শিশুকে বড় করে গড়ে তুলতে বাবা-মায়ের সম্যক জ্ঞান অর্জন জরুরি ——————-মো. আলী আশরাফ খান

পৃথিবীতে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার, যার মনে এমন বাসনা জাগে না যে-সে বাবা-মা হতে চায় না। মানুষ মাত্রই আশার প্রতিফলন ঘটানোয় যেনো শত বাঁধা-বিপত্তিকে অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যাওয়া। প্রতিটি মানুষের হৃদয়েই স্বপ্নবীজ সর্বক্ষণ দোলা দেয়। কখন কিভাবে এর বীজ বপন করা যায় এই সুযোগে বিভোর থাকে মানুষ। তেমনি করে সন্তানের আকাক্সক্ষাও মানুষের সহজাত প্রবৃত্তিকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রাখে। প্রত্যেক মানুষই চায়, তার সন্তান মানুষের মতো মানুষ হবে। বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করবে। দেশ ও জাতির গৌরব বয়ে আনবে। কিন্তু শিশুকে বড় করে গড়ে তুলতে বাবা-মায়ের যে জ্ঞান থাকা দরকার তা ক’জন বাবা মায়ের আছে এ প্রশ্ন থেকেই যায়। অত্যন্ত লজ্জার বিষয় সিংহভাগ বাবা-মা-ই জানেন না, কি করে তাদের এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে হয়। তাদের সঠিক পরিকল্পনার অভাবে কাড়ি কাড়ি টাকা, শ্রম ও সময় ব্যয় করেও তাদের মনোবাঞ্ছনা পূর্ণ হয় না। এক সময় নিরাশ হয়ে বাবা-মা বুক চাপড়ায় সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে। তারা এমন এক সময়ে উপনিত হয়, যখন আর কিছুই করার থাকে না। ফলে এর প্রভাব সমাজের নিন্মস্তর থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় পর্যায় পর্যন্ত বি¯তৃতি ঘটে।
কথায় আছে, ‘আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ’। কিন্তু যখন ভবিষ্যতে এ শিশুটি হয়ে ওঠে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী, তার কাছে থেকে যা পাওয়ার কথা, তা না পেয়ে অন্য রকম আচার-আচরণ লক্ষ্য করা যায়, তখন দুঃখ করার ছাড়া আর কিবা করার থাকে। আসলে এর অন্তর্নিহিত বিষয়টি হলো, বাবা-মা’র অজ্ঞতা, সঠিক পরিকল্পনা, যথাযথ গাইডলাইন, পরিচর্যা এবং সিদ্বান্তের অভাবেই একসময় শিশু নানারকম সমস্যায় পতিত হয়। সন্তানের ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়ে যায়। শিশুর জীবন বিপন্ন হয়। অথচ, শিশুর জন্মের পর থেকেই বাবা-মা’র ওপর এমন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পিত হয়, যা অন্যান্য কাজের চেয়ে শতগুণ গুরুত্বপূর্ণই বলা যায়। শিশুকে মানুষের মত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সবরকম দায়িত্ব পালন বাবা-মা’কেই করতে হয়। করা উচিৎও।
