মালয়েশিয়া কলিং ভিষা খোলার আগে বন্দের আশংকা——আব্দুল খালেক

thCAQHH9AM
মালয়েশিয়া বহুল আলোচিত কলিং ভিষা বাংলাদেশ সরকারের অক্লান্ত চেষ্টার ফসল। মালয়েশিয়া সরকারের ঘোষিত ও সাহ্মর এর মধ্যে দিয়ে দুদেশের সেতু বন্দন হতে কলিং ভিষার কাজ শুরু হয়েছিল। তা এখন আস্তে আস্তে ভাঠার দিকে যাচ্ছে, কি নিয়মে কলিং ভিষা কাজ সরকার সম্পূর্ণ করিবে তা এখনো বোধম্য নহে। গত ১১ নভেম্ভর সংখ্যা ১৭ আমার লেখা স্বদেশ কন্ঠ অনেকের নজর পরছে, কারো কারো চোখে ভাল লেগেছে আবার অনেকে হয়তো দালার বলে গালিও দিয়েছে এতে আমার কোন দুঃখ নেই বাস্তবে যা ঘঠবে সেটা বুঝার মত হ্মমতা রয়েছে তখন সত্য লিখতে আমার ভয়ের কোন কারণ নেই। আমাদের দেশের সরকার যখন অসাদ্য চেষ্টা চালিয়ে সোনার হরিণ নামে কলিং ভিষা উম্মুক্ত করেছে ঠিকই কিন্তু সফলতা পাবে না, হয়তো আমার লেখা অনেকে পাটি গত মনে করিবে আবার অনেকে আদম চক্ত দালাল মনে করিবে আসলে আমি দুইটার কোনটাই নয়। আমি একজন স্বচেতন বাংলাদেশী নাগরিক হিসাবে বলছি। যাতে করে আমাদের দেশের গরিব মানুষেরা হয়রানির ন্বীকার না হয়। সেজন্য সবাইকে সতর্ক করা দরকার, বর্তমানে লহ্ম লহ্ম মানুষ সংসার জীবন ছেড়ে দিয়ে প্রবাস জীবনের সন্ধানে উম্মাদ হয়েছে মাএ চল্লিশ হাজার টাকাদিয়ে বিদেশ যাবে, তাদেও জীবন কে প্রতিষ্টিত করবে এবং পরিবারের সবার মুখে হাঁসি ফুঠাবে তাদের শ্রমের বিনিময়ে দেশও উন্নতি হয়ে উঠবে। এসব স্বপ্ন এখন মানুষ জেগে জেগে কল্পনা করে, আসলে ঘুমানো অবস্থায় সপ্ন দেখলে তা সহজে ভোলা যায় আর জাগ্্রত অবস্থায় সপ্ন দেখলে তা সহজেই ভুলা যায় না, যদি বর্তমান সরকার মালয়েশিয়া কলিং ভিষার সাফল্যতা না পায় তাহলে এর জবাব সরকার কে অবশ্যই দিতে হবে এবং মিথ্যা সপ্ন দেখানোর প্রভাব এমন পর্যায়ে দাড়াবে তার জবাব আগামী দিনে বর্তমান সরকার পেয়ে যাবে জনগনের কাছ থেকে। তাই আমার মনে হয় এখনো কিছুটা সময় আছে সরকার কে সুধিয়ে নেওয়ার। আমি জোর গলায় বলতে পারি মালয়েশিয়া কলিং ভিষা দালাল ছাড়া সম্ভব নয়। কেন সম্ভব নয় তাও বলছি, আপনার বাড়ীতে চাল আছে এবং চৈাকা পাতিল খরি আগুন সব কিছুই কম্পিøট আছে আপনি চাল পরিস্কার করে চৈাকায় দিয়ে আগুন লাগিয়ে ছেন তারপর আপনি নেই খরিটা জ্বলতে জ্বলতে চৈাকার উপরে এসে নিবে গেছে বলুনতো ভাত হবে কি হবে না। কেননা এ খরি ঠেলে ঠেলে চৈকার ভিতরে দেওয়ার জন্য একজন লোক ওখানে বসে থাকতে হয় তবেই ভাত খাবার নিচ্শয়তা পাওয়া যাবে নয়তো ভাত নয় চাউল খেতে হবে ঠিক আছে। এখন মালয়েশিয়ার কলিং ভিষার অবস্থা