হত্যা মামলার আসামী জামিনে এসে প্রাননাশের হুমকি,আতংকে ১ টি পরিবার

শরিফুল আলম চৌধুরী,মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি :

দুস্কৃতিকারিদের হাতে মির্মম হত্যার শিকার হুমায়ুন কবির।
মুরাদনগর উপজেলার কৃৃঞ্চপুর গ্রামের মকবুল হোসেনের পুত্র হুমায়ুন কবির হত্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্ত আসামী একই উপজেলার সরমাকান্দা গ্রামের মত চান মিয়ার পুত্র আমির হোসেন (৩৫) জামিনে মুক্ত হয়ে এলাকায় ফিওে নিহতের পিতা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেও মামলা না তুলে নিলে প্রন নাশের হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নিহত হুমায়ুন কবিরের পিতা মুকবল হোসেনের মুরাদনগর থানায় লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা যায়,গত বছরের ২৬ শে আগষ্ট হুমায়ুন কবিরকে ভাড়ায় তার সিএনজি সহ অভিযুক্ত আসামী আবুল ও আমির সিএনজি ড্রাইভার মালেকের মধ্যস্থতায় বুরিচং যাওয়ার উদ্যেশে নিয়ে গিয়ে কোটবাড়ী যাদুঘর এলাকায় নিয়ে হত্যা কওে লাশ ফেলে রাখে। পরবতিতে নিহতের পিতা কুমিল্লা গিয়ে নিজ সন্তানের লাশ সনাক্ত করে এবং আবুল ,আমির ও জাকির সহ তিনজনকে আসামী করে মুরাদনগর থানায় একটি মামলা করেন। মামলা রুজুর দের মাস পর প্রধান আসামী আমির হোসেন গ্রেফতার হলেও দুই মাস আগে জামিনে মুক্ত হয়ে আসে। জামিনে এসেই অভিযুক্ত আসামী নানা ভাবে বাদিকে মামলা প্রত্যাহার করে আপোষ মিমাংসা করতে তাকে ও তার পরিবারকে চাপ প্রয়োগ করে আসছে। এ ব্যাপারে যত সামন্য অথ গ্রহন পূবক মামলাটি প্রত্যাহার করার ব্যাপারে এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যাক্তির মদদ রয়েছে বলে জানা যায়। কিন্তু মামলার বাদি নিহত হুমায়ুন কবিরের পিতা মামলা প্রত্যাহার বা আপোষ মিমাংসায় অসম্মতি প্রকাশ করায় গত ০৫-০৮-১১ ইং বিকালে বাদির বাড়িতে আসামী আমির হোসেন নিজে উপস্থিত হয়ে দ্রুত মামলা তুলে নেওয়ার চাপ প্রয়োগ করে,অন্যথায় তাকে ও তার পরিবারের অন্যান্যদের হত্যার হুমকি প্রদান করে। এ অবস্থায় মামলার বাদি নিজ নিরাপত্তা হুমকির মধ্যে মনে করে মুরাদনগর থানায় একটি সাধারন ডায়রি করেছেন। যার নং-৭৭০/২১-০৮-১১ ইং। অভিযুক্ত আসামীপক্ষ প্রভাবশালী ও সম্পদশালী হওয়ায় এক লক্ষ টাকার বিনিময়ে মামলাটি প্রত্যাহরের ব্যাপারে এলাকার কিছু টাউট বাটপার কাজ করে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন মামলার বাদি। হুমায়ুন কবির হত্যাকান্ডটি এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করে এবং এর সাথে জড়িতদের দষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবীতে এলাকায় ভিক্ষোভ সমাবেশ সহ কয়েকটি প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিল করে প্রশাসনের প্রতি দাবী জানানো হয়। তবে এলাকার অনেক ব্যাক্তি জানান এই মামলাটির তদন্ত কারী পুলিশ অফিসার আসামী পক্ষের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে তদন্ত রিপের্টে যথাযথ ভাবে আদালতে প্রেরন করা হয়নি বলে আশংকা করছেন। কারন একটি খুনের মামলার আসামী এত সহজে জামিনে এসে মামলা প্রত্যাহারের চাপ প্রয়োগ আমাদের সন্ধিগ্ন করে তুলেছে। তবে শেষ পযন্ত সত্যের জয় হবে এবং হুমায়ুন কবিরের হত্যার যথাযথ বিচার এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঠিক নিরাপত্তা দিতে আইন শংখলা বাহিনি সচেষ্ট হবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন সবস্তরের জনগন।

Check Also

করিমপুর মাদরাসায় বোখারী শরীফের খতম ও দোয়া

মো. হাবিবুর রহমান :– কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার করিমপুর জামিয়া দারুল উলূম মুহিউস্ সুন্নাহ মাদরাসায় ১৪৪০ ...

Leave a Reply