আকাশের অনেক রং

—–জান্নাতুল ফেরদৌসী (নিলু)

আকাশের অনেক রং, তাই করে অভিনয়, যেমন: লাল, নীল, হলুদ, কালো, সাদা, ধুসর আরো কত কী? আকাশ বড়ই অভিমানী, তার রূপ আছে বলে সে যখণ খুশি তখন সাঁজে যেমন খুশি তেমন সাঁজে। কখনো বা, মনে হয় আকাশটা বড়ই সুন্দর, কখনো বা মনে হয় খুব ছলনাময়। আকাশ নিজেও জানে না, সে কি করছে, কখনো বা, খুব রৌদ্র কখনো বা বৃষ্টি, কখনো বা ঝড় হয়ে প্রকৃতিকে করে তছনছ্। এ কেমন খেলা খেলছে আকাশ। উপর থেকে যেন দিচ্ছে বাতাস, কখনো বা ভয় দেখায়, কখনো দেয় আনন্দ, এত সব নিয়ে যেন করে অভিনয়। তার পরেও আমরা আকাশ দেখতে চাই, আকাশের মাঝে যেন নিজেকে খুঁজে পাই। আকাশ তুমি মেঘ হইও না। আকাশ তুমি ঝড় হইও না। আকাশ তুমি ভয় দেখাইও না আকাশ তুমি থাকো রং হয়ে। কখনো বা, বৃষ্টি না হয় বাতাস সেজে আমায় দাও মিষ্টি। একটি দিনে এই রোদ এই বৃষ্টি, এই আলো, এই আধাঁর আজ এই মূহুর্তে আকাশটা কালো, জম কালো মেঘে ছেয়ে গেছে আকাশ। হঠাৎ রিম ঝিম ছন্দের তালে বৃষ্টি নামছে। চার পাশের লোকজন চুপ, চাপ বারান্দার ফাকঁ দিয়ে হাত বাড়িয়ে বৃষ্টি ছুঁইছে। মনের আনন্দে গুন, গুন করে গান গাইছে। ফুর ফুর বাতাস বইছে হাসনা হেনার গন্ধে মনটা আনন্দে মেতে উঠেছে। আকাশটা সত্যিই বড় অভিমানী, আজ আকাশটা মেঘাচ্ছন্ন, আকাশে সাদা সাদা মেঘ গুলো উড়ে, উড়ে ভাসছে। সকালের আকাশ এমন ছিল। আজ একি দিনে দুপরে আকাশটা আবার আলো রোদে রং ছড়াচ্ছে, নীল আকাশের নীচে পাগলা বাতাস বইছে। আনন্দে আমার মনটা আজ টগ্বগ্ করছে। আজ আকাশের সাঁজ দেখে মনটা ভিষণ ভাল লাগছে। তাই বারে বারে প্রিয়ার কথা এ মনটা ভাবছে। এমনি করে সারা বছর থাকত যদি আকাশ, মনটা আমার থাকত ভাল থাকত নাকো আধাঁর। সূর্য মাখা চাঁদের আলো লাগছে সবি ভাল। আজকের আকাশ দেখতে , দেখতে ঘুমিয়ে পড়ে ছিলাম কখন? তিষাদ বলে ডাকিস্না ভাই ঘুমিয়েছে মা, যখন? আজ দুপুরে আকাশে কি?
বাতাস ও বাতাস ও বাতাস তুমি কোথায় যাও রে?
মানুষের মাঝে মিষ্টি শীতল হয়ে আয়রে।
আমাদের ছোট গাঁয়ে, তুল, তুলে ছোট পায় নেচে, নেচে আয়রে।
তোকে খুব কাছে পেতে চাইরে। তোকে ছুঁইতে বড় ইচ্ছে করে রে।
ঢেলে দেরে তোর বাতাস মিষ্টি, মিষ্টি করে রে।
তোর বাতাস সমস্ত দেহ মন হৃদয়েরে জ্বালা সব,
নিভিয়ে দেনারে।
ও বাতাস ও বাতাস তুমি কোথায় যাওরে?
