বাঞ্ছারামপুরে পুলিশের বিরুদ্ধে মাদক ধরে বিক্রি করার অভিযোগ

লিটন চৌধুরী.ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ-
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় পুলিশের বিরুদ্ধে উদ্ধারকৃত বিয়ার বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। সমপ্রতি উপজেলা সদরের ব্রাক অফিসের নিকটে এ ঘটনা ঘটেছে।

খোজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২২ সেপ্টেম্বর রাত নয়টার দিকে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলাউদ্দিন এর নেতৃত্বে এস আই আনোয়ারুল ইসলামসহ একদল পুলিশ উপজেলা সদরের ব্রাক কার্যালয়ের পশ্চিম পাশের একটি কাঠের ফার্নিচারের কারখানায় অভিযান চালায়। এসময় ওই কারখানা থেকে ভারতের তৈরী ৫ কার্টুন (প্রতি কার্টুনে ২৪ পিছ থাকে) বিয়ার (ভেরনস) উদ্ধার করে। পরে থানায় উদ্ধার করা জব্ধ তালিকায় পরিত্যাক্ত অবস্থায় ১ কার্টুন বিয়ার উলেখ করে। ওই ঘটনায় ফার্নিচারের দোকানটি গত মঙ্গলবার পর্যন্ত বন্ধ থাকে। পরে সাবেক মেম্বার ও সদর বাজারের ব্যবসায়ী পরিতোষ দত্তের মধ্যস্থতায় পুলিশের সঙ্গে আপস হলে কারখানাটি পুনরায় চালু করা হয়।

ফার্নিচার কারখানার মালিক দিপক দাস এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন- আমি নিরিহ দেইখ্যা আমার দোকানে এলাকার মাদক ব্যবসায়ী রিপনের ৫টি কার্টুন জোরকরে আমার দোকানে রাখে, বাধা দিলে তারা আমাকে এবং আমার কর্মচারীকে মারধরের হুমকি দেয়। কার্টুনগুলি রাখার কিছুক্ষন পরেই পুলিশ আইসা সেইগুলি নিয়া যায়।

মাদক ব্যবসায়ী রিপন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন- মাইক্রো দিয়া ৫ কার্টুন বিয়ার আইন্না ফার্নিচারের দোকানে রাখনের কয়েক মিনিট পরেই পুলিশ আইসা লইয়া গেছে সব।

পুলিশের সোর্স শামীম মিয়ার সঙ্গে যোাগযোগ করা হলে তিনি বলেন- ওসি স্যার আইসা ৩/৪ কার্টুন বিয়ার ধইরা লইয়া গেছে, আমি এখান থেকে ১ কার্টুন বিয়ার নিয়া কিছু খাইছি আর কিছু বেইচ্চা দিছি।

বাঞ্ছারামপুর থানার ওসি মো. আলাউদ্দিন এর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন- আমি অভিযানে ছিলাম, পরিত্যাক্ত অবস্থায় ১ কার্টুন বিয়ার উদ্ধার করেছি ৫ কার্টুন নয়, আর বিয়ার বিক্রি করার কোনো কারন নাই।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার ( এসপি) মো. জামিল আহম্মেদ এর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন- অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ী পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

Check Also

আশুগঞ্জে সাজাপ্রাপ্ত আসামির মরদেহ উদ্ধার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি :– ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মো. হারুন মিয়া (৪৫) নামে দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক আসামির ...

Leave a Reply