ভয়াবহ যৌনসন্ত্রাসের বলি মুক্তিযোদ্ধা পিতা ও আমাদের সমাজবাস্তবতা

মো. আলী আশরাফ খান

প্রথমে টেলিভিশনে সংবাদটি দেখে (পরে অবশ্য জাতীয় দৈনিক পত্রিকা থেকেও বিস্তারিত জানতে পারি) ভীষণ মর্মাহত ও দুঃখ-কষ্টে হলাম অশ্র“সিক্ত। এমন অবস্থা হলো, যেন অঝোরধারায় রক্ত ঝরছে কোমল হৃদয় থেকে। মনে হলো এ জন্যই কি জীবন বাজি রেখে দেশ রক্ষায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন বাংলার নির্ভীক-বীর সেনানী দামাল ছেলেরা; নয় মাস মুক্তিযুদ্ধ করে লক্ষ লক্ষ প্রিয়জনদের হারিয়ে অর্জন করেছিলেন একটি লাল-সবুজ পতাকা; এভাবে বখাটেদের হাতে একজন মুক্তিযোদ্ধার-একজন শিক্ষকের-একজন পিতার মর্মান্তিক মৃত্যুদৃশ্য দেখার জন্য কি সংগ্রাম হয়েছিল বর্বর-হায়েনাদের বিরুদ্ধে?

কতটা হতভাগ্য জাতি আমরা! হাজারো সমস্যার দেশ-এ বাংলাদেশ, চারদিকে অস্থিরতা আর অস্থিরতা, ভীষণ অস্থির এ দেশের মানুষ, অশিক্ষা আর কুশিক্ষার বর্জ্যে ঢাকা পড়েগেছে সোনালী দেশের মানুষের বিবেক! হায়রে আমি পিতা, আমি মাতা, আমি ভাই, আমি শিক্ষক! আমি আপনজন! আমরা পারিনা আমাদের প্রিয়জনদের ভয়াবহ এ টিজিং-যৌনসন্ত্রাসের হাত থেকে রক্ষা করতে; পারিনা আমারা এ সন্ত্রাসের প্রতিবাদ করতে। প্রতিবাদ করলে আমাদের জীবন দিতে হয় পথে-ঘাটে। তারপরেও ব্যক্তি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে দেখা যায়না, সমাজ জেগে ওঠে না, দেশ চালানোর দায়িত্বপ্রাপ্তদের হয় না বোদোদয়। একের পর এক দেশজুড়ে চলছে ইভটিজার-যৌনসন্ত্রাসীদের নগ্ন-ঘৃণিত কর্মকাণ্ড। কি এক আজব ব্যাপার! কেউ কিছুই বলছে না। যেনো মগের মুল্লুকে বসবাস!

বরিশালের কাউনিয়া থানার কলেজ ছাত্রী সুপ্তিকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতো স্থানীয় সন্ত্রাসী রূপম ওরফে অনিক চন্দ্র দে। একসময় সুপ্তির ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে গেলে এ যৌনসন্ত্রাসের ঘটনাটি তার পিতাকে জানায়। পিতা মুক্তিযোদ্ধা ও ওয়াহেদ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোঃ জিন্নাত আলী বখাটে রূপমকে সংশোধনের সুযোগ দিয়ে কয়েকবার বূঝিয়েও কাজ হয়নি। বরং রূপম যৌনহয়রানীর মাত্রা আরো বাড়িয়ে দেয়। একপর্যায়ে নিরুপায় বাবা রূপমের বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় জিডি এন্ট্রি করেন। এ সংবাদ জানতে পেরে সন্ত্রাসী রূপম ক্ষেপে গিয়ে ২৫ নভেম্বর রাতে সুপ্তিদের বাড়ির সামনেই মুক্তিযোদ্ধা জিন্নাত আলীকে পেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। মুর্মূষূ অবস্থায় তাকে বরিশালের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার আরো অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেলে নেয়ার পথে ১৯ ঘন্টা মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে হার নামানা এই মুক্তিযোদ্ধা ২৬ নভেম্বর বিকেলে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। দেশের কোটি কোটি মানুষ মুক্তিযোদ্ধা জিন্নাত আলীর মৃত্যুতে ব্যথিত হন; হত্যাকারীর বিচারের দাবিতে ঘৃণাভরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সরকারের প্রতি।

