সাওমের শিক্ষা

——কাজী কোহিনূর বেগম তিথি

বছরে একবার মুসলমানদের সওম সিদ্ধির মাস । এমাসে আমরা সব ধরনের পাপাচার থেকে দূরে থেকে রোজা রেখে এবাদতের মাধ্যেমে বিধাতার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি সারা বছরের গুনাহ থেকে মাফ পাওয়ার জন্য। যার জন্য অনাহারে থাকা মানুষকে আমরা অনুভব করতে পারি।তাছাড়া পরিবারের সবাই মিলে ইফতার করা-সেহ্রী খাওয়া- একসাথে এবাদত করার মাধ্যেমে আরো বেশী হৃদ্যতার বন্ধন সৃষ্টি হয়। So, Ramadan is the name of the nine month in the Islamic calendar. During Ramadan, all observant Muslims observe the fast of Ramadan between dawn (fajr) and sunset (maghrib). During Ramadan evenings, Muslims eat small meals .

রোজা নিয়ে একটু বিস্তারিত যদি আলোচনা করি- তাহলে বলব সব ধর্মেই রোজার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে -মুসলমানেরা রোজা বলে আর খৃষ্টান,বৌদ্ধ ,হিন্দু বা অন্য সব ধর্মের মানুষেরা রোজা শব্দটিকে উপোস বলে থাকে। ঘুরে ফিরে সব ধর্মেই এই রোজা বা উপোস থাকার কথা বলেছে এবং এর গুরুত্ব প্রায় সব ধর্মেই কাছাকাছি। যেমন – রোজা বা উপোস থেকে বিধাতাকে ডাকলে সাধনা সিদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনার কথা সব ধর্মেই গুরুত্বের সাথে বলা হয়েছে।

আজ আমরা এক ধর্মের মানুষেরা অন্যধর্মের মানুষের প্রতি বিদ্বেষ মনোভাব নিয়ে কথা বলি-
দেশের মধ্যে অরাজকতার সৃষ্টি করছি – ইসলাম মানব ধর্মকেই প্রাধান্য দিয়েছে। বিধাতার ইচ্ছা ব্যতীরেকে গাছের পাতাটাও নড়ে না। কে চোর-কে সাধু হয়ে জন্মাবে / কে কোন ধর্মে জন্মাবে সে বিধাতাই জানেন। বিধাতার ক্ষমতা নিয়ে বিরুপ কথা বলা পাপ। এটা সব ধর্মের মানুষেরা গভীরভাবে চিন্তা করে না। আমরা একই বিধাতারই সৃষ্টি।

আজ এই পবিত্র মাসে মুসলমানদের প্রতিটি ঘরে ঘরে রোজার তাৎপর্য নিয়ে ক’টা পরিবারে আলোচনা হয় ? পরিবারের মা- বাবা / বয়োজোষ্ঠরা যদি রোজার এই ৩০দিন যদি আলোচনা করে – রোজা পালন আমরা কেন করি / রোজা থেকে আমরা কি শিক্ষা পাই তাহলে প্রতিটি পরিবারের ছেলে মেয়েরা আদব -কায়দা – এবং নমনীয় আচরনের অধিকারী হবে এতে সন্দেহ নাই। এভাবে প্রতিটি ধর্মেই যদি পালন করা হয় একই ফলই আসবে।

রোজার মাসেই লাইলাতুল মিরাজ কেন পালন হয় ? সংক্ষেপে বলতে গেলে-Prophet Muhammad, When Muhammad went from Makkah to Al-Haram As –Sharif ( Temple Mount) and was then raised to Jannah ( Heaven ), met with the Prophets and eventually with Allah (God).

বিধাতার দীদার লাভের জন্য আমরা রোজার মাসটাকে গুরুত্বের চোখে দেখে – সারা বছর এর মাহাত্ব যেন বজায় রাখতে পারি সেজন্য আমারা নিজের প্রতি এবং পরিবারের সবার প্রতি যেন যত্বশীল হই।

আর পবিত্র রোজার মাস শেষে ইদ । ( Ramadan ends with the festival of Eid al- Fitr)| ধনী – গরীব সহ সব ধর্মের মানুষকে প্রাধান্য দিয়ে ইদের খুশি আমরা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে মানব ধর্মটাকে প্রধান্য দিয়ে সৃষ্টিকর্তার বন্দনা করি।

=====================
কাজী কোহিনূর বেগম তিথি
লেখিকা এবং সমাজ কর্মী
kazitithi@gmail.com
০১৭১২৩৫১২৪৩,০১৯২৯৭৩৮৩০৭

Check Also

মাদকসন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সরকারকেই জোরালো ভূমিকা নিতে হবে

—-মো. আলীআশরাফ খান লেখার শিরোনাম দেখে হয়তো অনেকেই ভাবতে পারেন, কেনো লেখাটির এমন শিরোনাম দেয়া ...

Leave a Reply