কুমিল্লা বিএনপির কোন্দল চরমে : দলের নিষেধ অমান্য করে মেয়রপদে নির্বাচন করছেন সাক্কু

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী,কুমিল্লা :

নির্বাচন বর্জনের যাবতীয় কার্যক্রম ঘিরে দিনদিন স্পষ্ট হয়ে ঊঠছিল কুমিল্লা (দক্ষিণ) জেলা বিএনপির দুই গ্র“পের অমিল দৃশ্য। জেলার সভাপতি জোর গলায় বলেছেন দলে কোন্দল নেই। কিন্তু দলের অপর অংশের নেতা মনিরুল হক সাক্কুকে বাদ দিয়ে কুসিক নির্বাচন সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলন, স্মারকলিপি দেয়াসহ অন্যান্য রাজনৈতিক কর্মসুচি পালনের বিষয়টি দলের দুই অংশের বিরোধ ও দুরত্ব বাড়াচ্ছিল । পরে মনিরুল হক সাক্কু দলীয় সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে মেয়র পদে মনোনয়নপত্র কিনে জমা দিয়ে তাতে ঘি ঢেলে দিলেন। ফলে কোন্দল এবার প্রকাশ্যে রূপ নিল। মনিরুল হক সাক্কু নিয়ন্ত্রিত জেলা বিএনপির একটি অংশকে বাদ দিয়ে বেগম রাবেয়া চৌধুরী ও দলের সাধারণ সম্পাদক হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন নিয়ন্ত্রিত অংশ যেমনি কুসিক নির্বাচন নিয়ে দাবি দাওয়ার আন্দোলন বেগবান করতে পারেননি। তেমনি হাজী ইয়াসিন গ্র“পের সাথে সাক্কু গ্র“প ঐকমত্যে না পৌঁছে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে জনসমর্থন নিয়ে নির্বাচন করে আশানুরূপ ফলাফল নিয়ে সংশয় রয়েছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষক মহল। এদিকে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন (কুসিক) নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতি বহাল ও সেনাবাহিনী না থাকায় বিএনপি এ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে কুসিক নির্বাচনে শতভাগ ইভিএম ব্যবহার ও সেনাবাহিনীর বদলে র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশের পর্যাপ্ত ফোর্স মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত রদবদলের মনোভাব নেই নির্বাচন কমিশনের। কুসিক নির্বাচন নিয়ে কমিশনের স্পষ্ট বক্তব্য, ইভিএম ব্যবহার হবে বলে নির্বাচন বয়কট করতে হবে, কোনও দলের এমন ষ্ট্যান্ড নেয়া সঠিক হবে না। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, সহজ করার স্বার্থে কমিশন যে কোনও পন্থা অবলম্বন করতে পারে। এ অবস্থায় স্থানীয় বিএনপি কুসিক নির্বাচন বর্জন করায় দলের সিদ্ধান্তের বাইরে নগরবাসীর মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে নাগরিক কমিটির ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন অধুনা বিলুপ্ত কুমিল্লা পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় সদস্য মনিরুল হক সাক্কু। সাক্কুর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কুমিল্লার বিএনপি এখন দু’গ্র“পে প্রকাশ্যে বিভক্ত হয়ে গেল। মনিরুল হক সাক্কুকে বাদ দিয়ে কুসিক নির্বাচন সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কুমিল্লা (দক্ষিন) জেলা বিএনপির সভাপতি বেগম রাবেয়া চৌধুরী বলেন, সাক্কুকে আমি চিনি। সে দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ। দলের চেয়ারপার্সনের সামনে সাক্কু কথা দিয়েছে ইভিএম বাতিল ও সেনা মোতায়েন না হলে সে নির্বাচনে অংশ নেবে না। এরপরও যদি সাক্কু নির্বাচনে অংশ নেয় তাহলে এটা হবে দু:খজনক। তিনি দাবি করেন কুমিল্লা (দক্ষিণ) জেলা বিএনপিতে কোন কোন্দল নেই। অধুনা বিলুপ্ত কুমিল্লা পৌরসভার সাবেক মেয়র জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মনিরুল হক সাক্কু সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত না থাকার কারণ জানতে চাইলে বেগম রাবেয়া চৌধুরী বলেন, সাক্কুকে বলা হয়েছে সংবাদ সম্মেলনে থাকার জন্য। সে আমাকে বলেছে আসবে। কিন্তু আসেনি। আমার মনে হয়, সাক্কু ইভিএম পদ্ধতির বিপক্ষে কোন প্রচারণায় ব্যস্ত রয়েছে। এ প্রসঙ্গে মনিরুল হক সাক্কু মুঠোফোনে প্রতিবেদককে বলেন, আমাকে সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে দলের কেউ কিছু বলে নি। আমার যাওয়া না যাওয়া নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে রাবেয়া আপা মিথ্যা বলেছেন। নির্বাচনে অংশ নিবেন কিনা এ প্রশ্নের জবাবে তখন সাক্কু বলেছিলেন, আমি দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে পারি না। কিন্তু নির্বাচন করার জন্য আমার ওপর জনগণের চাপও রয়েছে। নগরীর জনগণের বিশাল অংশ নির্বাচন করার জন্য আমাকে চাপে রেখেছে। ইভিএম বাতিল ও সেনা মোতায়েন না করার বিষয়টি আমার প্রিয় নগরবাসীকে বুঝাচ্ছি। কিন্তু পরে সাক্কু দলীয় সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে মেয়র পদে মনোনয়নপত্র কিনে জমা দিয়েছেন। যার ফলে কুমিল্লা জেলা বিএনপিতে ইয়াসিন আর সাক্কু গ্র“পের কোন্দল আরো একবার প্রকাশ্যে রূপ নিল। এখন ইয়াসিন গ্র“প সাক্কু ঠেকাও আন্দোলনে নেমে পড়েছে, এদিকে সাক্কু দলীয় সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে মেয়র পদে নির্বাচন করে নির্বাচিত হওয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বলে সূত্র জানায়।

