কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে শালিস বৈঠকে হামলায় আহত-৬

জামাল উদ্দিন স্বপন:—
মনোহরগঞ্জ উপজেলার বিপুলাসার ইউনিয়নের বিহড়া গ্রামে শালিস বৈঠকে হামলা করে দূষ্কৃতকারীরা। জানা যায় উপজেলা বিহড়া গ্রামের মৃত আবুল হাসেমের ছেলে চান মিয়া একই গ্রামের আব্দুল হাই’র মেয়ে পান্না আক্তারের সাথে ৮/৯ বছর পূর্বে মুসলিম রীতিনীতি মেনে বিয়ে হয়। তাদের ঘরে দু’টি মেয়ে সন্তান রয়েছে। কয়েক মাস আগে চান মিয়া নিজের নাম ঠিকানা এবং প্রথম বিয়ের কথা গোপন রেখে নাঙ্গলকোট উপজেলার কাকৈরতলা গ্রামে দ্বিতীয় বিয়ে করে। স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে মেনে নিতে পারেনি প্রথম স্ত্রী। সে স্থানীয় শালিসদারদের দ্বারস্থ হয় এবং শালিসদাররা গত ১০ জুন সোমবার বিকাল ৪ ঘটিকায় ওই চান মিয়ার বাড়ীতেই সালিশ বৈঠকের দিন ধার্য করে। ওইদিন নির্দিষ্ট সময়ে শালিসী কার্যক্রম আরম্ভ হয় এবং কিছুক্ষন চলার পর পান্না আক্তারের পক্ষের লোকজন আকস্মিক হামলা করে। এতে চান মিয়া, তার প্রবাসী ভাই লাল মিয়া ও মা লালি বেগম, ইউপি সদস্য তৈয়বুর রহমান, স্থানীয় গ্রাম পুলিশ, সালিশদার আব্দুর রশিদ আহত হন। পরে গুরুতর আহতদের বাড়ীর লোকজন উদ্ধার করে লাকসাম সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করায়। ঘটনার পর স্থানীয় ইউপি সদস্য মনোহরগঞ্জ থানার ওসিকে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মৌখিক অভিযোগ করেন। পরে ওইদিন রাতেই উভয় পক্ষ থানা মামলা করতে যায় এবং বৈঠকে হামলাকারী আল-আমিন, বেলায়েত হোসেন, আশিক ও বদিউল আলমকে আটক করে পুলিশ। পরদিন সকালে উভয় পক্ষের লোকজন থানায় গিয়ে সমঝোতার জন্য একমত হয়ে পক্ষদ্বয় ৩’শত টাকার খালি ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে আটক ব্যক্তিদের ছাড়িয়ে আনেন। এ ঘটনায় শালিসী বৈঠকের সভাপতি হাজ্বী সেলিম সওদারগর জানান বিচারে হামলাকারীরা দৃর্বত্ত ও দৃ®কৃতিকারী। এরা সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারী। এদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে সমাজ অপ-শক্তির কাছে জিম্মি হয়ে থাকবে। এদিকে এ ঘটনার পর চান মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তার পরিবারের অভিযোগ তাকে ঘুম করেছে দৃ®কৃতিকারীরা। স্থানীয় ইউপি সদস্য তৈয়বুর রহমান জানান দৃ®কৃতিকারীরা আমাদেরকে বিভিন্ন গুম, হত্যার হুমকি দিচ্ছে।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...

Leave a Reply