মতলবে ১৬০পরিবারের আবাসনে আছেন মাত্র ৪০পরিবার

আবাসনের অধিকাংশটাই খালি পড়ে আছে

শামসুজ্জামান ডলার, মতলব উত্তর (চাঁদপুর) :
চাঁদপুর জেলাস্থ মতলব উত্তর উপজেলার জহিরাবাদ ইউনিয়নের চরউমেদে নির্মিত ১৬০পরিবারের আবাসনে আছে মাত্র ৪০পরিবার। ১২০পরিবারই এই আবাসন ছেড়ে চলে গেছেন নিজ নিজ বাড়ীতে। ছোট পরিসরে বাড়ী নির্মান করে থাকা এখানে কোন সমস্যা না। কেননা, বিশাল এই চরে এমনিতেই অনেক জমি পতিত অবস্থায় পড়ে আছে। তাছাড়া, মৎস্য শিকার ও ব্যপক কৃষি কাজের সুযোগ থাকায় এখানে কেউ বেকার থাকেনা।

২০০৭ সালে উপজেলার মূল ভুখন্ডের পশ্চিম দিকে মেঘনা নদী পাড় হয়ে জহিরাবাদ ইউনিয়নের চরউমেদে ১৫একর জমির উপর নির্মিত হয় এই আশ্রয়ন প্রকল্পটি। নির্মানের পর ১৬টি ব্যরাকের ১৬০পরিবারের আবাসন প্রকল্পে ভূমিহীন, দুস্থ্য ও অসহায়দের মধ্যে এই আবাসনগুলো বরাদ্ধ দেবার কথা। কিন্তু এই আবাসনে বসতি উঠার ৬ মাসের মধ্যেই ১২০পরিবার আবাসন ছেড়ে চলে যাবার কারনে এই চরাঞ্চলে আবাসন প্রকল্পটি নির্মানের যৌক্তিকতা নিযে নানা প্রশ্নের নিয়েছে সচেতন মহলে।

সরেজমিনে চরউমেদের আবাসন প্রকল্পে গিয়ে দেখা যায়, অধিকাংশ ঘড়ই খালি পড়ে আছে। ভেঙ্গে পড়ছে দরজা-জানালা। ব্যবহার না হওয়া ঘড়গুলো দিনে দিনে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আবাসন প্রকল্পের ১৬টি চাপকরের মধ্যে মাত্র ৩ টি চাপকল সচল আছে। টয়লেটগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী হযে পড়ে আছে দীর্ঘ্যদিন ধরে। আবাসনের বাসিন্দা শুক্কুর আলীর সাথে কথা বলে জানা যায়, আবাসনের বাসতিদেরকে প্রকৃতির ডাকে সারা দিতে নিকটস্থ ঝোপ-ঝাপরায় চলে যেতে হয়।

চরউমেদের আবাসনে যেই বসতিরা আছেন দীর্ঘ্যদিনেও তাদের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয়নি। তারা মৎস্য শিকার ও ফসলী মাঠে দিনমজুরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। দুরে একটি কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে কিছু ছেলে-মেয়ে সেখানে গেলেও বর্ষা মৌসুমে আর যাওয়া সম্ভব হয়না। স্বাস্থ্য সেবার অবস্থাও খুব নাজুক। চিকিৎসা পেতে হলে নৌ পথে ইঞ্জিন চালিত নৌকায় দেড়-দুই ঘন্টা যাবার পর ডাক্তারের দেখা মিলবে।

Check Also

যে কোনো আন্দোলন-সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে : বিএনপি

চাঁদপুর প্রতিনিধি :– চাঁদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সাধারণ সভায় বক্তারা বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম ...

Leave a Reply