পূর্বে থেকে চলমান বিএনপির দুগ্র“পের কোন্দলঃ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটিতে দলের জাতীয় কাউন্সিলের দিন স্থায়ী কমিটিতে ৩ জন এবং পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণায় সহ সভাপতি পদে ২ জন, উপদেষ্টা হিসাবে ১ জন, সম্পাদক ও সহসম্পাদক পদে ৪ জন, নির্বাহী সদস্য পদে ৬ জনসহ কুমিল্লার ১৬ নেতা গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থান পান। দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে এ যাবতকালে কুমিল্লা থেকে এত সংখ্যক নেতা কখনো ছিলেন না। কুমিল্লা জেলা বিএনপিতে যে অন্তর্কোন্দল রয়েছে তা নিরসনে ওই নেতাদের মধ্যে দলের নীতি নির্ধারক পর্যায়ের দায়িত্বশীলরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারলেও তা হয়ে ওঠেনি। কেবল তাই নয়, বিগতদিনে দলের শীষর্ দায়িত্বে থেকেও অনেকে জেলা পর্যায়ের দলীয় কোন্দল মেটাতে পারেননি সদিচ্ছার অভাবে। পেছন ফিরে তাকালে দেখা যাবে কুমিল্লায় বিএনপির অন্যতম নেতা সাবেক মন্ত্রী লে:কর্ণেল (অব:) আকবর হোসেনের মৃত্যুর পর দলের প্রবীণ নেত্রী বেগম রাবেয়া চৌধুরী হাল না ধরায় দলটি জেলায় অভিভাবকশূণ্য হয়ে পড়ে। ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসাবে অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার দায়িত্ব নিলে দলের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আহমেদ তার জীবদ্দশায় দলের শৃঙ্খলা বজায় রাখার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু জাহাঙ্গীর আহমেদের মৃত্যুর পর প্রয়াত আকবর হোসেন গ্র“প নাকি বেগম রাবেয়া চৌধুরী গ্র“প কুমিল্লা জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির মূল নেতৃতে থাকবেন এনিয়ে দলের মধ্যে অন্তর্কোন্দল দেখা দেয়। এদিকে সদর আসনের এমপি আকবর হোসেনের মৃত্যুর কারণে শূণ্য হওয়া সদর আসনে উপনির্বাচনে অংশ নিতে বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর বন্ধু আকবর পুত্র সায়মন প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলে কুমিল্লা বিএনপিতে ত্রিমুখি দ্বন্ধ দেখা দেয়। দ্বন্ধের কারণে সদর আসনের উপনির্বাচনে দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া প্রার্থী হয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত উপনির্বাচন না হওয়া এবং ওয়ান ইলেভেনের পট পরিবর্তনের সময়ে জেলা বিএনপির একাংশের নেতা পৌর মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর আত্মগোপন ও আকবরপুত্র সায়মনের গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে কুমিল্লা জেলা বিএনপিতে প্রাধান্য ফিরে পায় রাবেয়া চৌধুরী গ্র“প। অবশেষে সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দেশে যখন নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হাওয়া শুরু হয় তখন কুমিল্লা সদরের রাজনীতিতে আলোচিত ব্যক্তি হয়ে ওঠেন রাবেয়া গ্র“পের অন্যতম নেতা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপির প্রার্থী হয়েও দলীয় অন্তর্কোন্দলের কারণে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হাজী আকম বাহাউদ্দিন বাহারের কাছে অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। একইভাবে দলীয় কোন্দলের কারণে উপজেলা নির্বাচনে স্ক্কাু গ্র“পের সিনিয়র নেতা ফজলুল হক ফজলু আওয়ামীলীগের প্রার্থী অধ্যক্ষ আবদুর রউফের কাছে মাত্র ৪৭ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন।

