২০১২ সালে ৩৫ বাংলাদেশির প্রাণ কেড়ে নিলো বিএসএফ


ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিএসএফ-এর হাতে ২০১২ সালে ৩৫ জন বাংলাদেশি প্রান হারিয়েছে। যা গত বছরের ১২ মাসের তুলনায় বেশি। সর্বশেষ শনিবার ভোর রাতে আরো এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন বিএসএফ-এর হাতে। গত শনিবার ভোররাতে ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে বিএসএফ-এর গুলিতেনিহত হন গরু ব্যবসায়ী আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি মহেশপুরের তেতুল তলা গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। বিজিবি জানায় আনোয়ারসহ কয়েকজন ব্যবসায়ী সীমান্ত পার হয়ে গরু আনতে গেলে বিএসএফ গুলি চালায়।
এই চলতি বছরে এই নিয়ে বিএসএফ-এর হাতে মোট ৩৫ জন বাংলাদেশি নিহত হলেন। আর গত বছর নিহত হয়েছেন ৩১ জন। ভারত বার বার প্রতিশ্রুতি দেয়ার পর সীমান্ত হত্যাকান্ড বন্ধ হচ্ছে না, বরং বাড়ছে। এজন্য ‘অধিকার’ এর সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আদিলুর রহমান সরকারের নতজানু পররাষ্ট্র নীতিকেই দায়ী করেন।
তিনি জানান, বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত বাংলাদেশিরা এক দুর্বিসহ জীবন যাপন করছেন। সেখানে প্রতি চার দিনে একজন নিহত হন বিএসএফ-এর হাতে। আর হত্যাকাণ্ড ছাড়াও তারা বিএসএফ-এর হাতে নানা ভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। তিনি মনে করেন, ভারতের কাছ থেকে কোন ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার সম্ভানা কম। তাই বাংলাদেশকে এখন সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক ফোরামে তুলে প্রতিকার চাইতে হবে। তবে সেক্ষেত্রেও বাংলাদেশকে তার পররাষ্ট্রনীতি শক্ত করতে হবে।
‘অধিকার’ এরর হিসেব অনুয়ায়ী ২০০০ সাল থেকে ১৩ বছরে সীমান্তে ৯৬৭ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন বিএসএফ-এর হাতে।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...

Leave a Reply