ঐরকমই ভাত না খেয়ে চাউল খাবার মত। আমি গত ১১/১১/১২তারিখে বাংলাদেশের শ্রমিক সম্পর্কে লিখেছিলাম বাংলাদেশ শ্রমিক সোনার হরিন নয় আমাদেও দেশের মানুষ আরাম প্রিয়। কৃষি কাজের ভিষায এসে পরে দেখা যাবে দশ হাজারের ভিতরে কাউকে খোজে পাওয়া যাবেনা দেখা যাবে ৩/৫ হাজার শ্রমীক পালিয়ে যাবে কর্মহ্মের্থ থেকে তখন মালয়েশিয়া সরকার খীপ্ত হয়ে বন্দ করেদেবে কলিং ভিষা, তখন সোনার হরিণ এর আশা লহ্ম লহ্ম লোক হয়রাণী ও ভোগান্তির স্বিকার হবে। আর যা কিছুই বলুন না কেন আদম ব্যবসায় দালারদের মানায় কারণ দালালদের সার্টিফিকেট সরকার দিয়েছে, দ্বিতীয়ত প্রশ্ন যারা আদম পাচারের ব্যবসা করে তাদের আমাদের সরকার বা মুষ্টি কয়েক জন দালাল বলে উপাধী দিয়েছে। যাহা প্রতি দিনের শত শত পএিকা ও টিভির চ্যানেলে দেখা যায়, এখন সরকার যদি ম্যানপাওয়ারের ব্যবসায় নামে তাহলে তাকে আমরা কি উপাধী দিয়ে ডাকব সেটা ও পএ পএিকা ও টিভি চ্যানেলে প্রচার করা দরকার ও আবশ্যক। ইতিমধ্যে মালযেশিয়া গত ২৬/১১/২০১২ ২৬/১১/২০১৩ তারিখে থেকে মালয়েশিয়া কলিং ভিষার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ পযন্ত মালয়েশিয়া কোন কোম্পানিতে বাংলাদেশের শ্রমিক নেওয়া কোন গুন্জন নেই এমন কি মালয়েশিয়া আধা সরকারি প্রজেক্ট গুলি বর্তমান ফর্মুলায় বাংলাদেশের শ্রমিক নেওয়ার জন্য অনিহা প্রকাশ করছে সেজন্য পরিস্থিতি বুঝে গত তারিখের সংবাদ পত্রে লেখাহয়েছিল আমাদের দেশের সরকার কলিং ভিষা খুলতে সহ্মম হবে কিন্তু কার্যকারিতায় সফলতা অর্জন করিতে পারবেনা, মালয়েশিয়া কোম্পানি জি টু জি লোক নেওয়ার জন্য দরখাস্থ না করিলে জি টু জি শ্রমিক পাঠালে আমি গত আগষ্টে ও লিখেছিলাম পাকিস্তান ্ইন্ডিয়া নেপাল মায়ারমার ও ইন্ডোনেশিয়ার নানান দেশের এজেন্ট মালয়েশিয়াতে ঘুরে ঘুরে সর্বনিম্ন ৩২শত ও উদ্ধে কোম্পানি বুঝে ৩৫ শত রিংগিত থেকে ৩৮ রিংগিত দিয়ে ভিষা খরিধ করছে সে দিক দিয়ে আমরা একটু চিন্তা করিলে বুঝতে পারি আমাদের দেশের কলিং ভিষা কতটুকু সফলতা পাবে, এতএব আমার মনে হয় সরকার কে বায়রার সঙ্গে সমঝোথা করে কলিং ভিষার কাজ করিলে আমার মনে হয় অল্প সময়ে অধিক পরিমান বাংলাদেশী শ্রমীক মালয়েশিয়া আসা সম্ভব হতে পারে।

লেখকঃ
আব্দুল খালেক
মালয়েশিয়া প্রবাসী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী

Check Also

আজ শোকাবহ ১৫ আগস্ট : বাঙালির অশ্রু ঝরার দিন

  কুমিল্লাওয়েব ডেস্ক:– আজ শোকাবহ ১৫ আগস্ট। জাতীয় শোক দিবস। বাঙালির অশ্রু ঝরার দিন। ১৯৭৫ ...

Leave a Reply