সপ্তাহ জুড়ে টক অব দ্যা নাঙ্গলকোট সাদেক প্রফেসর

নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি:

সাদেক প্রফেসার
মাত্র কয়েক মাস আগে হজ্ব পালনরত নাঙ্গলকোট হাছান মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের উপাধ্যাক্ষ প্রফেসর মো. সাদেক হোসেন ভূঁইয়া ওরফে হাজী সাদেক প্রফেসারকে নিয়ে নাঙ্গলকোটে সপ্তাহে জুড়ে টক অব দ্যা নাঙ্গলকোট পরিনত হয়েছে। নিজ গ্রামে তিন সন্তানের জননী রৌশনারার সাথে পরকীয়ার কথা ফাঁস হয়ে গেলে তাহা বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকা উঠে আসে। বর্তমানে এ খবর নাঙ্গলকোট উপজেলার সর্বত্র পত্রিকার ফটোকপি জনগনের হাতে হাতে। সাদেক প্রফেসারের চরিত্র সম্পর্কে হাতে গোনা কয়েকজনে জানলেও এখন হাজার হাজার জনগন জানে। নাঙ্গলকোট কলেজের শিক্ষক ছাড়াও তিনি উপজেলা আ’লীগের প্রভাবশালী নেতা। বর্তমানে দায়িত্বে আছেন সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে। নামে মাত্র শিক্ষকতার পেশায় জড়িত থেকে তিনি কলেজ লুটেপাটে খেয়ে জিরো টু হিরোতে পরিনত হয়েছেন। তার লোলুপ দৃষ্টির কথা ফাঁস হয়ে গেলে একদিকে নেতাকর্মীদের অশ্রদ্ধা আসে অপরদিকে কলেজের ছাত্রছত্রীরা ঘৃণার চোখে দেখছে। অভিভাবকেরা শংকিত হয়ে পড়ছে আদৌ তাদের মেয়েদেরকে এ কলেজ পড়াবে কিনা, কখন কার মেয়ের প্রতি লম্পট শিক্ষকের লোলুপ দৃষ্টি পড়ে। অভিভাবকেরা জরুরী ভিত্তিতে গভর্নিং বডির জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছে। অর্থলোভী সাদেক প্রফেসারকে দলীয় নেতা কর্মীরা অনেক আগ থেকেই অবিশ্বাস করতেন। তিনি ডা: কামরুজ্জামান সাহেব বিএনপি দলীয় সাংসদ থাকাকালীন সাংসদের সাথে লাইন ঠিক রেখে সারের লাইসেন্স নিয়ে দু’হাতে টাকা কামিয়েছেন। এখন কলেজের অধ্যক্ষ হবার জন্য চেষ্টা তদ্বির অব্যাহত রেখেছেন কিন্তু কপাল পুড়ছে রৌশনারার কাহিনীতে। দলীয় পদও হারাতে পারেন নৈতিক স্খলন জনিত কারনে। নচেৎ বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীরা আ’লীগ নেতা কর্মীদের সামনে মুখরোচক আলোচনা করবে বলবে দেখছ “হাজী সাদেক প্রফেসারের চরিত্র- একদম ফু-লে-র মত পবিত্র”। যারা তার চরিত্র সম্পর্কে জানে তাদের ধারনা ছিল হয়ত হজ্ব করার পর ভাল হয়ে যাবে। কিন্তু কুকুরের লেজ ১২ বছর চুঙ্গার ভিতরে রাখলে তা সোজা হয়না। তদ্রুপ তার চরিত্র কুকুরের লেজের চেয়েও বাঁকা সেটা জানা ছিলা না। গ্রামবাসী সূত্রে জানা যায় যে, রৌশনারার প্রতি লোলুপ দৃষ্টি অর্থাৎ অবৈধ সম্পর্ক ঐ মহিলা সম্পর্কে তার ভাতিজী। অতএব এলাকবাসী সাবধানে সাদেক প্রফেসারের কাছে কোন প্রবাসীরা টাকা পাঠাবেন না, তাহলে আপনার স্ত্রীর রৌশনারার ভাগ্যে পরিনত হবে। উল্লেখ্য পৌরসভার বেতাগাঁও গ্রামের আবুল বাশারের মেয়ে ৩ সন্তানের জননী রৌশনারা বেগম তার স্বামীর পাঠানো টাকা আনতে গেলে সাদেকের লোলুপ দৃষ্টি পড়ে। পরবর্তীতে জানাজানি হলে রৌশনারা স্বামী তাকে তালাক দেয়। সাদেকের প্রতি জেদকার রৌশনারা ট্রেনের নীচে ঝাঁপ দিতে গেলে এলাকাবাসীর চোখে পড়লে আত্মহত্যার থেকে রক্ষা করে বাড়ীতে নিয়ে আসে। সাদেকের প্রলোভনে স্বামী সন্তান হারীয়ে এখন বন্দী দশায় জীবন কাটাচ্ছে। সাদেক প্রফেসার রৌশনানাকে বিয়ে করলে সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যায় বলে গ্রামবাসী পরামর্শ দেয়।

Check Also

কুমিল্লায় তিন গৃহহীন নতুন ঘর পেল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ– কুমিল্লা সদর উপজেলায় গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে ৪নং আমড়াতলী ইউনিয়নের গৃহহীন নুরজাহান বেগম, ...

Leave a Reply