কচুয়ায় নিন্মমানের শাহ্ সিমেন্ট ব্যবহার করে ঝুঁকির মুখে রয়েছে ইমারত॥ ব্যবহারকারীরা আতঙ্কে!

আলমগীর তালুকদার, কচুয়া চাঁদপুর ২৯ডিসেম্বর সংবাদদাতা :

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় নিন্মমানের শাহ সিমেন্ট ব্যবহার করে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ইমারত। গুণগত মাননিয়ন্ত্রন ছাড়াই ISO 9001: 2001 সনদ প্রাপ্ত এ কোম্পানীর সিমেন্টে কচুয়ার বিভিন্ন অঞ্চল সয়লাব হয়ে গেছে। শাহ সিমেন্ট ব্যবহার করে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে ব্যবহারকারীরা। উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের পরানপুর হাজী বাড়ির মোঃ হেদায়েত উল্লাহ পাকা ঘর নির্মান করতে ৫ ডিসেম্বর ৭০ বস্তা শাহ সিমেন্ট কচুয়ার তালুকদার ট্রেডার্স থেকে ক্রয় করেন। সিমেন্টের মিক্সার দিয়ে কলাম তৈরি করার পর জমাট না বাধার কারণে কলামগুলো ধ্বসে পরে। একই গ্রামের আবদুল বারেক তার পাকা ঘর নির্মানের জন্য শাহ সিমেন্ট ব্যবহার করে একই রকমের সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় তার ইমারতটিও ঝুকির মধ্যে রয়েছে। তার কাছে নভেম্বর ও ডিসেম্বরে উৎপাদিত শাহ সিমেন্ট এখনও মজুত রয়েছে। না জেনে যারা শাহ সিমেন্ট ব্যবহার করে ইমারত তৈরি করে ফেলেছে তারা রয়েছে আতঙ্কে। কচুয়া শাহ সিমেন্টের ডিলার মেসার্স ইসলামিয়া এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মোঃ আবদুল হাই বলেন, ‘এটা পুরনো ঘটনা’ একথা বলেই আর কোন কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। কচুয়া বাজারের সিমেন্ট ব্যবসায়ী মোঃ শাহজাহান তালুকদার বলেন নিন্মমানের শাহ সিমেন্টের অভিযোগ বিভিন্ন গ্রাহকের কাছ থেকে পেয়েছি। কোম্পানীর প্রতিনিধিকে অবহিত করলে তার নিন্মমানের এ সিমেন্ট বাজার থেকে তুলে নিবে বলে জানায়। এ বিষয়ে শাহ সিমেন্ট কোম্পানীর চাঁদপুর জেলার এরিয়া ম্যানেজার শাহ আলমের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে সাংবাদিক পরিচয় জেনে কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে যান। ISO 9001: 2001 সনদ প্রাপ্ত ও বিএসটিআই অনুমোদিত প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির নিন্মমানের সিমেন্ট কোন প্রকার পরীক্ষা নিরিক্ষা ছাড়া কিভাবে বাজারজাত হয়েছে তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে!

Check Also

যে কোনো আন্দোলন-সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে : বিএনপি

চাঁদপুর প্রতিনিধি :– চাঁদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সাধারণ সভায় বক্তারা বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম ...

Leave a Reply