পরবর্তী সময়ে জেলা পর্যায়ে বিএনপির ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, পৌর এবং জেলা কমিটি গঠন এবং সম্মেলন ঘিরে সারা দেশের মত কুমিল্লাতেও চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার মধ্য দিয়ে শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে ২০০৯ সালের ২৪ নভেম্বর কুমিল্লা (দক্ষিণ) জেলা বিএনপির সম্মেলনে সভাপতি পদে বেগম রাবেয়া চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক পদে আমিন উর রশিদ ইয়াছিন ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোস্তাক মিয়াসহ তিন সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহসভাপতি বেগম সারওয়ারী রহমান। কমিটি ঘোষণায় বিস্মিত হন সাক্কু ও তার গ্র“পের নেতাকর্মীরা। তারা ঢাকায় গিয়ে দলের চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার কাছে এর প্রতিকার চান। সম্মেলনের পাঁচদিন পর ২৯ নভেম্বর ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ জেলা কমিটি কেন্দ্র থেকে অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে সাক্কু গ্র“পের নেতা-কর্মীদের বঞ্চিত রাখা হয়। এর মধ্যে সহসভাপতি পদে ফজলুল হক ফজলু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে মনিরুল হক সাক্কু, সমবায় সম্পাদক পদে আবদুর রউফ চৌধূরী ফারুকসহ অন্যদের সদস্য পদে রাখা হয়। গত বছরের ১০ অক্টোবর কুমিল্লা টাউনহলে জেলা যুবদলের সম্মেলনকে ঘিরে দুই গ্র“পের আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন প্রমান করেছে হাজী ইয়াছিন ও সাক্কু গ্র“পে কতোটা ভয়াবহ কোন্দল বিরাজ করছে। আবার এবছরের ৩১ জানুয়ারি বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরের উপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদে সাক্কু গ্র“প হাজী ইয়াছিন গ্র“পের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। নগরীর কান্দিরপাড়ে কুমিল্লা (দক্ষিণ) জেলা বিএনপির কার্যালয় মনিরুল হক সাক্কু গ্র“পের দখলে থাকলেও হাজী ইয়াসিন গ্র“প সেখানে দলীয় কর্মসূচি পালন করে থাকেন। দলীয় কোন্দলের এমনি সময়ে যখন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয়ে নির্বাচনের ঘোষণা আসে তখন দুই গ্র“পই নির্বাচনে অংশ নিতে প্রচারণায় নামে। নির্বাচন কমিশন কুসিক নির্বাচনে শতভাগ ইভিএম ব্যবহার এবং সেনাবাহিনীর প্রয়োজন নেই জানালে নারায়নগঞ্জের মতো কুমিল্লাতেও বিএনপি এর আপত্তি তোলে। আর এ আপত্তি ঘিরে কুসিক নির্বাচন বর্জনের পথে এগুতে থাকে বিএনপি। দলের চেয়ারপার্সনের নির্দেশে বিএনপির সম্ভাব্য দুই প্রার্থীর একজন হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন নির্বাচনী প্রচারণা থেকে বিরত থাকেন। সংবাদ সম্মেলন করে তিনি তার এবং স্থানীয় বিএনপির অবস্থান তুলে ধরেন। কুসিক নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতি বাতিল ও সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবিতে রিটার্নিং অফিসার আবদুল বাতেনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি দেন। এতে জেলা বিএনপির ওই দুইটি কর্মসুচিতে দলের অন্য প্রার্থী সাবেক পৌর মেয়র মনিরুল হক সাক্কুকে রাখা হয় নি।

