মামলা তুলে নিতে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি: মুরাদনগরে প্রতিবাদী বাহাদুরকে হত্যার চেষ্টা ২ মাসেও কাউকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ

মো. হাবিবুর রহমান, মুরাদনগর (কুমিল্লা)থেকেঃ---
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা পূর্ব ইউনিয়নের খামার গ্রামের প্রতিবাদী যুবক বাহাদুর মিয়া ও তার পরিবারের উপর হামলা চালিয়ে ব্যাপক লুটপাট করেছে সন্ত্রাসী কাউছার বাহিনী। সন্ত্রাসীরা বাহাদুর মিয়াকে ঘায়েল করতে পূর্বেও একের পর এক হামলা করে ও মামলা দিয়ে দিনের পর দিন হয়রানি করছে। ঘটনা এখানেই শেষ নয়, এক পর্যায়ে বাহাদুর মিয়াকে হত্যার পরিকল্পনা নিয়ে বাড়িতে গিয়ে আক্রমন চালায়। এ ব্যাপারে মামলা হলেও পুলিশ ২ মাস অতিবাহিত হলেও কোন আসামী গ্রেফতার করতে পারেনি। এ সুযোগে মামলা তুলে নিতে বাদী ও স্বাক্ষীদেরকে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি-ধমকি অব্যাহত রেখেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই এলাকা পরিদর্শনকালে বেরিয়ে আসে সন্ত্রাসী কাউছার বাহিনীর নির্যাতনের লোমহর্ষক কাহিনী।
জানা যায়, খামার গ্রামের মৃত ওয়ালী মিয়ার ছেলে সন্ত্রাসী সাইদুর রহমান ওরফে মঙ্গল মিয়া স্থানীয় মাদ্রাসার অর্থ আত্মসাতকারী ও মনু মিয়া মেম্বারের ছেলে সন্ত্রাসী কাউছার মিয়া নারী নির্যাতনকারী হিসেবে পরিচিত। তাদের বিভিন্ন কর্মকান্ড নিয়ে এলাকার অন্যান্য মানুষের পাশাপাশি একই গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে বাহাদুর মিয়া প্রতিবাদ করে। উক্ত প্রতিবাদের অংশ হিসেবে বাহাদুর মিয়াকে বেশ কয়েকটি মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। উক্ত মামলার জের ধরে বাহাদুর মিয়াকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা নেয় সন্ত্রাসী মঙ্গল মিয়া ও কাউছার মিয়া। সে মতে গত ১৫ জানুয়ারী দুপুর অনুমান সাড়ে ১২টায় সন্ত্রাসী সাইদুর রহমান ওরফে মঙ্গল মিয়া, কাউছার মিয়া ও তার ভাই জসিম মিয়া ১৫/২০ জনের একটি দলবল নিয়ে অশ্র-সস্রে সজ্জিত হয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে বাহাদুর মিয়ার বাড়িতে ঢুকে তার উপর হামলা চালায়। এ সময় সন্ত্রাসীদের হাতে থাকা চাপাতি, রামদা, লোহার রড, লাঠিসোটা, লাকড়ি ও কাঠের রোল দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে বাহাদুর মিয়ার মাথা রক্তাক্ত জখমসহ অজ্ঞান করে ফেলে। এ সময় সস্ত্রাসীদের হাত থেকে বাহাদুর মিয়াকে বাচাঁতে এগিয়ে আসলে তার স্ত্রী শাকিলা ইয়াছমিনকেও সন্ত্রাসীরা বেধরক মারধর করে। তখন বাহাদুর মিয়া মারা গেছে ভেবে সন্ত্রাসীরা চলে যাওয়ার সময় ৩টি স্বর্ণের চেইন, ২টি নকিয়া মোবাইল নিয়ে যায়। তাদের শোর চিৎকারে এলাকার লোকজন এসে বাহাদুর মিয়ার অবস্থা আশংকাজনক দেখে হসপিটালে নেয়ার পথে সন্ত্রাসীরা বাড়ির চতুর্পাশে অস্ত্র-সস্ত্রে অবস্থান নিয়ে বাধাঁ দেয়। পরে পুলিশকে মোবাইল করলে মুরাদনগর থানায় এসআই মিনহাজ মাহমুদের নেতৃত্বে একদল পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গেলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে পুলিশী প্রহরায় সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরতর