হৃদয় নিঙরানো ভালবাসায় বরণ করে নিয়েছিলো আমাকে। আমোদ সম্পাদক অগ্রজ মরহুম ফজলে রাব্বী, দৈনিক রূপসী বাংলা সম্পাদক মরহুম আব্দুল ওহাব, মরহুম আফতাব উদ্দিন, মরহুম গোলাম মোস্তাফা, মরহুম মুহাম্মদ উল্লাহ, মরহুম বদিউল আমিন দুলাল, ও মরহুম নওশাদ কবীরের কথা স্মরণ করে খুবই আবেগ ত্বারিত হয়ে পড়ি। বক্তৃতার মাঝে বাক রুদ্ধ হয়ে আসে বার বার। বিগত প্রবাস দিনগুলোতে অনেকেই হারিয়ে গেছেন প্রকৃতির নিয়মে। শিশু কিশোরদের ভালবাসায় সিক্ত হলাম কুমিল্লা হাউজিং এষ্টেটের ইউনিভার্স আইডিয়েল স্কুল ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশান আয়োজিত আরেকটি অনুষ্ঠানে। আমি, ডঃ কামরুল হাসান, মাহবুব হোসেন মানিক, আলী আকবর মাসুম, সফিকুর রহমান, শিক্ষক নজরুল ইসলাম, খায়রুল আহসান মানিক, হুমায়ুন কবির রনী, জাহিদ হোসেন ও বায়েজিদ হোসেন বাবু এর আলোচনা ছাড়াও ছিলো শিশু কিশোরদের অধিকার ও সুযোগ সুবিধার বিষয়ে ছিলো আকর্শনীয় প্রশ্ন-উত্তর পর্ব । তারপর কেটে গেছে আরো কিছু সময়। আরো ক’টি বছর।
৮০ এর দশক থেকে মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা ও পরবর্তীতে মানবাধিকার ফাউন্ডেশান নিয়মিতভাবে যে সকল কাজ করতো তার মধ্যে-সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষন, তদন্ত প্রতিবেদন, আর্জেন্ট এ্যাকসান এবং সীমিত পরিসরে কিছু আইন সহায়তা। সকলের প্রতি সর্ব্বোচ্চ নিরপেক্ষতা এবং কাজে পেশাধারীত্বের কারনে কুমিল্লা ছিলো সকলের জন্য অনুকরণীয়।
আমাদের দীর্ঘ কাজের তালিকা থেকে অন্ততঃ ক’টি দৃষ্টান্ত না দিলেই যেন নয়ঃ
৹ কুমিল্লা সদর হাসপাতালে সাংবাদিক গোলাম মোস্তফা চৌধুরীর উপর আক্রমন ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা
৹মুরাদনগর উপজেলায় গৃহবধুকে আগুনে পুড়িয়ে মারা, বুড়িচং এ ট্রিপল মার্ডার কেইস, চৌদ্দগ্রামে যৌন নির্যাতনের পর কিশোরী খুন,বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়ায় ভূয়া কৃষি হ্মণের দায় থেকে কৃষকদের মুক্ত করা, ৮ বছর বিনা বিচারে জেলে থাকার পর কোতয়ালীর মোহাম্মদ আলীকে মুক্ত করা, দাউদকান্দির চরাঞ্চলে ভয়াবহ সংঘর্ষের তদন্ত
৹দৈনিক জনতা সম্পাদক সানাউল্লা নূরীর বিরুদ্ধে দাউদকান্দিতে দায়ের করা মিথ্যা মামলার তদন্ত
৹আমাদের সহযোগি শামীম আহসানের পিতা ইন্জিনীয়ার আবদুর রশীদের সাহায্যে মুরাদনগর উপজেলায় খাস জমি সংক্রান্ত এক বায়োনিক মামলার রায় প্রদানের রহস্য উদঘাটন।
৹১৯৯০ সালের ২৯ ডিসেম্বর কুমিল্লা সহ ক’টি জেলে বিদ্রোহ থামাতে কয়েদীদের উপর গুলি বর্ষনের ঘটনার উপর তদন্ত এবং এর প্রতিবেদন প্রকাশ
৹হালিমা সূতাকলের শ্রমিকদের সহায়তা, ডিপ্লোমা ইন্জিনীয়ারদের ও কুয়েত প্রত্যাগতদের দাবি আদায়ে সহায়তা সহ অনেক ঘটনাই রয়েছে যা আমরা সাহস ও ধৈর্য্যের সাথে মোকাবেলা করেছি।

কুমিল্লায় মানবাধিকার আন্দোলনকে আমরা আরো গতিবহ ও শক্তিশালী দেখতে চাই। সেক্ষেত্রে আমার ব্যক্তিগত প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে মাহিনুর জাহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে প্রকাশনাধীন রয়েছে “বাংলাদেশে সংঘাত সমাধানে সমঝোতা-একটি ধারনামূলক প্রেক্ষিত” নামক পুস্তিকা। সমাজে দ্বন্ধ, মতবিরোধ ও সংঘাত নিরসনে মানবাধিকার আন্দোলনের মতোই কুমিল্লা আগামীতে ও পথ দেখাবে এটাই প্রত্যাশা।

=================================================
লেখকঃ দেলোয়ার জাহিদ
সাবেক সভাপতি-বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা, কুমিল্লা জেলা শাখা, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি-বাংলাদেশ মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, /কুমিল্লা প্রেসক্লাব ও কুমিল্লা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি, কানাডা’র আলবার্টা ও সাস্কাচুয়ান দু’টি প্রদেশের কমিশনার অব ওথস,সংবাদপত্রে নিয়মিত প্রবন্ধ, ফিচার ও স্তম্ভ লেখক। বর্তমানে এডমোনটন সিটি নিবাসী।
ফোনঃ ১ (৭৮০) ২০০-৩৫৯২।

Check Also

মিনি ওয়াক-ইন-সেন্টারের মাধ্যমে রবি’র গ্রাহক সেবা সম্প্রসারণ

ঢাকা :– গ্রাহক সেবাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে মোবাইলফোন অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড সম্প্রতি মিনি ওয়াক ...

Leave a Reply