এক স্ত্রীর দুর্ব্যবহারে সংসার ধ্বংস : থেমে নেই মহিলার অপতৎপরতা

স্টাফ রিপোর্টার:

নাসিমা বেগম
কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার ৪ নং মৌকরা ইউনিয়নের তেতৈয়া গ্রামের মো: মহি উদ্দিন তার স্ত্রী মোসা: নাসিমা বেগমের নানা অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে গত ২৫/৭/২০১১ ইং কুমিল্লার নোটারী পাবলিকের আদালতে তালাক নামা কাঠঘরের সকল আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় বলে জানা গেছে। এরপর তালাক প্রাপ্তা নাসিমা এবার তার পূর্ব স্বামী মহি উদ্দিন কে আবার নানা ভাবে নাজেহাল করার বিভিন্ন ফন্দি আটছে বলে জানা গেছে।

ভুক্ত ভোগী মহি উদ্দিন ও তার প্রদত্ত কাগজ পত্রে জানা গেছে, মহি উদ্দিন একই উপজেলার বিরুলী গ্রামের মো: সফিকুর রহমানের কন্যা মোসা: নাসিমা বেগম কে ২০০০ সালের ২৪ মার্চ ইসলামী বিধি মতে বিবাহ সম্পন্ন করে। এতে মোহর ছিল ৫০ হাজার টাকা এবং উসুল ছিল ১০ হাজার টাকা মাত্র।

বিয়ের ২/৩ বছর পর মহি উদ্দিন ও নাসিমার দাম্পত্ত জীবন সুখের ছিল। তবে ২০০৪ সালের মার্চ মাসে তুচ্ছ একটা বিষয় কে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝির সুচনা হয়। এর পর থেকে মহি উদ্দিনের স্ত্রী নাসিমা বেগম তার স্বামীর প্রতি উগ্র ব্যবহার সহ তার প্রতি মারাত্মক আচারণ করতে শুরু করে। এমন কি হত্যার চেষ্টায় ও বার বার তৎপর হয় বলে জানা গেছে।

মহি উদ্দিন ও এলাকার লোকদের সাথে আলোচনা করে জানা গেছে, নাসিমা যেই কোন মুর্হুতে তার স্বামীকে গোপনে হত্যা করতে পারে এমন আশংকায় মহি উদ্দিন বিগত ২ বছর ধরে তার স্ত্রীর সাথে ঘুমায় নি।

এদিকে মহি উদ্দিন ও তার স্ত্রীর মনো মালিন্যের অবসানে বহু বার গ্রামীন শালিশ-দরবার হলেও শত উপদেশ দানের পরও নাসিমার মধ্যে কোন ইতবাচক দৃশ্য দেখা যায় নি, যেই জন্য সকলে হতাশ হন।

গৃহ বধু নাসিমার উগ্র আচরণে শুধু স্বামী মহি উদ্দিন নয়, বরং তার শ্বশুর রঙ্গু মিয়া, শ্বাশুড়ী আমেনা বেগম সহ পরিবারের প্রত্যেক সদস্য সদস্যের প্রতি চরম অশালীন ও দুর্ব্যবহার করতে থাকে। এমন কি শ্বশুর শ্বাশুড়ীকে বেশ কয়েক বার অপমানিত করে বলেও বাড়ীর লোক জনের সূত্রে জানা গেছে।

সরে জমিনে ঘুরে জানা গেছে, স্বভাব গত উগ্র ও বদ মেজাজী নাসিমা বেগম এমনিতে স্বামী শ্বশুর শ্বাশুড়ীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করতো, সেই সাথে তার মা-বাবার ( বেগমা বেগম-মফিজ) প্রশ্রয়ে তার অসদাচ্রণ আরো কয়েক গুন বেড়ে যেতে থাকে। এ দুষ্ঠু মতি স্ত্রী গত ৬/৭/২০১১ ইং তারিখে স্বামী মহি উদ্দিন কে রাতে খাবারের সাথে বিষ মিশিয়ে গোপনে হত্যা করার চেষ্ঠা করে বলে অভিযোগ পাওযা গেছে। পরে অবশ্য মৃত্যু পথ যাত্রী মহি উদ্দিন কে নাঙ্গলকোট হাসপাতালে ভর্তি করার পর চিকিৎসকদের আন্তরিক চেষ্ঠায় সে সুস্থ্য হয়ে উঠে।

ঐ সব ব্যাপারে পূর্বাপর অনেক গ্রাম্য শালিশের পর ও নাসিমার স্বভাবের কোন পরিবর্তন না হওয়ায় সকল প্রচেষ্ঠায় হতাশ হয়ে জীবন মরন রক্ষার্তে মহি উদ্দিন গত ২৫/৭/২০১১ ইং কুমিল্লার বিজ্ঞ এডভোকেট আবদুল কাদের ভূঁইয়ার সনাক্তিতে সম্পূর্ণ ইসলামী কানুন অনুসরণে তিন তালাকে বায়েনা প্রদান করে স্বামী মহি উদ্দিন তার স্ত্রী নাসিমা কে। ঐ থেকে দু’মনের সাড়ে ১০ বছরের দাম্পত্য জীবনের অবসান হয়।

এ দিকে দুষ্ট মতি নাসিমা ও তার পরিবার বর্গের লোকদের উগ্রতা আরো অনেক গুন বেড়ে গেছে। তারা ভবিষ্যৎ মহি উদ্দিনের আরো বহু মুখী ক্ষতির চেষ্টা করছে বলে গোপন সূত্রে জানা গেছে। এমন কি মামলা মোকাদ্দামার মাধ্যমে ও আরো হয়রানী করতে পারে বলে আশংকা করেছেন অনেকে।

অবশ্য ইতো মধ্যে মহি উদ্দিনের পক্ষ থেকে তার বিজ্ঞ আইন জীবী আবদুল কাদের ভূঁইয়া কর্তৃক নাঙ্গলকোট থানার ১টি সাধারণ ডায়েরী করা হয় বলে জানা গেছে।




Check Also

কুমিল্লায় তিন গৃহহীন নতুন ঘর পেল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ– কুমিল্লা সদর উপজেলায় গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে ৪নং আমড়াতলী ইউনিয়নের গৃহহীন নুরজাহান বেগম, ...

Leave a Reply