উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গাড়ী বলে কথা (!)

তিতাস প্রতিনিধি :

বৃহস্পতিবার তিতাস উপজেলার পরিষদের ইউএনও’র গাড়ীটি কেরানীগঞ্জ থেকে টাঙ্গাইল যাওয়ার পথে নয়াবাজার-বাবু বাজার সংলগ্ন ব্রীজের উপর থেকে তোলা। দ্বিতীয় ছবিটি গোলিস্থানে।
তিতাস উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আমিনুল ইসলাম সরকারী নিয়ম-নীতি তোয়াক্কা না করে প্রায়ই উপজেলা পরিষদের গাড়ী নিয়ে ব্যক্তিগত বিভিন্ন কাজে ঢাকা, তাহার স্ত্রীর কর্মস্থল কেরানীগঞ্জ ও দেশের বাড়ী টাঙ্গাইল যান।

এ নিয়ে এলাকায় প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে এক প্রকার ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে প্রত্যাহার দাবী করে প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা জেলা প্রশাসকের নিকট যে স্বারক লিপি প্রদান করেছে যেখানে বিষয়টি উঠে এসেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার গত বৃহস্পতিবার ছুটি নিয়ে দেশের বাড়ী টাঙ্গাইল যাওয়ার সময় গাড়ীটি নিয়ে যায়। গাড়ীটি প্রথমে ঢাকা হয়ে কেরানীগঞ্জ (ইউএনও স্ত্রীর কর্মস্থল) যায় তারপর বিকালে কেরানীগঞ্জ থেকে টাঙ্গাইল। দু’দিন টাঙ্গাইল অবস্থান করার পর গতকাল শনিবার বিকালে গাড়ীটি তিতাসে পৌছে।

সরকারী নিয়ম-নীতি তোয়াক্কা না করে গাড়ীটি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার এবং কুমিল্লার জেলার বাহিরে গাড়ীটি নেওয়াকে অনেকে ইউএনও দাপট বলে আখ্যায়িত করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জনপ্রতিনিধি এ সম্পর্কে বলেন, সরকারী ছুটির দিনে গাড়ীটি গ্যারেজে না থাকায় একদিন এলাকায় হই-চই পড়ে গিয়েছিল।

এ ব্যাপারে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পারভেজ হোসেন সরকার বলেন, সরকারী কোন জিনিসই কারো ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা যায় না। সরকারী ছুটি নিয়ে কোন কর্মকর্তা কোথাও গেলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে সে তা ব্যবহার করতে পারে। তবে যে হারে প্রতি সপ্তাহে গাড়ীটি তিতাস থেকে উধাও হয়ে যায়। মনে হয় তা দেখার কেউ নেই। এ ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অবগত আছেন বলেন তিনি উক্ত প্রতিনিধিকে জানান। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে এ ব্যাপারে কথা বলতে বারবার মোবাইলে চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।





Check Also

তিতাসে মেহনাজ হোসেন মীম আদর্শ কলেজের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

নাজমুল করিম ফারুক :— কুমিল্লার তিতাসে মেহনাজ হোসেন মীম আদর্শ কলেজের নবীনবরণ অনুষ্ঠান গত শনিবার ...

Leave a Reply