মনোহরগঞ্জে মাদকের ভয়াবহতার শিকার যুব সমাজ

জামাল উদ্দিন স্বপন:
কুমিল্লা মনোহরগঞ্জ উপজেলায় যুব সমাজ মাদকের ভয়াবহতার শিকার। মাদক এই উপজেলায় মহামারী আকার ধারণ করে মরণ চোবলে ধ্বংসের মুখে ঢেলে দিচ্ছে যুব সমাজকে। সন্তানদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে অভিভাবক মহলের। নেশার তাড়ানায় পড়ে যুব সমাজ বিপথ গামী হচ্ছে। নেশার পয়সা জোগাড় করতে এলাকায় চুরি ডাকাতি করছে তারা। নৈতিকতা হারিয়ে পৈশাচিকভাবে কু-কর্মে লিপ্ত হচ্ছে। ধর্ষণসহ বিভিন্ন অসামাজিক অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে যুব সমাজ। আতংকিত হয়ে পড়ছে উপজেলাবাসী। উপজেলার নাথের পেটুয়া, বিপলাসার রেলওয়ে ষ্টেশন, মনোহরগঞ্জ বাজার, লক্ষণপুর বাজার, হাসনাবাদ বাজার, নরপাইয়া, খিলাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হচ্ছে মাদক দ্রব্য। নাথেরপেটুয়া মাদক সমাজ্ঞী খ্যাত ফিরোজা বেগম, লক্ষণপুরের বানঘর গ্রামের আব্দুল হক এর স্ত্রী মেহেরুন্নেছা বিনা নিজ বাড়িতে নেশা আসর বসায়, পোমগাঁও গ্রামের মমতাজ মিয়ার ছেলে মোস্তফা, একই গ্রামের আলী মিয়া, খিলা বাতাবাড়িয়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে কামাল হোসেন, বিপুলাসার মুরাদ বাড়ির সুমন, নুরু, বাজারের ভাই ভাই হোটেলের মালিক রুহুল আমিন, জাওড়া গ্রামের একাধিক মাদক মামলার আসামী হারুনুর রশিদ, তার ভাই জুতা মানিক, কাঁছি গ্রামের আলমগীর ড্রাইভার ও ছেমনা খাতুন দীর্ঘদিন থেকে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। এসব মাদক ব্যবসায়িরা স্কুল/কলেজের ছাত্র ও যুবসমাজের হাতে মাদক দ্রব্যাদি তুলে দিয়ে তাদের ভবিষ্যতকে ঠেলে দিচ্ছে অন্ধকারে। ধ্বংস করছে ফুলের ন্যায় অসংখ্যক সুন্দর জীবন। এক শ্রেণীর অসাধু মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে এদের যোগসাজস রয়েছে। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম দিয়ে মাদকের এসব চালান আসে বলে জানা যায়। যার মধ্যে মদ, গাজা, ফেনসিডিল, হেরোইন, ইয়াবা টেবলেটসহ বিভিন্ন নেশা জাতীয় দ্রব্যাদি রয়েছে। এসব মাদক দ্রব্যাদি ছড়িয়ে দিচ্ছে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে আর এতে আসক্ত হয়ে পড়ছে স্কুল কলেজের ছাত্র ও যুব সমাজ। এবিষয়ে মনোহরগঞ্জ থানা নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদ উদ্দিন খন্দকার ও স্থানীয় চেয়ারম্যানদের সঙ্গে নিয়ে এসব স্থানে অভিযান চালাচ্ছে বলে জানা যায়।

Check Also

লাকসাম-মনোহরগঞ্জের বিএনপি’র সাবেক এমপি আলমগীরের জাতীয় পার্টিতে যোগদান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ– কুমিল্লা-১০ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) বিএনপি’র সাবেক এমপি এটিএম আলমগীর জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেছেন। সোমবার জাতীয় ...

Leave a Reply