জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরীর মৃতুতে মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের “গভীর শোক’ প্রকাশ

এম.আমজাদ চৌধুরী রুনু :
অধ্যাপক কবির চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে অনার্সে ১৯৪৩ সালে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম এবং একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৪৪ সালে এমএতে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে স্বর্ণপদক অর্জন করেন।পরে ১৯৫৭-৫৮ সালে ফুলব্রাইট বৃত্তিধারী হিসেবে আমেরিকার মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কিন সাহিত্য সম্পর্কে এবং ১৯৬৩-৬৫ সালে সাদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোকপ্রশাসন সম্পর্কে উচ্চতর গবেষণা সম্পন্ন করেন এবং দীর্ঘ জীবন বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে কাজ করেছেন। অধ্যাপক কবির চৌধুরী ১৯২৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ব্রাক্ষণবাড&িৗ২৪৯২;য়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তবে তার পৈতৃক নিবাস নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার গোপাইরবাগ গ্রামের মুন্সী বাড়ি।তার পুরো নাম আবুল কালাম মোহাম্মদ কবীর।তবে অধ্যাপক কবীর চৌধুরী নামেই তিনি পরিচিতি লাভ করেছিলেন, তার ডাকনাম মানিক।শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী ছিলেন কবীর চৌধুরীর ভাই।১৯৩৮ সালে কবির চৌধুরী ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিকে সপ্তম স্থান অধিকার করেন।১৯৪০ সালে ঢাকা ইণ্টারমিডিয়েট কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় চতুর্থ স্থান অর্জন করেন।

পরে তিনি স্বেচ্ছায় সরকারি চাকরি থেকে অবসর নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজির অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন&ৗ২৫৫১; ১৯৯৮ সালে তিনি জাতীয় অধ্যাপক পদ লাভ করেন।এছাড&ৗ২৪৯২;া তিনি বাংলা একাডেমীর সভাপতির দায&িৗ২৪৯২;ত্ব পালন করছেন।জীবনের শেষের দিকে তিনি বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর স্তরে কালচার স্টাডিজকোর্সে খণ্ডকালীন অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেন।

জীবনদশায় তিনি অসংখ্য পুরুস্কার লাভ করেছেন।এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ১৯৬৮ সালে পূর্ব পাকিস্তান গভর্নর স্বর্ণপদক, ১৯৭০ সালে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৭৩ সালে রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী সম্মাননা পদক, ১৯৮৫ সালে অলক্ত স্বর্ণপদক ও সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৮৬ সালে নাসিরউদ্দিন স্বর্ণপদক, ১৯৮৯ সালে শেরে বাংলা পুরস্কার, ১৯৭৩ সালে বাংলা একাডেমী পুরষ্কার, ১৯৯১ সালে একুশে পদক, ১৯৯৪ সালে উইলিয়াম কেরী স্বর্ণপদক (ভারত), ১৯৯৪ সালে বঙ্গবন্ধু জাতীয় পুরস্কার, ১৯৯৭ সালে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার, ১৯৯৮ সালে সুফী মোতাহার হোসেন সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৯৯ সালে হোসেন শহীদ সোহ্‌&ৗ৮২০৪;রাওয়ার্দী জাতীয় পুরস্কার, ১৯৯৯ সালে কবি জসীমউদ্দীন পুরস্কার, ২০০১ সালে বিশ্ব বাঙালি সম্মেলন পুরস্কার, ২০০১ সালে বঙ্গবন্ধু স্বর্ণপদক, ২০০৪ সালে ওয়ার্ল্ড পোয়েট্রি গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড, ২০০৬ সালে বিশ্ব নাটক দিবস সম্মাননা, ভারতের ট্যাগোর পিস অ্যাওয়ার্ড, ২০১০ সালে গীতাঞ্জলি সম্মাননা পদক।

অধ্যাপক কবির চৌধুরী এর আত্মার শান্তি কামনা করে তার মৃত্যুতে শোক সপ্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞ্যপন এবং বিদেয়ী আত্নার মাগফেরত কামনা করেছেন মালযেশিয়া আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমীকলীগ। বিশিষ্ট লেখক, বুদ্ধিজীবী, মুক্তচিন্তার অধিকারী, অসাম্প্রদায়িক চেতনা লালনকারী, শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট বরেণ্য ব্যক্তিত, জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরীর মৃতুøতে-গভীর শোক প্রকাশ করেছেন, মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের সকল নেতৃবৃন্দ, প্রবীণ ও গুণী এই ব্যক্তিত্বের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে, তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন। এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সকলের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

শোকাহতরা হলেনঃ মালয়েশিয়া আ’লীগ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জনাব মোঃ জসিম উদ্দিন, সহসভাপতি জনাব মোঃ মকবুল হুসেন মুকুল, সহসভাপতি জনাব মোঃ আঃ করিম, জনাব মোঃ হাফিজুর রহমান ডাবলু, সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ রেজাউল করিম রেজা, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ রাসেদ বাদল, যুগ্ন-সম্পাদক জনাব মোঃ মাহতাব খন্দকার, জনাব মোঃ হুমায়ন কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব মোঃ শাহিন সর্দার, প্রচার সম্পাদক জনাব মোঃ কামাল হুসেন, যুবলীগ আহবায়ক জনাব কামাল চৌধুরী, যুবলীগ যুগ্ন আহবায়ক জনাব মোঃ মনসুর আল বাসার সোহেল, শ্রমিকলীগ সভাপতি জনাব মোঃ লিটন আজিজ দেওয়ান, জগৎনাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজ পথ কাপানো তুখোর ছাএনেতা ছাএলীগ মালয়েশিয়া শাখার সভাপতি জনাব জহিরুল ইসলাম জহির, মালয়েশিয়া আ’লীগ এর প্রস্তাবিত সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব মোঃ সাহাওয়াত হুসেন জোসেফ, প্রস্তাবিত দপ্তর সম্পাদক ও বাংলাদেশবার্তা ডট কম. ব্রাহ্মণবাড়ীয়া২৪ ডট কম, কুমিল্লাওয়েব ডট কম মালয়েশিয়া প্রতিনিধি জনাব এম.আমজাদ চৌধুরী রুনু, মালয়েশিয়া আ’লীগ নেতা জনাব মোঃ নুর মোহাম্মদ ভূইয়া, জালান ইপু শাখা সভাপতি জনাব এ.কে.এম. আবুল হুসেন প্রমূহ ।

Check Also

রিয়াদে জ্যাবের ‘অমর একুশে’ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ষ্টাফ রির্পোটার :– “অমর একুশের চেতনায় গন মানুষের মনে জেগে উঠুক উজ্জলতা উৎকৃষ্টতা” শীর্ষক আলোচনা ...

Leave a Reply