সাংবাদিকতা করলে মার খেতে হয়- সাংসদ লোটাস কামালের সাফ জবাব – তবে আপত্তি নাই

জামাল উদ্দিন স্বপন :

সাংবাদিকতা করলে মার খেতে হবে এমন সাফ জবাব দেন কুমিল্লা থেকে নির্বাচিত কুমিল্লা (দ:) জেলা আ’লীগের আহ্বায়ক, আ’লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক, অর্থমন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, বিসিবির সভাপতি, আই সি সি’র ভাবী সহ-সভাপতি সরকার দলীয় সংসদ সদস্য কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার বাগমারা ইউনিয়নের দূতিয়াপুর গ্রামের আ হ ম মুস্তফা কামাল ওরফে লোটাস কামাল এফ সি এ। স্কুল ও কলেজ জীবনে যার নাম ছিল আজমত আলী, পরে এফিডেভিটের মাধ্যমে নাম পরিবর্তন করে আ হ ম মুস্তফা কামাল হয়েছেন।

গত ১৮ ডিসেম্বর নাঙ্গলকোট সুজন হোটেলের সামনে যুবলীগ সভাপতি আ. মালেকের পোষ্য ক্যাডার নাঙ্গলকোট জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরের নাইট গাইড’র ছেলে শাহীন ও মফিজ ডিলারের ছেলে পেশাদার সন্ত্রাসী যিনি বিভিন্ন মেয়াদে জেলখানায় সাজা ভোগ করেছেন। মো. জাফর সহ ৭/৮ জন সন্ত্রাসী সশস্ত্র অবস্থায় ( স্থানীয় পত্রিকা সবুজ পত্রের প্রধান সম্পাদক ও হাজারিকা প্রতিদিনের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি আমি) জামাল উদ্দিন স্বপনের উপর হামলা চালিয়ে মারাত্মক জখম করে আধমরা অবস্থায় রেখে চলে গেলে পরবর্তীতে জনসাধারণ ও পুলিশ উদ্ধার করে সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে প্রাথমিক চিকিৎসার পর আমার জ্ঞান ফিরলে আমি অভিভাবক হিসেবে স্থানীয় সাংসদ লোটাস কামালের নিকট আমার উপর হামলার বিশদ বিবরন দিয়ে বিচার দেই। কিন্তু লোটাস কামাল আমাকে সাংবাদিকতা করলে মার খেতে হয় বলে সাফ জবাব দেয়। ‘যাহা কাটা গায় নুনের ছিটা’। আমি জনাব লোটাস কামাল কে বিশ্বাস করে ছিলাম তিনি ভোটের সময় বলে ছিলেন তার ক্ষমতামলে কেহ সন্ত্রাস করতে পারবেনা এবং থানায় কোন মিথ্যা মামলা দিতে পারবে না। কিন্তু সন্ত্রাসীরা আমার উপর হামলা করে আমার বিরুদ্ধে আদম বেপারীর অভিযোগ এনে থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে।