সন্ধ্যা রাতে আকাশে আবার ও বৃষ্টি:- গ্রীষ্মটা নিঃশেষ, আসি লরে বর্ষা, মরা গাঙ্গে ভরা জল জাগে নয়া ভরসা, খালে, বিল, থৈ থৈ চলিতেছে। তরনী।
বৃষ্টি জলে ধোয়া স্নিগ্ধ এ ধরনী। রিমঝিম সেতারে কদম কেয়ার ঘ্রান চায়। ভাল লাগে বাংলাকে, বর্ষার এ লগনে।
আকাশ পরীরা আজ হয়ে গেছে মেঘ, তাঁরা সব চলে যায় দূর দেশে। খুকু ডাকে যাও কোথায়? একটু আস, আমার জানালায়, বলল খুকু হেসে,আকাশ জুড়ে বৃষ্টি জুড়ে বৃষ্টি হয়ে নামল তাঁরারা শেষে। খুকু হাসে বৃষ্টি আসে, জল করে থৈ, থৈ। টাপুর টুপুর বৃষ্টি পড়ে কইরে তোরা কই? আজ মনে মনে ভাবলাম বৃষ্টিকে দেই ছুটি, ফুটো আকাশ বেয়ে, বেয়ে বৃষ্টি বজ্রপাত মেঘে বৃষ্টি পড়ে, সেই খুশিতে শজনে গাছের কোমর নড়ে। হঠাৎ করে এই পাড়াতে বৃষ্টি ঝড়ে, সারা সন্ধ্যা ভিজল আহা কেমন করে? আমের বনে জামের বনে। বৃষ্টি পড়ে। আকাশটাকে পাঠায় চিঠি ভেজা খামে। অকারণে বৃষ্টি আসে লুটো, পুটি মেঘের ডাকে বৃষ্টি টাকে দিলাম ছুটি। আকাশটা একটি দিনের মাঝে রং ধনুর মত কতইনা রংধরল। এই বৃষ্টি, এই রোদ, মধ্য রাতে আবার আকাশ ভরা ঘন, ঘন তাঁরা জ্যোসনা মাখা আকাশে মৃদু, মৃদু বাতাস, আকাশটা, মিটি মিটি আলো ছড়াচ্ছে। বাঁকা চাঁদ মাঝ খানে চুপটি করে মেঘের আড়ালে বসে, বসে রং গুলো গুনছে। মাঝে, মাঝে দ্রুব তাঁরা এ পাশ ও পাশ ছুটছে। আকাশের রং আছে বালে বার বার রং বদলায়, রূপ বদলায়। যখন যেমন খুশি তেমন সাজে। করে কত অভিনয়, করে কত ডং। আকাশে বর্ষার একটা ঝমঝম বারি
ধারা বৃষ্টি এ যেন হুদয়ের ছন্দ। নীল আকাশে সাদা সাদা মেঘ যেন নুপুরের শব্দ। রাশি, রাশি বৃষ্টিতে ভেজা সবুজ গাছ গুলো যেন নাচছে রানীর মতো করে। বর্ষার আগমনে মানুষের মন যেনো হেসে উঠে । বর্ষা এলে মাঠ ঘাটে থৈ থৈ। নদীর বুকে চলে স্রোত। বিলের বুকে শাপলা ফুল আনন্দে । ঝলমল করতে থাকে । দল বেধেঁ সাদা বক নদীর বুকে উরে বসে। নদীর বুকে যেন কাঁশ ফুলদের মেলা বসে । বিলের ধারে কেয়া ফুলেদের ঘ্রাণ যেনো মৌ ,মৌ এখন কার আকাশ যেনো রোদ ও বৃষ্টির মাঝে লোকচুরি খেলে। বর্ষার প্রকৃতি যেনো সবুজ গাছ গাছালিকে পূর্ণ করে তোলে । সমস্ত প্রকৃতিতে যেনো সবুজের মেলা বসে। মৃদু বাতাসে দুলে উঠে ধান ক্ষেত। বর্ষার সময় নীল আকাশের বুকে রাশি রাশি জল যেন জমা পড়ে থাকে। বর্ষারর জল ধারায় ধুলা বালি কমে যায়। বৃষ্টি থেমে গেলে প্রজাপতিরা দলে, দলে