তিতাসে মাছিমপুর বাজারের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে বসতবাড়ীসহ ১০টি দোকান ভাংচুরের শালিশী বৈঠক রহস্যজনক কারণে স্থগিত

তিতাস / ৯ নভেম্বর (কুমিল্লাওয়েব ডটকম)———-
তিতাসে মাছিমপুর বাজারের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে বসতবাড়ীসহ ১০টি দোকান ভাংচুরের শালিশী বৈঠক রহস্যজনক কারণে স্থগিত করা হয়েছে। এতে এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময় পুনরায় বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ঘটনা ঘটতে পারে বলে এলাকাবাসী আংশকা করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২ নভেম্বর সন্ধ্যায় জুয়াখেলাকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে মাছিমপুর বাজারের মোহাম্মদ আলীর মিষ্টির দোকান, আনিছের চাউলের দোকান, আইয়ুব আলীর মুদি দোকান, বিষুর চা দোকান, নিশানের সেলুন দোকান, হরিদাসের মিষ্টি দোকান, শফিকের চাউলের দোকান, মহিন্দের কামার দোকানসহ রেনু মিয়া ভান্ডারীর বসতবাড়ীতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে এবং মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। তাৎক্ষণিক থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ব্যাপারে মাছিমপুর বাজারের হাবিব জানায়, মাছিমপুর গ্রামে ব্র্যাক স্কুলে জুয়াখেলায় বাঁধা দেয়ায় একই গ্রামের ডালিম, বাতেন, নাজির, মজিব, জামাল, সাইফুল, মুকবলসহ আরো অনেকে বাজারে দোকানসহ বসতবাড়ীতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে লুটপাট চালায়। এসময় আমার বৃদ্ধা মা হালিমা আক্তার (৫০) কে গুরুতর আহত করে।
এদিকে মজিবুর রহমান জানান, ঐদিন সন্ধ্যায় মুনছুর মেম্বারের চাউলের দোকানে বর্তমান ইউপি সদস্য মুনছুর আলী ও দেবেল হোসেন, কবির মাষ্টার, ডাক্তার ওয়াছেক, আবুল কাশেম, সাবেক মেম্বার আঃ খালেক, আলমগীর সরকার, আলম সরকার, মোয়াজ্জেম হোসেনসহ আমি বসে গল্প করছিলা এসময় হাবিব ও তার লোকজন এসে অতর্কিত হামলা চালায় এতে মাছিমপুর গ্রামের জামাল (৩২), ডালিম (৩০), সাইফুল (২২), সুমন (২৫) ও সাদ্দাম (২৩) গুরুতর আহত হয়। পরে সংবাদটি গ্রামে ছড়িয়ে পড়লে গ্রাম থেকে শত শত লোকজন এসে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। গতকাল শুক্রবার বিকালে স্থানীয় ভাবে উক্ত ঘটনা মিমাংসার হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত রহস্যজনক কারণে তা এক সপ্তাহে পিছিয়ে দেওয়া হয় বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়।

নাজমুল করিম ফারুক
তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...

Leave a Reply