অঙ্গীকার পূরণে মুক্তাদির চৌধুরী এম.পি ———–এম.আমজাদ চৌধুরী রুনু


ব্রাহ্মণ বাড়ীয়া বাসীর একটি সুপরিচিত নাম র.আ.ম ওবায়দুল মুক্তাদির চৌধুরী এম.পি, যিনি ছাএ জীবন থেকে রাজনিতির সঙ্গে সুপরিচিত একটি নাম এবং ব্রাহ্মবাড়ীয়ার আপামর জনগনের পরিহ্মীত নেতা হিসাবে পরিচিত লাভ করেছেন এ সাবেক ছাএনেতা । পুরো নাম রবিউল আলম মোহাম্মদ ওবায়দুল মুক্তাদির চৌধুরী বাবার নাম মরহুম আব্দুর রব চৌধুরী(ঝারু মিঞা) ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সদর উপজেলা চিনাইর চৌধুরী বাড়ীতে তার জন্মগ্রহন ।
চিনাইর ও নারায়নগঞ্জে প্রাথমিক ও নিম্্র মাধ্যমিক শিহ্মা লাভ করেন। মাদ্রাসা-ই আলিয়া, ঢাকা থেকে কৃতিত্বের সাথে ফাজিল পাশ করেন । ঢাকা কলেজ থেকে উচ্ছ মাধ্যমিক এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্টবিজ্ঞানে অনার্স ও মাস্টার্স করেন কৃতিত্বের সাথে। ১৯৬৯ সালে ঢাকা কলেজের ছাএ সংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৭০ সালে তদানীন্তর পূর্ব-পাকিস্তান ছাএলীগ এর সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৬৯ সালে সামরীক আইনে গ্রেফতার ও সাজাপ্রাপ্ত হন। এসময় প্রায় ছয় মাস কারাবাস করেন। মুক্তাদির চৌধুরী ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন সক্রিয় সংগঠক যোদ্ধা ছিলেন। মুজিব বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের অধীনে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জোন ‘বি’-এর অধিনায়ক ছিলেন এবং একজন যুদ্ধাহত মুক্তিয্দ্ধুা তিনি। মুক্তাদির চৌধুরীর নেতৃত্বে ব্রাহ্মনবাড়ীয়া উজানিসার এর ব্রিজ টি ধবর্স¦ করেছিলেন। এবং সেই সম্মূহ যুদ্ধে মুক্তাদির চৌধুরী আঘাতপ্রাপ্ত-হন। ১৯৭৫ সালে জাতির জনক বঙ্গবদ্ধু নির্মম ভাবে স্ব-পরিবারে নিহত হওয়ার পর সামরিক স্বৈরতন্ত্র বিরোধী সংগ্রামের প্ররোধা ব্যক্তি হিসেবে তিনি আতœপ্রকাশ করেন এবং ১৯৭৬ সালের অক্টোবওে গ্রেফতার হন। সুদীর্ঘ ২৩মাস কারাবরণের পর মহামান্য হাইকোর্টের আদেশে তিনি মুক্তিলাভ করেন। ১৯৮৩ সালে বিসিএস(প্রশাসন) ক্যাডারে সহ-কারী কমিশনার হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামিলীগ সরকার হ্মমতা আসলে তৎকালিন প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পান। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পযন্ত মুক্তাদির চৌধুরী ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সদরে এ প্রচুর উন্নয়ন মূলক কাজকরেন স্কুল কলেজ মাদ্রসা ও রাস্তা ঘাঠের উন্নয়নে নিজেকে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া বাসীর হদয়ে স্থান করেনেন । ২০০৫ সালের বাতিল হওয়া নির্বাচনে র.আ.ম ওবায়দুল মুক্তাদির চৌধুরীকে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সদর আসনে আওয়ামিলীগ থেকে মনোয়ন দেওয়া হলে সদর জনগনের ব্যাপক সারা মেলে। কারণ স্বাধীনতার পর ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সদর আসন আওয়ামিলীগ প্রার্থী বিজয়ী হতে পারেনি তাই মুক্তাদির চৌধুরী এ লহ্ম্য নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সদর আসনে ব্যাপক উন্নয়ণে নিজেকে সম্পৃত করেন । ২০০১ সালের ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সদর আসন আওয়ামিলীগ উদ্ধারের জন্য তৎকালীন জেলা আ’লীগ এর সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত আডঃ লুৎফুল হাই সাচ্ছু কে মনোয়ন না দিয়ে জাতীয় পার্টির প্রভাবশালী নেতা পরে আওয়ামিলীগ এ যোগদেন আডঃ হুমায়ন কবীর কে আওয়ামিলীগ এর মনোয়ন দেওয়া হয় তারপর ও আসন টি আওয়ামিলীগ এর ঘরে আনা সম্ভব হয়নি। পরবর্তিতে ২০০৫ সালে বাতিল হওয়া নির্বাচনে আওয়ামিলীগ থেকে মুক্তাদির চৌধুরীকে মনোয়ন দেওয়া হয়। মনোয়ন পেয়ে মুক্তাদির চৌধুরী মনোয়ন দাখিলে মুক্তাদির চৌধুরী ব্রাহ্মণবাড়ীয়া নির্বাচনী সু-ডাউন করেন যাহা কিনা ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সর্বকালের স্বাধীনতার পরবর্তি এতবড় সু-ডাউন আর হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন অনেক প্রবীন ব্যক্তিবর্গ। জনপ্রিয় নেতা মুক্তাদির চৌধুরীর জনসমর্তনে ঈর্ষাণীত হয়ে তৎকালীন জোট সরকার ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় বোমা হামলায় নিহত যুবদল সভাপতি আডঃ হাবিবুল্লাহ হত্যার এক নাম্ভার আসামি করা হয় জনপ্রিয় নেতা মুক্তাদির চৌধুরী কে পরবর্তিতে মুক্তাদির চৌধুরী উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া আসলে মুক্তাদির চৌধুরীর জনপ্রিয়তা আরো বেড়েয়ায়। ২০০৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মামলা গঠিত জি টলতায় মুক্তাদির চৌধুরী আওয়ামিলীগ এর মনোয়ন পেতে ব্যর্ত হলে মনোয়ন দেওয়া হয় জেলা সভাপতি বর্তমান প্রয়াত আডঃ লুৎফুল হাই সাচ্চু কে। মুক্তাদির চৌধুরীর উন্নয়নের জনপ্রিয়তায় প্রয়াত লুৎফুল হাই সাচ্চু বিশাল জয় পান ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সদর আসনে। ২০১১ সালে লুৎফুল হাই সাচ্চু হঠাৎ মূর্ত্যবরন করিলে উপনির্বাচনে আওয়ামিলীগের মনোয়ন পান প্রধান মন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব মুক্তাদির চৌধুরী। উপনির্বাচনে মুক্তাদির চৌধুরী প্রায় চল্লিশ হাজার ভোটের বিশাল ব্যবধানে নির্বাচিত হলে জননেএী শেখ হাসিনা ব্রাহ্মণবাড়ীয়া বাসীর স্বতপূর্থ সমর্তনের জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রনায় সম্পকিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নিযুক্ত করেন। জননেতা মুক্তাদির চৌধুরী নির্বাচিত হয়ে উন্নয়নের দ্বারা অব্যাহত রেখেছেন তিনি পিছপা হননি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া বাসীর উন্নয়নে। মুক্তাদির চৌধুরী ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সদর সহ নবগঠিত বিজয় নগর উপজেলা ব্যাপক ভাবে স্কুল কলেজ মাদ্রাসার ও রাস্তার ঘাটের উন্নয়ন দ¦ারা অব্যাহত রেখেছেন। নতুন করে বহু স্কুল কলেজ গড়ে তুলেছেন। তার নির্বাচনি এলাকার মানুষের চাহিদা মত কাজকরে প্রসংসা যুগিযেছেন মানুষের হ্নদয়ে যাহা কিনা আগামি নির্বাচনে মুক্তাদির চৌধুরীর বিজয়ের হাতছানি দিবে বলে মনেকরেন এলাকার সাধারণ মানুষ। তিনি ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার বিবক্ত আওয়ালীগ কে সূসংগঠিত করে দল কে অনেক শক্তিশালী করেছেন তার প্রমান এলাকার মানুষ পেয়েছেন দুটি পৌরসভা নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সদর পৌরসভা ও আখাউড়া পৌরসভা আওয়ামিলীগ এর বিজয় দিয়ে। গত ডিসেম্ভরে আওয়ামিলীগ এর জাতীয় কাউসিল্স এ মুক্তাদির চৌধুরী কে বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য করা হয় যার প্রভাব ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা আওয়ামিলীগ রাজনিতিতে এক নতুন মেরুকরুন হয়েছে বলে মনে করেন অনেকে কারণ সূ-দীর্ঘ ৬৩ বছর অপেহ্মা করতে হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সদর আওয়ামিলীগ নেতা কর্মীদের। এই প্রথম সদর থেকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে অন্তভুক্ত হয়েছে। গত ১৩ই জানুয়ারী কেন্দ্রীয় নেতা গণমানুষের নেতা ব্রাহ্মণবাড়ীয়া পৌছিলে তাকে ব্যাপক সম্ভর্ধণা দেওয়া হয়। মুক্তাদির চৌধুরী কোন অন্যয় কে প্রশ্রয় দেন না। তার হস্তহ্মেপে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায় চাঁদাবাজ, সস্ত্রাশ , ভূমি দখল বাজ সম্পূর্ণ নির্মূল হয়েছে। সন্ত্রাশিদের প্রশ্রয় না দেওয়া তে এলাকায় অনেক প্রসংশা কুড়িয়েছেন।
প্রতিবেদনটি করা হযেছে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সদর ও বিজয় নগর থেকে ফিরে এসে।

লেখক
এম.আমজাদ চৌধুরী রুনু
প্রবাসী সাংবাদিক ও
সাধারণ সম্পাদক
মালয়েশিয়া বাংলা প্রেস ক্লাব

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...

Leave a Reply