পত্রিকায় প্রকাশ, ওই শিক্ষকের কন্যাকে প্রায়ই প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করতো সন্ত্রাসী রূপম। উঠতি বয়সী বখাটে রূপমকে ভালোভাবে বুঝিয়েও ফেরানো যায়নি এ অসভ্য বর্বরতা থেকে। সে প্রায়ই মোবাইল ফোনে হত্যার হুমকি দিত সুপ্তির পরিবারকে। জিন্নাত আলী মেয়েকে রক্ষা করতে পুলিশের দ্বারস্থ হলেও পুলিশ কোনো রকম ব্যবস্থা নেয়নি, স্থানীয় প্রশাসন নেয়নি কোনো উদ্যোগ। যার ফলে রূপমের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বেড়ে যায়, হয়ে ওঠে সে বেপরোয়া। পুলিশের সাহায্য চেয়েও না পাওয়ায় যে এ ভয়াল পরিনতি, এটি দিনের মতো স্পষ্ট এখন। উপরোক্ত লোমহর্ষক ঘটনাটির মতো বেশ আরো কয়েকটি ঘটনা ইতোপূর্বে ঘটেছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। যা জাতিকে মর্মাহত করেছে, করেছে লজ্জিত ও কলঙ্কিত। দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে ইভটিজিংয়ের ফলে হত্যা ও আত্মহত্যার ঘটনাগুলোকে ঘিরে।

সামাজিক এ চরম অবক্ষয়ের কারণে এখন সমাজ দ্রুত এক ভয়াবহ-অন্ধকারের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। সমাজের রন্দ্রে রন্দ্রে ঢুকে গেছে যৌনসন্ত্রাসের নীলবিষ। এমন এক অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে যে, ছোটরা বড়দেরকে মানছে না। বড়রাও ছোটদের প্রতি স্নেহশীল আচরণ করতে পারছে না। কেউ কাউকে সহ্য করতে পরছে না। নিজেরা নিজেদের মন মতো চলছে-যেনো কারো কাছেই কারো কোনো নেই জবাবদিহিতা। এককথায়, নৈতিক মূল্যবোধ হারিয়ে আমরা নিজেরা নিজেদের পায়ে তো কুঠারাঘাত করছি-ই, এর সাথে সাথে ব্যক্তি-সমাজ-রাষ্ট্রেরও বারোটা বাজাচ্ছি। আজ আমাদের মধ্যে প্রায় সকল ক্ষেত্রেই নৈতিকতার চরম অবক্ষয়ে হিংসা-অহংকার, হানাহানি-মারামারি. ঘুষ-দুর্নীতি, চাঁদাবজি-টেন্ডারবাজি, উস্কানিমূলক বক্তব্যসন্ত্রাস, তথ্যসন্ত্রাস, ছাত্রসন্ত্রাস-দলাদলি, মাদকসন্ত্রাস, এ্যাসিডসন্ত্রাস, যৌতুকসন্ত্রাস, ইভটিজিংসন্ত্রাস, হত্যা-ধর্ষণ ও আইন শৃংখলার চরম অবনতিসহ ভয়াল ভয়াল সব কর্মকাণ্ড সংঘঠিত হচ্ছে। দিন যতই যাচ্ছে এর ক্ষতিক্ষর কু-প্রভাব ততই পড়ছে আমাদের সমাজে; মানুষ আজ দিশেহারা হয়ে ওঠছে-এসমস্ত ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডের বিষবাষ্পে। যদিও অনেকে চিন্তা করছে-লেখালেখি হচ্ছে এমস্ত সামাজিক অবক্ষয়ের প্রতিকারে কিন্তু ফলপ্রসু তেমন কোনো আশার আলো আমরা দেখতে পাচ্ছিনা।

প্রতিদিন দেশের কোথাও না কোথাও ইভটিজাররা যৌনসন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। ক্ষত-বিক্ষত করছে মেয়েদের এবং অভিভাবকদের করছে রক্তাক্ত। সাধারণ মেয়ে ও মহিলাদের পাশাপাশি স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা রাস্তা ঘাটে, মার্কেটে, বিনোদন স্থানসমূহে, গাড়িতে, স্কুল-কলেজ-ভার্সিটির সমানে এমনকি বাসা-বাড়ির সামনেও বখাটেদের দ্বারা এমনসব অশ্লীল মন্তব্য-বাজে অঙ্গভঙ্গিমা ও শরীরি আঘাতের শিকার হচ্ছে, যা তাদের জীবনকে বিষিয়ে তুলছে। অথচ এসমস্ত সামাজিক অবক্ষয়ের খবরাখবর জাতীয় দৈনিক পত্রপত্রিকার হেডলাইনে ছাপা হলেও সরকারের পক্ষে তেমন জোরালো পদক্ষেপ-প্রতিরোধ চোখে পড়ছে না; আইন আইনের জায়গায় থাকছে, প্রয়োগ হচ্ছেনা যথাযথভাবে। দেশের প্রায় সর্বত্রই ইভটিজিং-যৌনসন্ত্রাস প্রতিরোধ কমিটির নামে নিজেদের দলীয় লোকদের মহড়া হচ্ছে; সরকার প্রয়োজন মনে করছে না, স্থানীয় সাহিত্য-সাংস্কৃতিক ও সমাজকল্যাণ কর্মীদের এসব গুরুত্বপূর্ণ কাজে সম্পৃক্তকরণের; সমাজসচেতনরাও নিচ্ছে না উল্লেখযোগ্য তেমন কোনো ভূমিকা। মাঝেমধ্যে লোক দেখানোর মতো সভা-সেমিনার অতঃপর ২/৪ জন বখাটেদের গ্রেফতার করছে পুলিশ এবং ছেড়েও দিচ্ছে সামান্য উৎকোচের বিনিময়ে।

