কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে হোটেল ও বেকারীতে নিন্মমানের খাবার পরিবেশন ; প্রশাসন নির্বিকার

মোঃ আলাউদ্দিন, নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) থেকেঃ—
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে মিষ্টি দোকানসহ বেকারী ও খাবারের হোটেলগুলোতে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাবার বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। সূত্রে জানা যায়, মিষ্টির দোকানগুলোতে বাসি-পঁচা মিষ্টি বিক্রি করা হচ্ছে। পাশাপাশি খাবারের হোটেলগুলোতেও বাসি-পঁচা খাবার বিক্রি করেছে, যা দেখার কেউ নেই। জানা যায়, নাঙ্গলকোট উপজেলার বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে ৬/৭ দিনের বাসি ও পঁচা মিষ্টি নতুন করে বানিয়ে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করছে। বিভিন্ন ধরণের মিষ্টিতে নিম্ন মানের ময়দা, রং, পাউডার ও ক্যামিকেল মিশিয়ে মিষ্টি তৈরী করে বাজারে বিক্রি করেছে। যা মানব দেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এদিকে বিভিন্ন মিষ্টির দোকানের কারখানা গুলোতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নোংরা পরিবেশে মিষ্টির দোকানের মালিকেরা বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি তৈরী করছে। কারখানার মধ্যে তেলাপোকা, চুলার পাশেই ড্রেন, তাতে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এছাড়া খাবার হোটেলগুলোয় দেখা গেছে ২/৩ দিনের তরকারি ও মাছ মাংস গরম করে বিক্রি করেছে। হোটেলগুলোর পরিবেশও অত্যন্ত নোংরা। পেছনের রান্না ঘরে ঢুকলে দেখা যাবে, কিভাবে হোটেল কর্তৃপক্ষ খাবার তৈরী করেছে। তাতে মাছি ও তেলা পোকা হাটাহাটি করছে। প্লেট ও গ্লাসে বিড়াল যত্রতত্র মুখ দিচ্ছে। হোটেল বয়রা দায়সারাভাব নিয়ে সেগুলো ধুয়ে কাস্টমারের সামনে খাবার পরিবেশন করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্টেড মোবাইল কোর্ট পরিচালনা না করায় অসাধু ব্যবসায়ীরা প্রসাসনের নাকের ডগায় হোটেলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার বিক্রি করে। যা আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাদের দাবি জরুরী ভিত্তিতে ভ্রাম্যমান আদালত যেন অভিযান চালায়।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...

Leave a Reply