এ ক্ষেত্রে বাবা-মাকে অবশ্যই জানতে হবে, প্রত্যেক শিশুর কল্পনা জগৎ নান্দনিক ও বৈচিত্রময়তা সম্পর্কে। বুঝতে হবে তাদের শিশুটি কি চায়। কেমন পরিবেশে তাকে রাখা দরকার। বাব-মা যদি ইচ্ছে করে, তাহলে সুন্দরের চাষাবাদের মাধ্যদিয়ে শিশুটির কল্পনা শক্তির গাঁথুনি পরিপুষ্ট ও পরিপক্ক করে গড়ে তুলতে পারেন। অপ্রিয় হলেও সত্য, খুব কম সংখ্যক বাবা-মাই জানেন, শিশুর প্রতিভার একটি বৃহৎ অংশের স্ফুরণ ঘটে তার কল্পনার মাধ্যমে। কল্পনা প্রসূত প্রতিভাকে শাণিত করতে বাবা-মায়ের যে কতটা ভূমিকা রাখতে হয়, তা সর্বাগ্রে জানতে হবে। শিশুর নান্দনিক খেলা, মনের দৌঁড়ঝাপ, ছুটাছুটি তথা রংধনুর ন্যায় মনোখেলায় বাবা-মা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে, এর ফল ভালো হয় না। পারিপার্শ্বিক যে সব বন্ধুুর উপস্থিতি ঘটবে, এসব কিছুর ব্যাপারে শিশুর মনে স্পষ্ট ধারণার বীজ বপন করতে হবে। নানা ঢঙ ও বিমূঢ়ততায় বীজটি শাখা-প্রশাখায় পল¬¬বিত হতে দিতে হবে। স্বতঃস্ফূর্তভাবে যে ঘটনাটি ঘটবে, এটিকে মূল্যায়ণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, ব্যবহারিক শিক্ষার মাধ্যমে এটি পূর্ণতা পায় না। আনন্দময় অনুভূতির ভেতরগত উচ্ছ্বাস থেকে ইতিবাচক কল্পনার রাজ্যে সুশোভিত হতে দিতে হয়।
প্রত্যেক বাবা-মায়ের বোঝা উচিৎ, কথা বলার শুরুর পূর্বে শিশুর কল্পনা শক্তি বোঝা যায় না। কল্পনার বিষয়ও এসময় অপরের সঙ্গে ভাগাভগি করে নেওয়ার স্বক্ষমতা অর্জন করে না সে। কল্পনা প্রতিভা বা কল্পনা শক্তিটি সুউজ্জ্বল, তীব্র, সক্রিয়, কিংবা জীবন্ত হতে থাকে কেবল মাত্র দু’বছর বয়স থেকে। বয়সের এক একটি সিঁড়ি অতিক্রমের সঙ্গে সঙ্গে কল্পনার অঙ্কিতমূর্তি গতিশীল হয়। শিশু সু-স্পষ্ট ও পরিচ্ছন্নরূপে কল্পনার সুক্ষ্মজাল বোনার ক্ষমতা বুঝতে সময় লাগে। তারপরও শিশুর মন থেমে থাকেনা। কল্পনা চলতেই থাকে অবিরাম গতিতে। কারণ, শিশু কল্পনার মাধ্যমেই আনন্দ অনুভব করে। দৈনন্দিন জীবনের দেখা, শোনা বা অন্য অভিজ্ঞতালব্দ স্মৃতির ওপর ভর করে শিশুর কল্পনার ঘুড়ি বিস্তৃৃতি লাভ করে। বিশেষ করে শিশুর মনে নতুন নতুন কল্পনা সৃষ্টি হয় যদি তার সামনে কিছু পাঠ করা হয়। গল্পাকারে যদি কোনো কিছু উপস্থাপন করা হয়, টেলিভিশনে সুন্দর ছবি বা কমিক্স দেখানোর মধ্যদিয়েও এটি বহুলাংশে সম্ভব হয়। ছবির বই দেখিয়ে কিছু শেখানো যেতে পারে। যতো বেশী চিত্তহারী চমকপ্রদ ও নানন্দিকতা শিশুর চারপাশকে ঘিরে রাখে, ততো বেশী তার অভিজ্ঞতার সঞ্চয় হয় এবং স্পষ্ট ও জোরালোভাবে মনে রাখতে পারে সে। আকর্ষণীয় সব ধরণের স্মৃতি কল্পনা প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যে কারণে শিশুর জন্মে পর থেকেই বাবা-মা তাকে মুক্ত পরিবেশ, সার্বক্ষণিক ভালো দৃশ্য, ভালো শব্দচয়ন, শ্রুতিমধুর ভাষাপরিবেশ সর্বোপরি নিরাপত্তা বিধানে অগ্রণীভূমিকা পালন করতে হয়।
কারণ, কল্পনা ও বাস্তবতার ফারাক শিশু বড়দের মতো বোঝেনা। তাদের ক্ষেত্রে প্রায়ই ভাল মন্দের কল্পনা ও বাস্তবতার বিষয়টি এলোমেলো হয়ে যায়। শিশুর এ ধরণের ভুলের ব্যাপারে মা-বাবা নিজেদের ধারণা নিয়ে বসে থাকেন, বইয়ের পড়া গল্পটি কিংবা টেলিভিশনে দেখা ছবিটি বাস্তব নয়, কল্পনায় গড়া; বাস্তববতা এবং কল্পনার মিশ্রন সমস্যার সৃষ্টি করে। কিন্তু শিশু যখন কোনও ধরণের দৃশ্য দেখে কিংবা কোনও লেখা পড়ে ভীত হয়, ভেঙ্গে পড়ে, তখন বাবা-মাকেও আতঙ্কিত হতে দেখা যায়। রাতে যখন ঘুমের ঘোরে শিশু আতঙ্কিত হয়, তখন বাবা-মা ব্যাকুল হয়ে ওঠেন। কল্পনাপ্রবণ মন থেকে শিশুর এ ধরণের প্রতিক্রিয়া ঘটে। বাবা-মার বিষয়টি জানা থাকা উচিৎ।