নেচে, নেচে বসে গিয়ে ফুলেদের গায় রং মাখা ফড়িং গুলো সবুজ ঘাসের উপর বসে সুরেলা গান বাঁধে। রাতের বেলায় হাসনাহেনা ফুল ফোটে তাঁর নিজের ঘ্রাণ টুকু বিলিয়ে দেয় উজার করে। বৃষ্টি এলে সবুজ গাছ গুলো যেন নতুন জীবন খুঁজে পায়। আকাশের সাথে যেমন বৃষ্টির সর্ম্পক তেমনি করে বৃষ্টির সাথে বর্ষার সর্ম্পক। বর্ষা এলে জলাশয়ে পদ্ম ও শাপলা যেন ফুটন্ত মুখ জেগে থাকে। বৃষ্টিকে কে, না পছন্দ করে, বৃষ্টি এলে মনটা যেন আনন্দে নেচে উঠে, তখন আমাদের কাছে মনে হয় এই দেশটা যেন সত্যিই স্বপ্নের দেশ। বৃষ্টির অবিরাম বর্ষণে যদি ক্লান্তি এসে যায় রৌদ্র এসে আবার দূর করে দেয়। চার দিকে শ্যামল শোভায় চোখ জুড়িয়ে যায়। মনটা উধাও হয়ে যেতে চায় আকাশে নীঃসীম নীলে। সাহিত্য সৃষ্টিতে বর্ষার অবদানের কোন শেষ নেই। বৃষ্টিকে নিয়ে বিভিন্ন সাহিত্যিকরা অনেক গান ও কবিতা লিখে গেছেন, অনেক বৃষ্টি ঝড়ে তুমি এলে যেন এক মোঠু রৌদ্র আমার দু-চোখ ও ভরে তুমি এলে। এখানে ও বর্ষা ও বৃষ্টিকে নিয়ে উদ্দেশ্য করে এক জন মানুষের চাওয়া পাওয়াকে তার মনের আবেগ কে প্রকাশ করেছে। তাই আমি বলব বর্ষা মানুষের কিছুটা ক্ষতি হলেও বর্ষা ও নীল আকাশ সবার প্রিয়। প্রতিটা দিনের আকাশের রং গুলো জানালার শিক ধরে বাহিরের পানে তাকিয়ে অনুভব করি। আজো অন্য দিনের মতো র্বষা পড়েছে বৃষ্টির নুপুর, স্বপ্নরা ভেসে বেড়ায় সন্ধ্যা, দুপুর। চারিপাশে বৃষ্টির পানি থৈ থৈ মন বলে এমন দিনে বন্ধূ কই। মনের ঘরে খেলা করে নদীর খোলা জল, দেখো, দেখ চেয়ে আকাশেতে মেঘের কোলাহল। আকাশের মেঘ দেখে স্মৃতির আলাপনে কত ছবি আঁকি মনে-মনে। আজ কত দিন হলো দেখা নাই, বন্ধু তোমার শনে। মেঘেরা উড়ে বেড়ায় নীল আকাশে বৃষ্টি হয়ে নামে সবুজের মাঠে, তুমি পাশে নেই একলা আমি কলসি কাখে ঘাটে। সবুজের বুকে ভাসছে সাদা জল, প্রকৃতির রূপ দেখে চোখ করে টলমল। কতনা স্মৃতি উঁকি দিয়ে যায় মনের ছোট্ট ঘরে। আমি বসে থাকি আনমনা হয়ে তোমারি অপেক্ষায়। রাতের কিনারে মেঘের মিনারে আকাশের রংটা যখন হলুদ রঙ্গে সাজে, আমার হৃদয় কোণে তখন এক তারা সুর বাজে। মেঘলা আকাশে উড়ন্ত বাতাসে প্রকৃতিতে রূপের কি বাহার। এই মনোরম দৃশ্য উপভোগ করে আমি করিনি রাতের আহার। মধ্যরাতে চুপি সারে কে যেন কে ডাকে আমার নাম, আগে তো বুঝিনি তোমার প্রেমের এতো দাম। মনতো খঁজে গল্প ছলে তোমারি