রেয়াজ মতো সমস্যা ঘটে গেলে যেমন সরকারের দৌঁড়ঝাপ শুরু হয় তেমনি কয়েকদিন নড়াচড়া করে ক্লান্ত— হয়ে যাই আমরাও। আমরা চিন্তা করি না, আমাদের বোধোদয় হয়না-এসমস্ত সামাজিক সমস্যাগুলোকে কিভাবে প্রতিরোধ বা দমন করা যায়। একজন মানুষ যখন এ সমস্ত ন্যক্কারজনক ঘটনার শিকার হয়ে পরপাড়ে চলে যায়, তখন আইন যতই মাথাচাড়া দিয়ে উঠুক না কেনো, জানানো হোক না কেনো হাজার শ্রদ্ধা তাতে কি ফিরে পায় স্বজনরা প্রিয়জনকে? আর এভাবেই যা হওয়ার তাই হয়, দিনে দিনে চরম অবক্ষয়ে পতিত হয়ে নাম নাজানা-প্রকাশ না পাওয়া বহু মেয়ের পড়ালেখা বন্ধ হয়ে যায়; বাবা-মায়েরা প্রতিক্ষণ-প্রতিমুর্হুতে থাকতে হয় চরম উৎকন্ঠায়; অভিভাবকরা ইচ্ছার বিরুদ্ধে মেয়েদের অভিশপ্ত বাল্যবিয়েতে বাধ্য করে; সুযোগে নির্যাতনরে মাত্রা বেড়ে যায়, টিজাররা বেপরোয়া হয়ে অসভ্য কর্মকাণ্ড চালিয়ে যায় দিব্যি। যার ফলে অকালে মৃত্যুমুখে পতিত হয় কোমলমতি মেয়েরা, আমাদের কান্নার সাগরে ভাসিয়ে চলে যায় পরলোকে প্রিয় সন্তানরা, মৃত্যু বরণ করতে হয় পিতা-মাতা ও ভাইসহ আপনজনদের।

সম্ভত ২০০৩ সালে আমরাই প্রথম ‘সৃষ্টি’ সাহিত্য-সাংস্কৃতিক ও সমাজকল্যাণ সংগঠনের উদ্যোগে অভিশপ্ত বালবিবাহ, যৌতুক কু-প্রথা, মাদক-নীলবিষ, এ্যাসিডসন্ত্রাসের মত ইভটিজিং যৌনসন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লিফলেট-পোস্টার, সভা-সেমিনার, পথসভা ও লংমার্চ করেছি কুমিল্লার বিভিন্ন জায়গাসহ সমুদ্র সৈকতের নগরী কক্সবাজারেও। শুধু তাই নয়, আমাদের সংগঠনের সদস্যরা যখনই যেখানে যান তারা নিজেদের ব্যাগে থাকা ‘আসুন, আমরা মাদক ও ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলি।’ ‘আর নয় মাদক আর নয় ইভটিজিং, চাই-নেশামুক্ত সুন্দরজীবন ও মা-বোনদের সর্বত্র নিরাপদ পথচলা’। ‘রাস্তার মোড়, বাসস্ট্যান্ড-বাসে, স্কুল-কলেজের সামনে কিংবা মোবাইল ফোনে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করা অসুস্থ ও বিবেকবর্জিত মানুষের কাজ-আমরা তা চরমভাবে ঘৃণা করি’। ‘আমরা চাই, মাদক-নীলবিষ ও ভয়াবহ ইভটিজিং-অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে জোরালো সামাজিক আন্দোলন-প্রয়োজনে আমরা তাদের বয়কট করব’। ‘প্রথমে ধুমপান দিয়ে মাদকাসক্তজীবন ও রসিকতা দিয়ে বকাটেপনার শুরু হলেও তা শুধু নিজের জীবনে-ই সর্বনাশ ডেকে আনে না বরং কোমলমতি বোন-পরিবার-পরিজন তথা সমাজকে নিশ্চিত ধ্বংসমুখে ঠেলে দেয়। সুতরাং সাবধান! সাবধান!! সাবধান!!!’ ’‘মনে রেখো হে বন্ধু, তোমার একটি অশ্লীলবাক্য- কুরুচীকর অঙ্গভঙ্গি একটি স্বপ্নময়মুখ অকালে ঝরে যেতে পারে-থেমে যেতে পারে তোমার বোনের মত সুন্দর কারো অনিন্দ্য জীবন। হয়তো সেও হতে পারতো দেশ-জাতির গৌরব তথা এক উজ্জ্বলনক্ষত্র’। ‘জেনে রেখো হে তরুণ, তুমি দেশ-জাতির অমূল্যসম্পদ, তুমি আমাদের অহংকার, তোমার জীবন-যৌবন ও মেধা আঠার কোটি মানুষের অধিকার। ইচ্ছে করলেই তুমি পারো না নিজেকে ধ্বংস করতে। তিল তিল করে গড়ে ওঠা তুমি নও কারো একার। বিশ্বাস করো, একমাত্র তুমিই পারো জাতিকে আলো দেখাতে বিদূরিত করে অমানিশার অন্ধকার।’ এরকম আরো বহু অর্থবহ বাক্য সংবলিত লিফলেট বিতরণ করে থাকে।

