চান্দিনায় প্রভিটা’র ফিস ফিডে পাথর! মৎস্য প্রকল্পের মাছে মড়ক

মাসুমুর রহমান মাসুদ, চান্দিনা :–

প্রভিটা ফিড লি. এর পাংগাস গ্রোয়ার ফিড ও পাংগাস ফিনিশার ফিড এ সাদা দানাদার পাথর পাওয়াগেছে। ওই পাথরের কারণে চান্দিনা উপজেলার বাড়েরা এলাকায় ৭টি মৎস্য প্রকল্পের মাছে মড়ক দেখা দিয়েছে। উপজেলার বাড়েরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মফিজ উদ্দিন ভূইয়া অভিযোগ করেন, গত ১৪ জুলাই তারিখে প্রভিটা ফিড লি. এর পরিবেশক বুড়িচং উপজেলার কোরপাই এলাকার মেসার্স ইসলাম ট্রেডার্স থেকে ৭টন পাংগাস গ্রোয়ার ফিড ও পাংগাস ফিনিশার ফিড ক্রয় করেন। পরে ওই খাবার তার মৎস্য প্রকল্পে প্রয়োগ করলে মাছে মড়ক দেখা দেয়। একই গ্রামের মো. আনোয়ার হোসেন ফকির অভিযোগ করেন, তিনিও ১ টন পাংগাস ফিনিশার ফিড ক্রয় করে তার মৎস্য প্রকল্পে প্রয়োগ করেন। এতে তার মৎস্য প্রকল্পেও মাছ মরতে শুরু করে। ঔষধ প্রয়োগের পরও মাছ মরা বন্ধ হয়নি।
পরে তারা উভয়ে খাবার পানিতে ভিজিয়ে পর্যবেক্ষণ করেন। পরে তারা খাবারের তলানিতে সাদা দানাদার পাথর দেখতে পান। তারা আরও অভিযোগ করেন প্রতি ২৫ কেজি খাবারের বস্তায় প্রায় ৪-৫ কেজি সাদা দানাদার পাথর পাওয়া গেছে। ওই পাথরের কারণেই মাছে মড়ক দেখা দিয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
সরেজমিনে বাড়েরা ভূইয়া বাড়িতে মুক্তিযোদ্ধা মফিজ উদ্দিন ভূইয়ার প্রকল্প ঘুরে দেখাগেছে, প্রকল্পের ৬টি পুকুরে মাছ মরে ভেসে উঠেছে। তিনি অভিযোগ করেন ওই পাথরের কারণে ১৪-১৫ মণ মাছ মরেছে। মাছ মরা বন্ধ করতে তার প্রায় ২০ হাজার টাকার ঔষধ প্রয়োগ করতে হয়েছে।
এ ব্যাপারে প্রভিটা ফিড লি. এর সহকারী রিজোনাল ম্যানেজার মো. আকরাম হোসেন জানান, ফিড প্রস্তুতে লাইম স্টোন ব্যবহার করা হয়। কি পরিমাণ পাথর থাকতে পারে তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমি বলতে পারব না। কিন্তু যেহেতু একজন ক্রেতারা মাছ মরার অভিযোগ করেছেন আমরা সরেজমিনে দেখতে গিয়েছি। বিষয়টি কোম্পানীর উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...

Leave a Reply