বাহাদুর মিয়াকে কুমেক হসপিটালে চিকিৎসার জন্যে ভর্তি করায়। বর্তমানেও তার অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে। উক্ত বিষয়ে সাইদুর রহমান ওরফে মঙ্গল মিয়া, তার স্ত্রী শিরিণ আক্তার, ছেলে নাইম মিয়া, মেয়ে তাছলিমা বেগম, আছমা বেগম, নাইম মিয়ার স্ত্রী ছবি বেগম, মনু মিয়া মেম্বার, তার স্ত্রী সুবেরা বেগম, তার ছেলে কাউছার মিয়া, জসিম মিয়া, ফয়সাল মিয়া, রুবেল মিয়া, মাফুজ মিয়া, জসিম মিয়ার স্ত্রী ছালমা আক্তার, ডাকাত কাউছারের স্ত্রী লাকী আক্তারকে আসামী করে গত ২১ জানুয়ারী কুমিল্লার ৮নং আমলী আদালতে মামলা করলে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট অভিযোগটিকে এফআইআর হিসেবে গণ্য করার জন্য ওসি মুরাদনগরকে নির্দেশ দেন। শত বাধাঁ সত্বেও অবশেষে আদালতের অভিযোগটি মুরাদনগর থানা পুলিশ সোমবার এফআইআর হিসেবে গণ্য করেন। কিন্তুু আসামী গ্রেফতার না করায় আসামীরা প্রকাশ্যে হুমকি-ধমকি দেয়ায় মামলার বাদী আসামী গ্রেফতারের জন্য মুরাদনগর থানার ওসি’র নিকট লিখিত অভিযোগ করেন। কিন্তু অভিযোগের দীর্ঘদিনেও রহস্যজনক কারণে আসামী গ্রেফতার না করায় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
মুরাদনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম পিপিএম জানান, পুলিশ আসামীদের গ্রেফতার করছে না এ কথাটি সঠিক নয়। আসামীদের গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এ ছাড়াও কাউছারের বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। ভয়ে কেউ তাঁর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিচ্ছে না। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সহজ হতো। অভিযোগ পাওয়া না গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া যায় না। সব কিছুরই একটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

রসু খাঁর ছায়া সঙ্গী সন্ত্রাসী কাউছারের কাহিনী
খামার গ্রামের মোকলেছুর রহমান ওরফে মনু মিয়া মেম্বারের ছেলে রসু খাঁর ছায়া সঙ্গী, নারী নির্যাতনকারী হিসেবে খ্যাত ডাকাত কাউছার মিয়া (২৭) জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারো মাথাচ্যারা দিয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে সে বিভিন্ন এলাকায় চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই করে আসছে। ডাকাতি করতে গিয়ে ধর্ষণ করা তার নেশা। পেশাদার ডাকাত কাউছার ডাকাতি করার আগে জেনে নেয় ঘরের মধ্যে অভিভাবক প্রবাসী বা চাকুরীজীবি কি না। পুরুষ অভিবাবকহীন এমন বাড়িতে সুন্দরী রমনী বা যুবতী থাকলেই কেবল সে সদলবলে ডাকাতি করে। পরে সশস্ত্র অবস্থায় ধর্ষন শেষে মালামাল লুট করে। ডাকাত কাউছারের যৌন নির্যাতনের শিকার বহু পরিবার বাড়ি ছাড়া। দীর্ঘদিন ধরে তাঁর নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলো এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। সন্ত্রাসীদের ভয়ে থানায় অভিযোগ করাতো দুরের কথা কেউ প্রতিবাদ করতেও সাহস পাচ্ছে না। সম্প্রতি একটি ডাকাতি মামলায় গ্রেফতারের পর এলাকার লোকজন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছিল। এলাকার নির্যাতিত লোকজন ভেবেছিল ডাকাত কাউছার হয়তো রসু খা’র মতো জেলেই থাকবে, হবে মৃত্যুদন্ড। