নাঙ্গলকোট পেড়িয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে নারী কেলেংকারীর অভিযোগ

জামাল উদ্দিন স্বপন:
নাঙ্গলকোট উপজেলার ২ নং পেরিয়া ইউনিয়নের ০৭ নং ওয়ার্ড কাজী জোড়পুকুরিয়া গ্রামের মরহুম যৌবন আলীর কণিষ্ঠ ছেলে মোঃ আবুল কাশেম (বর্তমান পেড়িয়া ইউনিয়নের প্রভাবশালী মেম্বার) বাল্য জীবন হতে যৌন কেলেঙ্কারীর সাথে এবং সমাজের বিভিন্ন অপকর্মের সহিত জড়িত। এমতাবস্থায় তাহার সম্মানিত পিতা তাহাকে বিভিন্ন অপকর্ম হইতে ফিরিয়ে আনতে আশারকোটা এক অভিজাত্য মুসলিম পরিবারে বিবাহ করান। বর্তমানে তাহার এক ছেলে ৪ মেয়ে। দুইটি মেয়ে বিবাহ দিয়েছেন আরো দুইটি মেয়ে ও এক ছেলে বিবাহের উপযুক্ত। বর্তমানে কাশেম মেম্বারের বয়স প্রায় ৫০ বছর। কিন্তু এই বয়সে ও সে বিভিন্ন অসামাজিক ও যৌন কাজ হইতে বিন্দু মাত্র (সরে) ফিরে আসেনি। তাহার অপর্কমের কারণে সে গ্রামের যুবক ছেলেরা-ছাত্ররা বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছে। আবুল কাশেম মেম্বার উক্ত গ্রামের প্রভাবশালীর হওয়ার কারণে সে সর্বদা খারাপ ছেলে মেয়েদেরকে প্রশ্রয়দেন। যাহার ফলে এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ এই অপকর্মের সুষ্ঠ বিচার করতে পারেন না। ঐ গ্রামের ও পাশ্ববর্তী এলাকার বহু মহিলার সাথে সরলতার সুযোগ নিয়ে কাসেম মেম্বার অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তুলে। এই অবৈধ সম্পর্কের কারণে আনুমানিক দুই বৎসর আগে তাহার স্ত্রীর সম্পূখে অপর্মের সহিত খারাপ কাজে লিপ্ত থাকা কালিন সময় তাহার স্ত্রী তাহাকে সুদরাতে না পেরে নিজের জীবন শেষ করে দেওয়ার জন্য বিষ প্রাণ করেন। কিন্তু জরুরী অবস্থায় চিকিৎসার কারণে তিনি বেঁচে যান। তাহার পর ও আবুল কাশেম (বর্তমান মেম্বার-২০১১) নারী কেলেংকারী হইতে পিছু হটেনি। গত ২১ নভেম্বর-২০১১ তারিখ রোজ সোমবার যখন শ্রীফলিয়া বাজারে বিশাল ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল চলছিলো, চলাকালীন অবস্থায় রাত আনুমানিক ১০ টায় পাশ্ববর্তী গ্রামের মৃত: চাউল ব্যাপরীর দ্বিতীয় ছেলের জৈনক বউয়ের (৩০) কে ডেকে তাহার গ্রামে নিয়ে আসে এবং কাজী জোড়পুকুরীয়া গ্রামে বিশাল কবরস্থানের (কাশেম মেম্বারের বাবার কবরের) উত্তর পাশে ধান ক্ষেত্রে আইলে মধ্যে খারাপ কাজে লিপ্ত থাকা অবস্থায় (উলঙ্গ) পাওয়া যায়। ঐ সময় কাশেম মেম্বার ঘটনার স্থল হইতে পালাইয়া গেলে ও তাহারা ঐ মহিলাকে উলঙ্গ অবস্থায় আটক করিতে সক্ষম হয় । তৎক্ষনাত এই খবর আশে পাশে ছড়িয়ে পড়লে গ্রামের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উক্ত মহিলার স্বামী সহ মহিলার বিচার করলে ও কাশেম মেম্বার প্রভাবশালী হওয়ায় তাহার বিচার করা সম্ভব হয়নি। যার ফলে এলাকায় রির্পোট টি লেখা পর্যন্ত উত্তেজনা বিরাজ করছে। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় যে কোন সময় একটি দূর্ঘটনা ঘটতে পারে বলেও এলাকাবাসী আশংখা করছে। প্রকাশ থাকে যে, এর আগে ও কাশেম মেম্বার উলঙ্গ অবস্থায় ধরা পড়ার কারণে পরণে থাকা শর্টপেন্ট খুলে লেন্টা হয়ে পালিয়ে আসে। সে কারনে তাহাকে সবাই লেংটা কাশেম সবাই ডাকে।

Check Also

কুমিল্লায় তিন গৃহহীন নতুন ঘর পেল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ– কুমিল্লা সদর উপজেলায় গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে ৪নং আমড়াতলী ইউনিয়নের গৃহহীন নুরজাহান বেগম, ...

Leave a Reply