লাইফ ইন্সুরন্সেই- দুঃসময়রে বন্ধু

বিশেষ প্রতিবেদন :–
মৃত্যুর পর সন্তান বা স্ত্রী পরিজনের কাছে সবচেয়ে প্রিয় হারানো প্রিয়জনের স্মৃতি। সেই স্মৃতি সারাজীবন বয়ে বেড়ায় মানুষ। আনন্দে-বেদনায়-শূণ্যতায়। যিনি চলে যান-সব ছিন্ন করে। তার কাছে এই পৃথিবী-জীবন সব অর্থহীন। কিন্তু যারা বেঁচে থাকেন-শত শোক-ব্যাথা ও হতাশার মধ্যেও তাদের জীবনের উদ্যোগ থেমে থাকে না। থেমে যায় না তাদের পথ চলা।

কিন্তু প্রিয়জনের মৃত্যুর সাথে সাথে যদি দীর্ঘদিনের বসবাসের বাড়িটি হাতছাড়া হয়ে যায়। কিংবা ঋণের দায়ে পথে বসতে হয় সন্তান-স্ত্রীকে। তখনতো প্রিয়জন হারানোর শোকের পাশাপাশি জীবনের কঠিন বাস্তবতা তাদেরকে দিশেহারা করে তোলে।

দেশের মাটিতে বসে বাংলাদেশের মানুষের কাছে এই প্রিয়জন হারানোর বেদনা এবং জীবন সংগ্রাম যতটা সহনীয়, বিদেশের মাটিতে তা একেবারেই নয়। নিজের দেশের মাটিতে ঘর থেকে বেরুলে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয় অনেকেই। কিন্তু বিদেশ বিভুঁই এ কোন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম লোকটি মারা গেলে তার শবযাত্রার সাথে সাথে চলে যান সবাই। পরিবারটির আর্থিক অবস্থা, ভবিষ্যত অনিশ্চয়তা এগুলো নিয়ে ভাবার অবকাশ কারো থাকে না।

আমেরিকার নিউইয়র্ক লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানির তরুন ইন্সুরেন্স কর্মকর্তা নাসিরুল্লাহ বলেন, পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি চলে গেলে সংসারের উপর নেমে আসে নানা ধরনের সংকট। আয় উপার্জন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে সমস্যায় পড়ে তাদের ছেলেমেয়েরা। তাদের অনেকে পড়াশুনা চালিয়ে যেতে পারেনা, বাড়ি ভাড়া দিতে না পারায় বাড়ি ছেড়ে দিতে হয়, মর্গেজ পে করতে না পারায় বাড়ি যায় ফোরক্লোজারে। ব্যবসা থাকলে তাও বন্ধ হবার উপক্রম হয়।

কিন্তু সময়মত একটি লাইফ ইন্সুরেন্স বদলে দিতে পারে পরের চিত্রটি। একটি লাইফ ইন্সুরেন্স থাকলে দুর্ঘটনাক্রমে আকস্মিক মৃত্যু হলে পরিবারকে পথে বসতে না হয়, হাত পাততে হয় না অন্যের কাছে। পরিবারকে হতে হয় না দিশেহারা।

এজন্যে যেসব বাঙালী নিজের দেশে বসে লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানীর লোক এসেছে শুনে ঘরের দরজা এঁটে বসে থাকেন, কিংবা তাকে ‘বিমার দালাল’ বলে অবহেলা করেন তারাই নিউইয়র্কে এসে বুঝতে পারেন নিরাপদ নাগরিক জীবনের জন্য একটি বীমা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

একটি ইন্সুরেন্সের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি বা একটি পরিবার সর্বোচ্চ কি কি সুযোগ সুবিধা পেতে পারেন তার সব ধরনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন একজন ইন্সুরেন্স কর্মকর্তা । একজন ইন্সুরেন্স কর্মকর্তাই হয়ে ওঠেন একটি অসহায় পরিবারের সবচেয়ে কাছের বন্ধু।

Check Also

দেবিদ্বারে অগ্নিকান্ডে ১কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

দেবিদ্বার প্রতিনিধিঃ– কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামে রান্না ঘরের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরনে ১৫টি ...

Leave a Reply