মনিরুল হক সাক্কু জেলা বিএনপির একটি বড় অংশের নেতৃত্বে রয়েছেন। সাক্কু গ্র“পকে বাদ দিয়ে দলের সব ধরণের কর্মসুচি আলোর মুখ দেখবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় বিএনপির একাধিক সিনিয়র নেতা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা বিএনপির অধিকাংশ নেতা বলেন, সাক্কুকে ওইসব কর্মসুচির বাইরে রেখে জেলা বিএনপির ওই নেতারাই তাকে নির্বাচনমুখি করেছে। তারা দলের চেয়ারপার্সনের কাছে প্রমান করতে চেয়েছে সাক্কু দলের দলের কর্মসুচিতে না এসে দলীয় নিদের্শনার বাইরে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছে এবং নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে।

এদিকে নগরীতে গুজব ওঠেছে, মনিরুল হক সাক্কু জেলা বিএনপির অপর অংশের নেতা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিনের সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে সমঝোতা করছেন। সমঝোতাটি এরকম-আগামী সংসদ নির্বাচনে হাজী ইয়াসিন কুমিল্লা সদর আসনে আবার প্রার্থী হবেন। আগামী নির্বাচনে সাক্কু গ্র“পের পূর্ণ সমর্থন থাকবে হাজী ইয়াসিনের পক্ষে। আর আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি যেহেতু অংশ নিবেনা সেহেতু সাক্কু অন্য ব্যানারে মেয়র প্রার্থী হবেন। এতে হাজী ইয়াসিন গ্র“প সরাসরি বা প্রত্যক্ষভাবে মাঠে না থেকে পরোক্ষভাবে কৌশলী অবস্থানে থাকবেন সাক্কুর পক্ষে। তবে এ ধরণের গুজবের কোনও ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছেন সাক্কু ও হাজী ইয়াছিন গ্র“পের নেতারা।

এবার দেখার পালা দলীয় সমর্থন ব্যথিত সাক্কু কতটুকু সফল হবে আর ইয়াসিন গ্র“প সাক্কুর নির্বাচনে অংশ নেয়ার ব্যাপারটি কিভাবে দেখেন ? সময় বলে দিবে এই দুয়ের উত্তর ।

Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...

Leave a Reply