আমরা প্রায়শই দেখি, কোনো ছবির একটি গাছকে যদি মানুষের ভূমিকায় দেখানো হয়, আর যদি গাছটি শাখা-প্রশাখা মানুষের হাতের মতো ব্যবহৃত হতে দেখা যায় এবং ওইসময় এর নীচ দিয়ে যাওয়ার সময় গাছটির ডালাপালা নিচে নেমে এসে শিশুটিকে ধরতে চায়, তাহলে শিশুটি কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়ে। যদিও বাবা-মা এ দৃশ্যটিকে দেখে মজাদার ঘটনা হিসেবে এবং এ দৃশ্যটির বাস্তব কোন ভিত্তি নেই তাও বোঝে। কিন্তু শিশুর ক্ষেত্রে এর ব্যতক্রম মনে হয়। সে এড়িয়ে চলে গাছপালা। তার মনে বাসা বাঁধে, গাছের ডাল নেমে এসে তাকে ধরে নিয়ে যাবে হয়তো! প্রাথমিক শৈশবে কল্পনা শক্তির চমক নানা ঢঙে সাধারণত আসে। বহুলাংশে কল্পনায় ক্ষতির সম্ভবনা কম থাকলেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা ক্ষতির কারণও হতে পারে। কারণ, কল্পনার মাধ্যমেই বাস্তবতা সম্পর্কে শিশুর মনে ভুল বিষয়টি বদ্ধমূল হতে পারে। গড়ে উঠতে পারে ভুল ধারণা। কল্পনার মাধ্যমে শিশুর মনে সার্বক্ষণিক তৃপ্তি জেগে থাকে এবং বিষয়টি শিশুর অভ্যাসে পরিণত হয়ে থাকে। যা পরবর্তীতে ব্যক্তিগত ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে নিজেকে মানিয়ে নিতে সমস্যার সৃষ্টি করে। অবশ্য শিশু বড় হওয়ার পাশাপাশি এ ধরনের আচরণগত সমস্যা কমে যায়। ইতিমধ্যে শিশুটি শিখে নেয় প্রকৃত কল্পনার বিষয়সমূহ। বাস্তবসম্মত উপায়ে তৃপ্ত হওয়ার উৎসও তখন সে পেয়ে যায়। আর এভাবে বাস্তব জগতে পদার্পন করে শিশু।
এ ক্ষেত্রে আমরা প্রাথমিকভাবে শিশুর কল্পনাসমৃদ্ধ অভিজ্ঞতার ধরণকে ৬ ভাগে ভাগ করতে পারি। ১.দিবাস্বপ্নঃ-জেগে থাকাবস্থায় দিবা স্বপ্নে মগ্ন হয় শিশু। অলীক অথবা বাঁধনহারা কল্পনার স্রোতে ভাসে তখন সে। উদ্ভট কল্পনার রথও এ সময় তাকে টেনে নেয় অজানা দূর সীমানায়।
২.কাল্পানিকবন্ধুঃ শিশু যেমন বাস্তবের বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে পছন্দ করে, তেমনি পছন্দনীয় কাল্পনিক বন্ধুও বাছাই করে থাকে সে। কাল্পানিক বন্ধুর সঙ্গে সে খেলে। বাস্তব বন্ধুর সব ধরনের বেশিষ্ট্য কাল্পনিক বন্ধুর মাঝে খুঁজে পায়।
৩.কল্পানিক অসুস্থতাঃ শিশু কল্পনায় নিজের দেহের কোথাও ব্যথা অনুভব করে। ব্যথার তীব্রতাও ধরণ একদম বাস্তব ব্যথার মতোই অনুভুব হয়। শিশুরা অন্যকে মোটেও বোকা বানানোর জন্য এমনটি করে না, অন্যকে কখনও বোকা ভাবে না। বাবা-মাকে এটি বুঝতে হবে।
৪.সববস্তুর প্রাণ আছে বিশ্বাস; সর্বপ্রাণবাদঃ শিশু সববস্তুর অস্তিত্বে প্রাণের অন্বেষণ করে। মনে মনে সে বিশ্বাস করে, খেলনা পুতুল, ফার্ণিচার, পাথর বাতাস সব কিছুরই প্রাণ আছে। প্রাণী জগতে জীবনের অস্তিত্বের মতো জীবন খুঁজে পায় সে খেলনাটির ভেতর। এমনকি চেয়ারে বসতে গিয়ে ওঠে দাঁড়ায় শিশু। ইত্যাদি নানান ঢঙে শিশুর সর্ব প্রাণবাদ কল্পনাটি ঘুড়ে বেড়ায় তার মাঝে।