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, ডাকাত কাউছারের কিছুই হলোনা। অভিযোগ ও স্বাক্ষীর অভাবে সে পার পেয়ে সম্প্রতি জেল থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারো আথাচ্যারা দিয়ে উঠে সে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ছিনতাইয়ের মাধ্যমে ডাকাত কাউছার অপরাধ জগতে পা বাড়ায়। ছিনতাই করাকালীন সে অল্প টাকায় এলাকার লোকজনের কাছে ভালো ভালো মোবাইল সেট বিক্রি করতো। সে স্কুল কলেজের মেয়েদেরকে পথিমধ্যে অশালীন অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করতো। বখাটে কাউছারের বিরক্তিকর কর্মকান্ডে অনেক মেয়ে পড়া-লেখা ছেড়ে দিয়েছে। পরবর্তীতে সে শুরু করে ডাকাতি। পুরুষ অভিবাবক প্রবাসী, দুরে কোথাও চাকুরী বা ব্যবসা করে এমন বাড়িতে সুন্দরী রমনী বা যুবতী মেয়ে ঘরে থাকার খবর পেলেই কাউছার দলবল নিয়ে ডাকাতি করতে যেতো। ডাকাতি করতে গিয়ে প্রথমে নারী ধর্ষন করাই ছিল তার নেশা। নারীদের অজ্ঞান করেও ধর্ষনের খবর সম্প্রতি প্রকাশ পাচ্ছে। গত ৬/৭ বছর ধরে ডাকাত দল সৃজনে এভাবে বেপরোয়া ডাকাতি করেছে কাউছার। এ সময়ের মধ্যে তার বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলা হয়েছে মুরাদনগর থানায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, সম্প্রতি ডাকাতির ঘটনায় পুলিশ নিয়েছিল চুরির মামলা। আর তাই বাদী, স্বাক্ষীকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে কাউছার সহজেই পার পেয়ে গেছে এ মামলাগুলো থেকে।
পুলিশ সূত্র জানায়, বিগত ২০১০ সালের ১৭ জানুয়ারি রাতে ওই গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সুবেদার আব্দুল মান্নান ও তাঁর ভাই আব্দুল মোন্নাফ ডিলারের বাড়িতে ডাকাতি হয়। এ ডাকাতির ঘটনায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানা পুলিশ ১৯ জানুয়ারি রাতে অভিযান চালিয়ে দুর্ধর্ষ ডাকাত ও নারী নির্যাতনকারী হিসেবে খ্যাত কাউছারকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর কাউছার প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানিয়েছিল, জেলার বিভিন্ন উপজেলার পেশাদার ডাকাতদের সমন্বয়ে সে এলাকায় ডাকাতি করতো। পুরুষ অভিভাবকহীন বাড়িতে সুন্দরী রমনী বা যুবতী মেয়ে আছে, এমন খোঁজ পেলেই সে ডাকাতি করতে যেতো। ডাকাতি করতে গিয়ে সুন্দরী রমনী বা যুবতী মেয়েদের ধর্ষন শেষে মালামাল লুট করতো। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ডাকাত কাউছার জানায়, তাঁর চাচা স্থানীয় মুজিবুর রহমান ওরফে খোকা মিয়ার একটি পালিত কুকুর ছিল। এ কুকুরটিকে ছুরিকাঘাত করার কয়েক দিন পরই অর্থাৎ ১৪ ডিসেম্বর রাতে তাজুল ইসলাম মেম্বার, তাঁর ভাই নজরুল ইসলাম ও আমিরুল ইসলামের বাড়িতে ডাকাতি করে। এ ডাকাতির কথা স্বীকার করলেও রহস্যজনক কারনে পুলিশ ওই ডাকাতি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখায়নি। অবশ্য, পরে তাকে আরো জিজ্ঞাসাবাদ করতে ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। পরবর্তীতে এক প্রভাবশালী নেতার তদ্বিরের কারণে অপরাধ উদঘাটিত হলেও সবকিছু থেকেই রেহাই পেয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, খামার