বুড়িচংয়ে ডাকাত চক্রকে গ্রেফতার ও লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধারের জন্য মাঠে নেমেছে পুলিশ

জেহাদ হোসেন খোকন :–
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় এক রাতে ৫ বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় ডাকাত কর্তৃক লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার ও সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রকে গ্রেফতারের জন্য কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে পুলিশ। গত ১৫ মে গদানগর গ্রামের গোলাম আক্তার হোসেন মাষ্টারের কন্যা আরিফা সুলতানা বাদি হয়ে বুড়িচং থানায় একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করার পর পুলিশের টনক নড়ে। তৎপর হয়ে ওঠে থানা পুলিশ। তবে গত ৪ দিনে ও কাউকে গ্রেফতার বা লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।
ঘটনার বিবরনে জানা যায়, গত ১৪ ই মে রাত অনুমান ১ টায় কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল ইউনিয়নের গদানগর ও পাল্টি রাজাপুর গ্রামে ৫ বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘঠিত হয়। সংঘবদ্ধ ১৫/১৬ জনের একটি মুখোশধারী সশস্ত্র ডাকাত দল হানা দেয়।
ডাকাতরা প্রথমে গদানগর গ্রামের গোলাম আক্তার হোসেন মাষ্টারের ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে। এ সময় ডাকাতরা ঘরের লোকজনের
হাত-পা বেঁধে মারধর করে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান মালামাল লুট করে। পরে ডাকাতরা পর্যায়ক্রমে
একই বাড়ির জি এম হায়দার, বাচ্চু মিয়া ও তৈয়ব আলীর ঘরে একই কায়দায় ঢুকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নেয়। তাছাড়া
একই রাতে পার্শ্ববর্তী পাল্টি রাজাপুর গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের ২ ছেলে বোরহান উদ্দিন ও তার ছোট ভাইয়ের ঘরে ঢুকে
স্বর্ণালংকার ও মালামাল লুট করে নেয়। পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো: নুরুল ইসলাম মাষ্টার ও বুড়িচং থানা পুলিশ খবর পেলে
তাৎক্ষনিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ঘটনায় ডাকাত কর্তূৃক ক্ষতিগ্রস্থ ৪ পরিবারের কেউ হয়রানির ভয়ে মামলা না করলেও
গদানগর গ্রামের গোলাম আক্তার হোসেন মাষ্টারের কন্যা আরিফা সুলতানা বাদি হয়ে বুড়িচং থানায় একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসাবে থানার এস আই কাজী নাজমুল হক দায়িত্ব পালন করছেন।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...

Leave a Reply