৫.অতিরঞ্জন বা অতিকথনঃ-চারপাশের মানুষ কিংবা বস্তু সম্পর্কে শিশু অনেক কিছু বলতে পারে, বেশী কিংবা বাড়িয়ে বলার প্রবণতা অনেকের মাঝে দেখা যায়। যা বলে তা সাধারণত বিশ্বাস করার কারণেই বলে। বিষয়টি নিয়ে যতোই চিন্তা করবে ততোই অতিরঞ্জনের মাত্রা বেশী দেখা যায় শিশুদের মাঝে।
৬.স্বপ্নঃ-স্বপ্ন আসে ঘুমের মাঝে। দিবাস্বপ্ন চলতে থাকে জাগা অবস্থায়। স্বপ্ন বনাম দিবাস্বপ্নের এটিই বড়ো পার্থক্য। এমনও হতে পারে, ঘুমের মাঝে চিৎকার করে কেঁদে উঠতে পারে শিশু। দুঃস্বপ্নের কারণে এমনটি ঘটতে পারে। শিশুকে তখন ভীতসন্ত্রস্ত কিংবা আতঙ্কগ্রস্ত মনে হবে। উপরোল্লে¬¬খিত বিষয়সমূহে প্রতিটি বাবা-মাকে অবগত থাকতে হবে-শিশুর কল্পনা-প্রতিভার বিকাশ লাভে। মনে রাখা বাঞ্জণীয়, আপনার শিশুটিই যথাযথ যতœ ও গাইডলাইন পেলে হয়ে উঠবে এক সময় দেশরতœ-অমূল্য সম্পদ। আবার এর উল্টোটিও হতে পারে বাবা-মায়ের অবহেলা কিংবা না বোঝার কারণে। কোনও বাবা-মা যদি মনে করেন, ভাল স্কুলে ভর্তি করলেই শিশুটি ভালো কিছু অর্জন করবে, না, তা সঠিক নয়। কারণ, শিশু স্কুলে অবস্থান করে ৪/৫ ঘন্টা আর বাকী সময়টুকু বাবা-মার কাছেই। বিশেষ করে মায়ের। বাবা-মা যদি শিশুকে না বোঝে, সঠিক দিক-নির্দেশনা দেয়, শারীরিক পরিযর্চা ও মনন পরিচর্চায় এবং তার সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে যথাযথ ভূমিকা পালন না করেন, তাহলে শিশু থেকে ভালো কিছু করবেন কিভাবে? অনেক অভিভাবক মনে করে, আমার বাচ্চা অপেক্ষা তার বন্ধুটি বুদ্ধিমান। না, এ ধারণাটি সঠিক নয়। কারণ, জীববিজ্ঞানের দৃষ্টিতে সকল মানুষই সমান। মানুষের বিশে¬¬ষণমূলক চিন্তন ক্ষমতা ও উদ্ভাবনী যোগত্য অন্যসব জীবিত প্রাণীসমূহের থেকে তাকে স্বতন্ত্র করে তুলেছে। মানবজাতি অবিরাম নতুনের অনুসন্ধানরত। সুতরাং এমন ভাবার অবকাশ নেই। পারস্পরিক শিশুর ক্ষেত্রে পার্থক্য দেখা গেলে, মনে করতে হবে শিশু জন্ম লাভের পর থেকে তার মানসিক বিকাশ লাভে যথাযথ গাইডলাইন প্রদান করা হয়নি। অনেক সময় দেখা যায়, শিশুটিকে তার বাবা বারবার একটি বিষয় শেখাচ্ছে কিন্তু শিশুটি পুরোপুরি আয়ত্তে নিতে পারছেনা। আবার শিশুর মা যখন পড়াচ্ছে তখন ঠিকই সে অকপটে তা পারছে। এখানে বুঝাতে হবে, পদ্ধতি ও আচরণগত দিক দিয়ে শিশুর মা-ই উত্তম। এমনটি শিক্ষকের ক্ষেত্রেও হয়ে থাকে। আসল কথা হলো, শিশুর সঙ্গে বন্ধুত্বসুলভ আচরণই তার প্রতিভাকে বিকশিতে করতে সহায়তা করে। সামগ্রীক অর্থে বাবা-মাকে সচেতন না হলে শিশু কখনই বড় মানসিকতা সম্পন্ন হয়ে গড়ে ওঠে না। সবচেয়ে বড় কথা শিশুকে প্রকৃতই বড় করে গড়ে তুলতে হলে, বাবা-মায়ের সম্যক জ্ঞান অর্জন জরুরি।

লেখক: কবি, কলামিস্ট ও সংগঠক
গৌরীপুর, দাউদকান্দি, কুমিল্লা।
তারিখ:১৬.০৯.১২

Check Also

চার দিন ধরে নিখোঁজ তিতাসের দ্বীন ইসলাম

  নাজমুল করিম ফারুক, তিতাস :– কুমিল্লার তিতাসের উত্তর বলরামপুর গ্রামের মনির সরকারের ছেলে দ্বীন ...

Leave a Reply