আমরা জানি না, এসকল শ্লোগান তরুণের মনে কতটা রেখাপাত করে; কতটা উপকৃত হয় আমাদের মা-বোনেরা। তারপরেও আমাদের মিশন চলছে-চলবে। আমরা মনে করি, এমনিভাবে দেশের সকল সামাজিক সংগঠনগুলো মাঠে কাজ করা উচিৎ। এবং সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া উচিৎ অভিভাবকদেরকেও। মনে রাখতে হবে, পিতা হিসেবে আমরা সন্তানের প্রতি কতটা নজর রাখছি? বড় ভাই হয়ে ছোট ভাই-বোনদের খোঁঁজখবর যথাযথ রাখছি কি? আমি মা হয়ে সন্তানের প্রতি কতটা দায়িত্ববান? শুধু শাসন করে কি সন্তানদের পরিশুদ্ধতার পথে আনা সম্ভব? মোটিভেশনমূলক কার্যক্রমে আমাদের অংগ্রহণ কতটুকু? পরিবার-সমাজ-রাষ্ট্র কি তরুণদের গাইডলাইন প্রদানে সঠিক দায়িত্ব পালন করছে? আমাদের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় বিচারব্যবস্থা কতটা সুদৃঢ়? সামাজিক এসব অবক্ষয়ের জন্য সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা কি কোনো অংশে দায়ি নয়? শিক্ষা-সংস্কৃতি ও কর্মসংস্থানে আমরা কতটা সফল? সামাজিক দায়বোধ আমাদেরকে কতটা তাড়িত করে? আমরা কি এসকল সামাজিক অবক্ষয়রোধে কোনো দায়িত্ব পালন করতে পারি না? সামাজিক দায়বোধ বলতে কি আমাদের কিছুই নেই? ইত্যাদি ইত্যাদি প্রশ্ন আজ করতে হবে নিজেদের প্রতি নিজেরাই।

পরিশেষে আমরা বলবো, আমাদের প্রিয় মুক্তিযোদ্ধা ও মানুষ গড়ার কারিগর মোঃ জিন্নাত আলীর হত্যাকারী ইভটিজিং-যৌনসন্ত্রাসী রূপমকে দ্রুত আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে এমন শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক, যে শাস্তির দৃষ্টান্ত দেখে দেশের অন্যসব বখাটেও যেনো সুপথে ফিরে আসতে বাধ্য হয়। একজন মুক্তিযোদ্ধার রক্ত যেন হয় শেষ রক্ত-ইভটিজারদের শাস্তি প্রদানের ক্ষেত্রে। আমরা চাই না, এ দেশে আর কোনো সন্তান তার পিতা-মাতা, ভাই-বোন ও শিক্ষককে হারাবে এমন নিদারুণভাবে। সকলের মধ্যে বোধোদয় হোক সত্য ও সুন্দরের, সরকার কঠোরহস্তে দমন করুক সকল সন্ত্রাসীদের। এমনটিই দেশের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা। আমাদের বিশ্বাস, পুলিশ ইচ্ছা করলে সব কিছুই করতে সমক্ষ। রূপমকে গ্রেফতার করে এটিই প্রমাণ করলেন তারা।

-লেখক: আহ্বায়ক, ইভটিজিং-যৌনসন্ত্রাস প্রতিরোধ কমিটি, দাউদকান্দি উপজেলা শাখা, কুমিল্লা।

Check Also

মিনি ওয়াক-ইন-সেন্টারের মাধ্যমে রবি’র গ্রাহক সেবা সম্প্রসারণ

ঢাকা :– গ্রাহক সেবাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে মোবাইলফোন অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড সম্প্রতি মিনি ওয়াক ...

Leave a Reply