ঠিকানা, চলোনা উড়ি মনের আকাশে ঘুড়ি হয়ে কোন অজানায়। চলো রংধনুর দেশে মেঘের ভেসে সাজাঁই জীবনটা, বুঝনা তুমি কতনা আমি ভালোবাসে এ মনটা। ওগো অভিমানী তুমি আছো কত দুরে, দেখনা চেয়ে ভালবাসা কাঁদে অন্তুর জুড়ে। বড় বেশি ইচ্ছে করে এক মুঠো রোদের আলোতে জড়িয়ে রাখি তোমায়। ওগো এসোনা তুমি চুপি সারে রাতের আধাঁরে আমি কি করে সামলাবো এই ভিজা আকাশটাকে। আসলে সত্যি বলতে সত্যি কিছু নেই, স্মৃতিরা কেঁদে মরে মনেরি কোণে, সিথাঁনের নরম বালিশে তোমার চোখের নালিশে আসেনা দু-চোখে ঘুম, হোকনা রাত যতই নিঝুম। রাত জাগা পাখি ডেকে বলে আখি ভালোবাসা দেয় না আমায় সবুজের বুকে ভালবাসা জাগে, বৃষ্টির কুয়াশায়, রাত বলে আখি আছে কত বাকী ভালবাসা দেবো তোমায়, আজ আকাশের সাজ দেখে নীল-নীল স্বপ্ন জাগে মনেরি কোণে, ভালোবাসা বাঁধে বাসা, তুমি শুধু তুমি আমার মনের সকল আশা। একলা ঘরে তোমায় মনে পড়ে জল পড়ে পাতা নড়ে আমার থাকা হলো দায়। রাতের আকাশে বৃষ্টির কান্নাকে যেনো কে ডাকে আমায়, মন ছুটে যায়, তোমাকে কাছে চায়, ভালবাসার ভেজা খামে চোখ ভিজে যায়। ওগো মন ছল-ছল কিছু কথা বলো জানালার পাশে ঐ দেখা যায়, তোমার রেশমি কালো চুল হাওয়ায় দোলে বর্ষার কদম ফুলে। ওগো লক্ষিটি তোমার স্মৃতি শুধু চোখের পাতায় দোলে। এমনি ভাবনা গুলো যখন খেলছিল মনের পাতায় তখনি দেখি জানালার পাশে কে যেন কে ডেকে বললো আমায় ভালবেসে, আলো নেবে আলো লাল, নীল আলো, ভাল আলো ভাল, জানালায় উঁকি দিয়ে দাঁড়ালাম বারান্দাতে জোনাকির আলো পেতে দাঁড়ালাম বারান্দাতে, দুটি হাত বাড়ালাম। জোনাকিরা বলে আমায়, ‘শোন কিছু কথা এই আলো ছাড়াবে না তুমি যথা তথা, এই আলো দেব কাকে? যার দুটি চোখ নেই দিশে হারা যে, এই আলো পেতে পারে সে। এই আলো কাকে দেব জান? কারো কারো চোখ আছে তবে তাদের আলো নেই। যাঁদের চোখ থেকেও আলো নেই, তারা তো ভাল নেই। আমি জোনাকির কথা শুনে বললাম তোমাদের আলো দিয়ে আগামীর এই পৃথিবীর সোনার বাংলা গড়ব। আকাশের অনেক রং আছে বলে অনেক রং ছড়ায় তাই পৃথিবী এতো সুন্দর এতো সুন্দর বলে আমাদের ভাবনা কল্পনা গুলো অনেক ভাবে সাজাতে পারি। আজ পড়ন্ত বিকেলে বসে ছিলাম বারান্দার গোল টেবিলে হঠাৎ করে চোখ পড়লো ফুলের বাগানের উপর দেখলাম মন ভরে বাগানে বাগানে যেন ফুলেরা হাসে। ফুলকে নিয়েও কিছু অদ্ভুদ প্রশ্ন জাগলো মনে।
ফুল কেন ফুটলো?