লোটাস কামালের কথার সাথে কাজের মিল থাকবেনা আমার সেটা ধারনা ছিলনা। লোটাস কামাল কে নাঙ্গলকোটবাসী আগে চিনতে পারে নাই কিন্তু এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে, তিনি কেমন! তিনি যে আর সারা জনম চেষ্টা করে নাঙ্গলকোট থেকে এমপি নির্বাচিত হবেন না সে সত্যি কথা লিখতে গিয়ে যদি সাংবাদিক মার খায় তবে আপত্তি নাই। শেয়ার বাজারে ক্ষুদ্র বিনিয়োগ কারীদের অর্থ লুটপাট করার সংবাদ প্রকাশ করার পর যদি মার খেতে হয় তাহলেও আপত্তি নাই। সাংসদকে দিনের পর দিন চেষ্টা করে মোবাইলে পাওয়া যায় না সে খবর পত্রিকা লেখার পর যদি মার খেতে হয় তাহলে আপত্তি নাই। নাঙ্গলকোট আ’লীগের নেতাকর্মী সমর্থক ও ভোটারগন এমপি লাল না নীল, সাদা না কালো, হুলুদ না বেগুনী সেটা বুঝার সুযোগ হচ্ছে না এটা লেখলে যদি সাংবাদিকের মার খেতে হয় তাহলে আপত্তি নাই। নাঙ্গলকোটের এমপি লোটাস নাকি রতন বাবু সেটা লিখলে যদি মার খেতে হয় তাহলে আপত্তি নাই। রতন বাবু বিভিন্ন ইউনিয়নে বিএনপি জামায়াত পন্থি লোকদের টাকার বিনিময়ে চাকুরীর সুপারিশ করছেন এবং তাদের চাকুরী হচ্ছে। সে খবর সংবাদ পত্রে লিখলে যদি মার খেতে হয় আপত্তি নাই। যে মূহুর্তে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে সারা জাতি সোচ্চার ঠিক সে মূহুর্তে সরকার দলীয় সাংসদ হয়ে যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমার কথা বলেন এবং তার মাঝে জামায়াত প্রীতি লক্ষ্য করা যায় সে খবর যদি পত্রিকা লেখা হয় তার জন্য মার খেতে হয় তাহলে আপত্তি নাই। দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের মূল্য না দিয়ে শুধু অর্থলোভী সাদেক আলী ও মালেক শাহী মূল্যায়ন করা হয় আর সে খবর পত্রিকা লিখলে মার খেতে হয় তাহলে আপত্তি নাই। যে কোন আচার অনুষ্ঠান সভা সেমিনারে লোটাস ছাড়া আর কারো বক্তৃতায় সুযোগ না থাকা শুধু তিনি বলবেন আর কারো কথা শুনবেনা, নিজেকে দেশের একমাত্র ওয়ান (১) পিস মনে করেন এবং শেখ হাসিনার পরে উনার স্থান বলে নিজের ঢোল নিজে পিটায়ে ভাঙ্গতে থাকেন। নেতাকর্মীদের চোখে ও মুখের দিকে তাকিয়ে কথা না বলে হাঁটতে হাঁটতে কথা বলেন, নিজের ভুরিভোজ ঠিক রেখে সঙ্গী সাথীদের খবর না রাখেন, ডিও লেটার আনতে গিয়ে যদি ক্লার্ক জসিমকে ৫০০ টাকা ফি দিতে হয়। রতন বাবুকে ঘুষ দিয়ে ঠিকাদারী কাজ নিতে হয় এবং রতন বাবু আ’লীগের এক বিতর্কিত ব্যক্তির কব্জায় বন্দি হয়ে সর্বক্ষন তার কাজ নিয়ে এলজিইডি কুমিল্লা ও হেড অফিসে ফাইল নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করেন এবং সহজে কারো ফোন রিসিভ না করেন, সাংসদের দোহাই দিয়ে তার ভাইয়ের এজেন্ট মক্রবপুরের ডা: জাহাঙ্গীর ও পেরিয়ার হুমায়ুন ঘুষ বাণিজ্য করে প্রাইমারী স্কুলের চাকুরী দেয়ার অজুহাতে লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করার খবর পত্রিকা প্রকাশ পাওয়ার কারনে যদি সাংবাদিক মার খায় তাহলে আপত্তি নাই। জোড্ডা ইউনিয়ন আ’লীগের সহ-সভাপতি ডা: মালেক থেকে তার মেয়ে কে প্রাইমারী স্কুলের চাকুরীর কথা বলে লাখ টাকা নিয়েছেন তাদের কথা লিখে পত্রিকা প্রকাশ করার পর যদি মারখেতে হয় তাহলে আপত্তি নাই। পেরিয়া ইউনিয়নের আশারকোটা গ্রামের বিএনপি নেতা যিনি ২০০১ সালের নির্বাচন পরবর্তী ঐ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আ. হামিদের বাড়ী ভাংচুরের নেতৃত্বদানকারী তাজুল ইসলাম বর্তমান সাংসদের সুপারিশে পুনারায় কাজীর লাইসেন্স পায় আর সেটা যদি সংবাদ প্রকাশ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয় সে লেখার জন্য মার খেলে আপত্তি নাই। আ’লীগের নেতাকর্মীরা অভিভাবকহীন অবস্থায় অসহায় এতিমের মত থাকার কথা পত্রিকা লেখা হয়। যদি সাংসদকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মিলনমেলা দেখা না যায়, ইফতার পার্টি ও ঈদ পূনমিলনী না হয়, যেখানে বিএনপি নেতা মোবাশ্বের আলমের ইফতার পার্টিতে আ’লীগ নেতাকর্মীদের উপস্থিতি বেশী লক্ষ্য করা যায়। যার অর্থ সাংসদ লোটাস কামালের প্রতি নেতা কর্মীদের মুখ ফিরানোর অবস্থা তুলে পত্রিকা লেখা হয় এবং সে লেখার জন্য সাংবাদিক মার খেলে আপত্তি নাই। মাননীয় সাংসদ আপনি হয়তো জানেন না নাংগলকোটে আ’লীগের সার্বিক অবস্থা কেমন চলছে, আমাদের ধারনা ছিল আপনি সহজেই স্থানীয় দুষ্কৃতিকারীদের চিহিৃত করেছেন। নির্বাচনের সময় দেখলাম সন্ত্রাসী মালেক কে আপনার গাড়ীতে উঠতে দেননি, সাদেক প্রফেসার কে উন্নয়ন কমিটিতে রাখেন নি, এখন দেখা যাচ্ছে ‘যে লাউ সে কদু’ আপনি হয়তো জানেন না এরা গুটি কতেক লোক জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়াকে ডুবাইয়াছে। পাহাড় পরিমান জনপ্রিয়তা থাকার পরও অর্ধলক্ষ ভোটের ব্যবধানে ফেল করেছে। সে দিন জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়ার প্রতি বিরক্ত হয়ে নয়, মানুষ বিরক্ত হয়েছিল কোদালীয়া বাহিনীর অত্যাচারে, সাদেক গংদের দুর্নীতি ক্ষমতার অপব্যবহার। এরা কোন দিন বিএনপি জামায়াতের কোন নেতাকর্মীর টিকিটি ছিঁড়তে পারেনি। এরা অত্যাচার করে এলাকার নিরীহ আ’লীগ নেতাকর্মীদের উপর। এই সন্ত্রাসী মালেক হাত তুলেছে মুক্তিযোদ্ধা এছাক কমান্ডারের ছোট ভাই মতিনের উপর। মতিন সারা নাঙ্গলকোটের মানুষের কাছে ভদ্র সদা হাসিখুশী টাইপের লোক, গায়ে হাত তুলেছে কৃষকলীগের সেক্রটারী হাজী আ. রশিদের গায়ে হাত তুলেছে ছাত্রলীগ নেতা গোত্রশালের সাদেকের গায়ে, আর অন্যান্য ইউনিয়নের হিসাব নাইবা দিলাম। সাদেক প্রফেসার বিআর ডিবি চেয়ারম্যান পদে ফেল করার পর এক ভোটারের গায়ে প্রশ্রাব করে দিয়েছিল, লুঙ্গি তুলে পুরুষাঙ্গ মুখে লাগিয়ে অস্ত্রের মুখে হা করার জন্য নির্দেশ দিয়েছিল এবং বলেছিল সবগুলো প্রশ্রাব খাবি। সে কে ছিলো এবং এরা কারা একটু খবর নিয়ে দেখেন, এরা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে বর্তমানে আপনার আশকারা পেয়ে। থানার সামনে সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের সামনে সবসময় বসে থাকে মালেক গং, যারা মামলা করতে আসে কেহই রেহাই পায়না তাদের হাত থেকে। সুতরাং আপনিও বুঝতে পারবেন আগামী নির্বাচনে যখন ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হবেন। আ‘লীগ ক্ষমতার আমলে এরাই শুধু সব লুটেপুটে খেতে চায়, কাউকে সুযোগ দিতে চায় না এবং দলীয় লোকও তাদের থেকে রেহাই পায়না।

