মতলবে ২ কেন্দ্রে ৩০মিনিট বিলম্বে এসএসসি পরীক্ষা শুরু: ২ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সচিব প্রত্যাহার, ২ শিক্ষককে অব্যহতি

শামসুজ্জামান ডলারঃ—
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ও নিশ্চিন্তপুর উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে রোববার পদার্থ বিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) বিষয়ের পরীক্ষা প্রশ্ন জটিলতার কারণে বিলম্বে শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় ছেংগারচর মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কেন্দ্র সচিবকে পরবর্তী পরীক্ষা থেকে অব্যহতি প্রদান করা হয়। নিশ্চিন্তপুর উচ্চ বিদ্যলয় ভেন্যু কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ও কেন্দ্র সচিবকে দায়িত্ব অবহেলা কারণে অব্যহতি প্রদান করা হয়।

ছেংগারচর মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে নির্দিষ্ট সময়ের ১০মিনিট পর ও নিশ্চিন্তপুর উচ্চ বিদ্যলয় কেন্দ্রে ৩০ মিনিট পর পরীক্ষার্থীদের হাতে প্রশ্ন দেয়া হয়। কেন্দ্র সচিবগণ ভুলক্রমে পদার্থ বিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) বিষয়ের প্রশ্নের স্থলে পদার্থ বিজ্ঞান (ব্যবহারিক) বিষয়ের প্রশ্ন নিয়ে আসেন। পরীক্ষার শুরুর আগ মূহুর্তে ভুল ধরা পরে। পরে মতলব উত্তর থানা থেকে পদার্থ বিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) বিষয়ের প্রশ্ন নিয়ে পরীক্ষার্থীদের হাতে পৌছে দিতে বিলম্ব হয়।

এ ঘটনা মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন জানতে পেরে পরীক্ষা কেন্দ্রে ছুটে যায়। দায়িত্ব অবহেলা করায় ছেংগারচর মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার বেগম কামরুন্নাহারকে অব্যহতি দিয়ে সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রওশন মাস-উদকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। ছেংগারচর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বোরহান উদ্দিন মোল্লাকে কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দিয়ে লুধুয়া হাইস্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ জাকির হোসেনকে কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব প্রদান হয়।
অপরদিকে, নিশ্চিন্তপুর উচ্চ বিদ্যালয় ভেন্যু কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোঃ মোখলেছুর রহমান সঠিক সময় কেন্দ্রে উপস্থিত না হওয়াসহ দায়িত্বে অবহেলা করায় তাকেও অব্যহতি প্রদান ও কেন্দ্র সচিবের দায়িত্বে থাকা নিশ্চিন্তপুর হাইস্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ পিয়াস হককেও দায়িত্ব থেকে অব্যহতি প্রদান করা হয়।
এছাড়াও, ছেংগারচর উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে ইমামপুর পল্লীমঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মোঃ মনির হোসেন ও সহকারী শিক্ষক মোঃ বাদল তথ্য গোপন করে ভুল তথ্য মন্ত্রনালয়ে প্রদান করে। সিনিয়র শিক্ষক মোঃ মনির হোসেনের মেয়ে মিতু আক্তার একই কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছে এবং সহকারী শিক্ষক মোঃ বাদল এর স্ত্রী হাওয়া আক্তার একই কেন্দ্রের পরীক্ষার্থীনী। সে জন্য তাদেরকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়।

এ বিষয়ে কথাহলে মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন জানান, দু’কেন্দ্রে প্রশ্ন জটিলতায় পরীক্ষা শুরু করতে বিলম্ব হওয়ায় দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। উপজেলার সকল কেন্দ্রের সচিব ও তদারকি কর্মকর্তাকে বিকেলে জরুরী সভার জন্য ডাকা হয়েছে।

Check Also

কুমিল্লায় তিন গৃহহীন নতুন ঘর পেল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ– কুমিল্লা সদর উপজেলায় গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে ৪নং আমড়াতলী ইউনিয়নের গৃহহীন নুরজাহান বেগম, ...

Leave a Reply