আমি জানি না বাগানের গাছে কেন ফুল ফুটলো?
ফুলের সুভাস উৎসাহী হয়ে কেন ছড়িয়ে দিলো?
কেন জানি, কড়ি গুলো নিরর্থক নিজেদের ফোটাচ্ছে গাছ গুলো কেন ক্রমশ সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে বিরামহীন মূল্যবান শত শত কড়ি জন্ম দিয়ে চলেছে। আমি জানি না, কিছুই জানিনা, তবে জানি এ টুকুই কোন এক দিন ফুল গুলো ঝরে যাবে ফুলের সুবাস টুকু বাসি ফুলের বিছানায় মিশে যাবে।
ফুলকে সবাই ভালবাসে, ভালবাসে প্রজাপতিরা। কিন্তু ফুলের গোপন কোন রহস্য যদি থেকে যায় জানে ভ্রমর, ফুল নিজের রূপ গুন সব কিছু উজার করে দিয়ে কি সুখ পায় আমি জানি না কিছুই জানি না।
তবে এ জানি এটুকুই ফুল নিজেকে উৎসর্গ করে দিতে গিয়ে নিজের প্রাণটা হারায়। ফুল দেখতে খুবি সুন্দর, তবে ক্ষনস্থায়ী।
আকাশের রং আর প্রকৃতির সুন্দর্য যখন অনুভব করি তখনি মিষ্টি মিষ্টি লাজুক, লাজুক, স্বপ্ন গুলো দোলা দেয় দু-চোখের পাতায়, প্রতিটা মুহুর্তে এই বর্ষার লগ্নে আকাশ নিজেকে বদলায় আবার ও আকাশের কান্না শুনতে পাই, ঘর থেকে বের হতে হঠাৎ শুনি, কে যেন কে কাঁদে, ওমা, কে যেনো কে কাঁদে, প্রশ্ন করলাম, কাদঁছো কেনো ভাই? তোমার বুঝি হারিয়ে গেছে বুকের আলোটাই। আকাশ বললো ভাই, আমার আলো রোজ সকালে ছড়িয়ে দিতে চাই, আমি বললাম, তা-আমি জানি। তার জন্যে কাঁদছো বুঝি ফেলছো চোখের পানি? না-না-না কাঁদবে না ভাই, তোমার আলো তোমারী থাকবে তোমারী ঠিকানায়। তবু তুমি কাঁদছো কেনো ভাই? আকাশ বললো, বলবো আমি বলে দিলাম ভাই, ইচ্ছে আমার আলো নিয়ে সারা দিন কাটাই। ও হ্যাঁ-হ্যাঁ-হ্যাঁ তাই বলো? আকাশ বললো, ভাই আলো থাকলে রোদ্র পাবো, চক্ষু পাবো রোদ চক্ষু, বাতাস বাড়ির ছায়া পাবো। বোতাম খোলা আকাশ পাবো, চাঁদ ঝিল মিল তারা পাবো। আমি বললাম আর কি পাবে, আর কী পাবে, আর কী পাবে? আকাশ বললো, রাতের গায়ে চাঁদপাব, চাঁদের সাথে জোৎস্না পাবো আমি বললাম, বৃষ্টি যদি শেষ না –হয় তখন উপায় কি? আকাশ বললো তাইতো আমি ভেবে ভেবে কান্না জুড়েছি। আকাশের এতো রং আছে বলে এতো বদলায় তাই তো করে ডং তাই তো দেখি এতো রং, আকাশের অনেক রং।

জান্নাতুল ফেরদৈসী (নিলূ)
বুড়িচং, কুমিল্লা।

Check Also

মাদকসন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সরকারকেই জোরালো ভূমিকা নিতে হবে

—-মো. আলীআশরাফ খান লেখার শিরোনাম দেখে হয়তো অনেকেই ভাবতে পারেন, কেনো লেখাটির এমন শিরোনাম দেয়া ...

Leave a Reply