আজকে যেমন আপনি নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করছেন না তেমনি আগামী নির্বাচনে নেতাকর্মীরা আপনার মুখের দিকে তাকিয়ে কথা বলবেনা, চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলবেনা, সে দিন বুঝতে পারবেন কোথায় ভুল করছেন। আবশ্যক আপনার অসুবিধা হবেনা। কারন আপনি ফেল করলে হয়ত পরবর্তী পাঁচ (৫) বছর নাঙ্গলকোট যাবেন না, কিন্তু নাঙ্গলকোটে আ’লীগ অনুবীক্ষন যন্ত্র দিয়ে খুঁজে পাওয়া যাবেনা।

আপনি নিজেকে অত বড় ভাবার কোন কারন নাই, আপনি বঙ্গবন্ধুর ঔরসজাত সন্তান নয়, এবং আদর্শের সন্তানও নয় ‘বঙ্গবন্ধু’ কন্যার বিশেষ নজর পড়ে রাজনীতিতে এসে এমপি হয়েছেন। আপনি কি একবার ভেবে দেখেছেন আপনার পিতৃ পরিচয় কি? আপনার পিতা কি করেছেন তা কুমিল্লা, লাকসাম ও নাঙ্গলকোটবাসী ভালভাবে জানেন। আপনি যদিও নিজেকে শেখহাসিনার পরের স্থান মনে করেন দেশবাসী কিন্তু কোনভাবেই মনে করেন না।