গ্রামের মাবিয়া খাতুন নামের এক সুন্দরী গৃহবধুকে বিয়ে করতে তাঁর স্বামী ইসমাইল মিয়াকে প্রায় ২০/২২ বছর আগে কাউছারের চাচা ঝাড়– মিয়া দেওড়ার বিলে নিয়ে রাতের আধাঁরে হত্যা করে। এ ঘটনায় ওই সময়ে হত্যা মামলা হলেও ঝাড়– মিয়ার নির্যাতনের ভয়ে তিন শিশু সন্তান নিয়ে এলাকা ছাড়া হয় মারিয়া বেগম। দীর্ঘ দিন এলাকা ছাড়া থাকার পর ২০০৬ সালে সন্তানদের নিয়ে স্বামীর ভিটায় ফিরে আসেন। বাড়িতে আসার পরই মাবিয়া বেগমের সুন্দরী যুবতীর উপর কুনজর পড়ে ডাকাত কাউছারের। ওই বছরই কাউছার সিদ কেটে ঘরে ঢুকে অজ্ঞান করে ধর্ষন করে তাঁকে। এতে সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে স্থানীয় মাতাব্বররা কাউছারকে দোররা মারেন। একই গ্রামের সুন্দরী গৃহবধুকে ২০০৫ সালে কাউছার জোরপূর্বক ধর্ষন করার ঘটনায় মৃত জলিল মিয়ার ছেলে সৌদী প্রবাসী শাম মিয়া বাড়িতে এসে স্ত্রীকে তালাক দিয়ে নববধূ নিয়ে নিরাপদে থাকার জন্য পার্শ্ববর্তী বাংগরা গ্রামে চলে যায়। ডাকাত কাউছারের নির্যাতনের ভয়ে তার আপন ছোট ভাই ফারুক আহমেদের স্ত্রী পাপিয়া আক্তারকে বাবার বাড়ীতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। স্ত্রী ও মেয়েদের নিরাপদ রাখার জন্য ঘর-বাড়ি ছেড়ে মৃত বাচ্চু মিয়ার ছেলে প্রবাসী হেলাল মিয়া ও শাহজালাল মিয়া উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ সংলগ্ন নগরপাড়, মৃত রঙ্গু মিয়ার পুত্র হালিম মিয়া, মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে হিরু মিয়া চট্টগ্রাম, নুর মোহাম্মদ পাশ্ববর্তী দৌলতপুর, ঢাকার ব্যবসায়ী আলম মিয়ার স্ত্রী শিল্পী বেগম বাবার বাড়ি হাটাশ, মৃত রব্বান মিয়ার ছেলে রেজাউল করিম ও তাঁর ভাই মৃত লোকমান হোসেনের স্ত্রী দেবিদ্বার চলে গেছেন।
সূত্র আরো জানায়, চুরি ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় থাপ্পলদার হিসাবে পরিচিত কাউছারের মা ছোবেরা খাতুন সকল বিষয়কে সাজানো ও শত্র“তামূলক দাবী করলেও এলাকার অত্যাচারিত লোকজন তা’ প্রত্যাখ্যান করেন এবং চুরের মা’র বড় গলা হিসাবে অহংকারী ছোবেরা খাতুনেরও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবী জানান। এলাকাবাসী জানায়, গ্রাম থেকে ছেড়ে যাওয়া প্রতিটি পরিবারই ডাকাত কাউছারের দ্বারা নির্যাতনের শিকার। এসব নির্যাতনের ঘটনায় প্রবাসী শাহজালালের স্ত্রী তাহমিনা বেগম প্রতিবাদ করে থানায় অভিযোগ করায় দুর্ধর্ষ কাউছার এসিড নিক্ষেপ করে মুখমন্ডল জ্বলছে দেয়ার হুমকির ভয়ে পরদিনই এলাকা ছাড়া হয়। ফলে অনেকেই তাঁর বিরুদ্ধে থানা পুলিশের কাছে কোন অভিযোগ করার সাহস পায়নি।
সর্বশেষ খবরে জানা যায়, ডাকাত কাউছারের সহযোগীরা কয়েক দিন পলাতক থাকলেও আবারও বীরদর্পে প্রকাশ্যে ঘুড়ে বেড়াচ্ছে। কাউছারসহ তাদেরকে রক্ষা করার জন্য একটি মহল বিশেষ তদবির করছে বলে জানা গেছে।

Check Also

দেবিদ্বারের সাবেক চেয়ারম্যান করোনা আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় মৃত্যু: কঠোর নিরাপত্তায় গ্রামের বাড়িতে লাশ দাফন

দেবিদ্বার প্রতিনিধিঃ কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ভাণী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান (৫৫) করোনায় আক্রান্ত ...

Leave a Reply