৪৫ কোটি টাকা আয়কর ফাঁকির অভিযোগে যমুনার গ্রুপের চেয়ারম্যান বাবুল সহ তার ৭ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা

ঢাকা :–

তথ্য গোপন ও আয়কর ফাঁকির অভিযোগে যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বাবুল ও তার সাত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

মামলায় অন্য বিবাদীরা হলেন- নুরুল ইসলামের স্ত্রী সালমা ইসলাম ও তার ছেলে শামীম ইসলাম। এছাড়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- যমুনা ইলেকট্রিক ম্যানুফ্যাকচারিং, যমুনা স্পিনিং মিলস লিমিটেড, শামীম রোটর স্পিনিং মিলস লিমিটেড, শামীম কম্পোজিট মিলস লিমিটেড, যমুনা ওয়েল্ডিং ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড, শামীম স্পিনিং লিমিটেড ও যমুনা ডিস্টিলারি লিমিটেড।

এ মামলার অভিযোগ আমলে নেওয়ার বিষয়ে শুনানি আগামি ২৬ মে ধার্য করেছেন বিচারক। ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. জহুরুল হকের আদালতে রোববার বাদী হয়ে এ মামলা করেন এনবিআরের উপ-কর কমিশনার জহিরুল ইসলাম, দিপক কুমার চক্রবর্তী এবং আতাউল হক।

এ কর্মকর্তাদের মধ্যে জহিরুল দু’টি, দীপক চারটি এবং আতাউল একটি মামলার বাদী।

সাতটি মামলার মধ্যে ১১৩ নম্বর মামলায় ৭ কোটি ৬৩ লাখ ৮৬ হাজার ৯১৬ টাকা, ১১৪ নম্বর মামলায় ২ কোটি ৪৯ লাখ ৬১ হাজার ২৭৩ টাকা, ১১৫ নম্বর মামলায় ১৯ কোটি ৬ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭১ টাকা, ২৬ কোটি ৬৭ লক্ষ ৫৭ হাজার ৩৬৫ টাকা ও ২২ কোটি ৫১ লক্ষ ৪ হাজার ৫৯৮ টাকার, ১১৬ নম্বর মামলায় ১৪ কোটি, ৭৮ লাখ ৩৯ হাজার ৭২২ টাকা,

১১৭ নম্বর মামলায় ১৬ কোটি ৩৮ লাখ ২৮ হাজার ৭৩৫ টাকা, ১১৮ নম্বর মামলায় ৩৭ কোটি ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৯০৮ টাকা, ১১৯ নম্বর মামলায় ৩২ লাখ ৫২ হাজার ৩৩৮ টাকা ও ৮ কোটি ২৭ লাখ ৫৯ হাজার ৮০৪ টাকা তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে। সর্বমোট ১৫৫ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ২৩০ টাকা গোপনের অভিযোগ আনা হয়।

এ ছাড়া মামলায় সর্বমোট ৪৫ কোটি ৩১ লাখ ২৮ হাজার ৮৮ টাকা কর ফাঁকির অভিযোগ আনা হয়েছে।

এদিকে ১১৩ নম্বর মামলায় ৬৮ লাখ ৮৯ হাজার ৪২৫ টাকা ও ১ কোটি ১৮ লাখ ৮৩ হাজার ৪২৫ টাকা কর ফাঁকি, ১১৪ নম্বর মামলায় ৩৭ লাখ ৪৪ হাজার ১৯১ টাকা, ১১৫ নম্বর মামলায় ১৯ কোটি ৬ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭১ টাকা, ৪ কোটি ৫৭ লাখ ৯৬ হাজার ৬৩৯ টাকা ও ২ কোটি ৪৩ লাখ ১৫ হাজার ১৬৯ টাকা কর ফাঁকি এবং ১ কোটি ৫৪ লাখ ২৮ হাজার ৫৬৫ টাকা, ১১৬ নম্বর মামলায় ২ কোটি ২১ লাখ ৭৫ হাজার ৯৫৯ টাকা, ১১৭ নম্বর মামলায় ১ কোটি ৬৫ লাখ ৫৯ হাজার ৬৩৬ টাকা, ২ কোটি ৮৮ লাখ ৯৬ হাজার ৪৯৬ টাকা এবং ১ কোটি ৫৯ লাখ ৭৯ হাজার ৬৬৪ টাকা, ১১৮ নম্বর মামলায় ৯৮ লাখ ৭২ হাজার ২৯৫ টাকা, ১ কোটি ২৫ লাখ ১২ হাজার ৭০৬ টাকা, ৩৯ লাখ ৬১ হাজার ৭২৫ টাকা এবং ৩ কোটি ১২ লাখ ৩৭ হাজার ৫৯৭ টাকা কর ফাঁকির অভিযোগ আনা হয়।

১১৯ নম্বর মামলায় ৫ লাখ ৯৪ হাজার ৭৩৯ টাকা, ৬ লাখ ২৪ হাজার ৮৮৮টাকা, ৮২ লাখ ৯০ হাজার ৪৫৭ টাকা কর ফাঁকির অভিযোগ আনা হয়।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...

Leave a Reply