আমি একটি পত্রিকার সম্পাদক, আমার পত্রিকায় সাংবাদিক নিয়োগ দেয়া আছে তারা সংবাদ সরবরাহ করে আমার দায়িত্ব ছেপে দেয়া। এ দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি মারখেতে হয় তাহলে আপত্তি নাই। সাদেক প্রফেসার একই গ্রামের অন্যের স্ত্রী রৌশনারা বেগমের সাথে পরকীয়া প্রেম প্রেম খেলা খেলেছিল। সেটা আমি বেতাগাঁও গ্রামে পাহারা দিয়ে খবর নেয়নি। রৌশনারা আত্মহত্যা করতে গিয়ে করতে পারেনি সেটা আমি রক্ষা করেনি। সাদেক আলী অনেক ছাত্রীর সম্ভ্রমহানী করেছে যারা ইজ্জতের খাতিরে কাউকে জানাযায়নি সেটা আমি বসে পাহারা দিয়ে খবর আনিনি। এখন সাদেক আলীর এ সকল খবর পত্রিকা প্রকাশ হওয়ার আমায় সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিবে এর আগে লাকসাম উপজেলা চেয়ারম্যান মজির আহম্দ কে দিয়ে আমাকে দমাবার চেষ্টা করেছে, দমাতে পারেনি। সাদেক প্রফেসারের প্রতি বিনীত অনুরোধ , আসলে প্রফেসারের কোন যোগ্যতা আপনার নাই। তবুও নিজেকে সাদেক প্রফেসার পরিচয় দেন। মানুষ বলে তাই আমিও বলি। সন্ত্রাসী লেলিয়ে না দিয়ে নিজে পিস্তল নিয়ে আসুন শার্টের সকল বোতাম নিজহাতে খুলে বুক ফুলিয়ে দিবো যত পারেন গুলি করেন। যতক্ষন পর্যন্ত দম না যায়। আপনি হয়তো জানেন না ডেইলি স্টারের সম্পাদক কে সন্ত্রাসীরা যখন গুলি করতে গিয়েছিল তিনি ধপাশ করে শার্টের বোতাম খুলে সন্ত্রাসীদের বলেছিল কর গুলি, ভয় করি না, বেঁচে থাকলে লেখা বন্ধ হবে না। আপনি সাদেক প্রফেসার একসময়ে সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়েছিলেন দৌলতপুরের আলম কিরনের উপর। আলম কিরনের অপরাধ সে “নাঙ্গলকোট কলেজ নকল চলছে অবাধে” শিরোনামে তৎসময়ে দৈনিক রূপসীবাংলায় সংবাদ ছেপেছিল। বর্তামানে আলম কিরন দেশের ডাকসাইটের সাংবাদিক এবং একটি দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক আর আপনি সাদেক নাঙ্গলকোট্ কলেজ না হলে সেই সারের দোকানদার থাকতেন।

আর মাননীয় সাংসদ লোটাস কামাল সাদেক মালেক কে সেইফ করার জন্য সাংবাদিকতা করলে মারখেতে হয় সোজা সাপটা জবাব দিয়ে দিলেন। মাননীয় সংসদ সদস্য আপনি জেনে রাখুন আপনার পরাজয়টা না দেখে হয়তো মৃত্যুবরন করবো না। বিধাতা যেন ঐ পর্যন্ত হায়াত দেন সে কামনা করি।

সাংবাদিকতা পেশা ঝুঁকিপূর্ণ কাজ সেটা জেনেই সাংবাদিকরা সাংবাদিকতা করে। শুধু বাংলাদেশে না পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আক্রোশের শিকার হয়ে অনেক সাংবাদিকের প্রাণহানি ঘটেছে। তারপরও সাংবাদিক বিলুপ্ত হয়নি। জানি আমার ও প্রাণনাশের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিদিন ঘর থেকে বের হওয়ার সময় মৃত্যুর পরোয়ানা মাথায় নিয়ে বের হই। তার পরেও থেমে যাবনা। লেখা চলতে থাকবে। আমি একজন চলে গেলেও এদেশে লাখ লাখ সাংবাদিক রয়েছে। তাদের দীর্ঘায়ু কামনা করি। তারা যেন সমাজের সন্ত্রাসী, চোর ডাকাত, দুর্নীতিবাজ পরের ধন আত্মসাত কারী, লুচ্চা বদমায়েশদের বিরুদ্ধে লেখে যেতে পারে।

হে প্রিয় পাঠক পরবর্তীতে আরো বিশদভাবে লেখার ইচ্ছা রইল। আপাতত আল্লাহ হাফেজ।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...

Leave a Reply