নাঙ্গলকোটে পরকীয়ার জের!

কুমিল্লা প্রতিনিধি:–
সর্বনাশা প্রেম পরকীয়া। এ প্রেমে কতো শান্তি সুখের সংসার নরক কুন্ডে পরিণত হয়েছে তার ইয়ত্তা নেই। এহেন প্রেমের সংখ্যা আমাদের দেশে বহু। এমন একটি দুষ্টু প্রেম কীভাবে স্বামী সংসার ধ্বংস করে দেয় তার প্রমান নাংগলকোট উপজেলার ঢালুয়া ইউনিয়নের মগুয়া গ্রামের কাজী আবু ইউছুফ এর কন্যা খালেদা পারভীন (নাজমা)। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, খালেদা পারভীন সাবালিকা হওয়ার পূর্বাপর এলাকা সহ বিভিন্ন এলাকার ছেলেদের সাথে নিত্য প্রেমালাপ করতো। প্রথম প্রথম মা ফেরদৌসি বেগম মেয়ে নাজমা কে এ ব্যাপারে একটু আধটু নিষেধ করলে ও কোন নিষেধ মানতো না পারভীন। ইতো মধ্যে তার পিতা বিদেশ থাকার সুবাদে তার মাও নাকি পর পুরুষের সাথে প্রেমালাপ করতো। যার কারণে মেয়ে আরো উর্ধ্বগতিতে বিভিন্ন প্রেমিকের সাথে প্রেম সাগরে মত্ত হয়। পারভীনের প্রেমের কথা বাড়ীর লোকজন সহ আশে পাশের সকলেই অবগত ছিল। ইত্যবসরে তার বিয়ে হয় মৌকরা ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামের ইটালী প্রবাসী সাদেক হোসেনের সাথে। ঐ খানে বিয়ের পরও পারভীন স্বামীর অনুপস্থিতির সুবাদে ওই এলাকার বেশ কিছু ছেলের সাথে পরকীয়া প্রেমে লিপ্ত হয়।
এক পর্যায়ে পরকীয়া লিপ্ত হয়ে স্বামী সাদেক হোসেন কে সে নিজে ডিপোজ দেয় এবং প্রেমিক মৌকরা ইউনিয়নের জামালের সাথে ২০০৮ সালে পারভীনের দ্বিতীয় বিয়ে হয়। বিয়ের পর পারভীন সংসার সুখকর হলেও ৫/৬ মাস পর পারভীন ফের শুরু করে তার প্রেমিকদের সাথে নানা প্রেমালাপ। বিষয়টি স্বামী টের পেয়ে স্ত্রী কে নরম-গরম স্বরে হিতোপদেশ দিতে থাকে। কিন্তু শত উপদেশ ও পরকীয়া প্রেম বিলাসীনী সখিরাণী সু-পথে আসতে নারাজ। এ জন্য বিগত ক’টি বছর তাদের মাঝে তেমন শান্তি বিরাজ করেনি। ইতো মধ্যে তাদের একটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। স্বামী তার স্ত্রীকে মেয়েটির দিকে তাকিয়ে নানা অপকর্ম থেকে বিরত থাকতে উপদেশ দেয় কিন্তু পারভীন তাতে মোটেও রাজি হয় নি; বরং তার প্রেম রাজত্ব জ্যামিতিক হারে বাড়তে থাকে। এ জন্য স্বামী-স্ত্রীর মাঝে অনেক ঝগড়া ফ্যাসাদ লেগেই থাকে।
এদিকে পারভীনের প্রবাসী পিতা আবু ইউছুফ বাড়ী আসলে জামাল তার স্ত্রীর উচ্ছশৃঙ্খল আচারণের কথা শ্বশুর কে জানান। তবে শ্বশুর এ ব্যাপারে কোন গঠন মূলক ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হন। এ সুযোগে পারভীন বিউটি পার্লারের কাজ শেখার জন্য কুমিল্লা উঠেন। এরই প্রেক্ষিতে পারভীন বিভিন্ন বন্ধুদের সাথে প্রেমালাপ আরো দীর্ঘায়িত হয়। বিগত ৫/৬ মাস ধরে কিছু নাম্বারে প্রেমালাপ চলতে থাকে ০১৭৬৮২২৭৭৬৯, ০১৭৬৮৪০৭৮৯০ সহ বেশ কিছু নাম্বারে। ইতোপূর্বে একটি নাম্বারের কল লিষ্ট সংগ্রহ করেছে তার স্বামী। এরই জের ধরে পারভীন কে তার স্বামী ইসলামী কানুনে গত ৬ জুন ২০১২ ইং স্থানীয় কাজী অফিসে তালাক দিয়ে তালাক নামা পারভীন সহ সংশ্লিষ্ট বিভাগে/দপ্তরে প্রেরণ করেছে।
পারভীনের এ অপকর্মের সুযোগ হল বিয়ের পর থেকে সে তার বাপের বাড়ীতে থাকে।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...

Leave a Reply