নাঙ্গলকোটের দলু মিয়ার চার সন্তানের অত্যাচারে গ্রামবাসী অতিষ্ঠিত

বিচারের জন্য ঘুরছে সমাজ পতিদের দ্বারে দ্বারে
স্টাফ রিপোর্টার:
নাঙ্গলকোট উপজেলার হেসাখাল ইউনিয়নের হিয়াজোড়া গ্রামের দলু মিয়ার ৪ সন্তানের অত্যাচারে এলাকার বেশ কয়েকটি পরিবার দীর্ঘ দিন যাবৎ নির্যাতিত হয়ে আসছে। এলাকায় অবৈধ খারাপ কর্ম কান্ডে লিপ্ত থাকা একএকজন তিন চার বিয়ে করা, এবং এলাকায় ঝগড়া ঝাটি ও মারামারি তাদের নিত্য দিনের কাজ। দলু মিয়ার বড় ছেলে মীর হোসেন (৫০) পাশ্ববর্তী আজিয়া পাড়া গ্রামে প্রথম বিয়ে করে।

অনেক দুঃখ দুদর্শার মধ্য দিয়ে প্রথম স্ত্রী ৫ সন্তানের মা হয়। এর মধ্যে মীর হোসেন ঢাকায় ষ্টীল মেইলে চাকুরীরত অবস্থায় ঢাকায় ভানু নামের এক কাজের ভূয়াকে বিয়ে করে। মীর হোসেনের প্রথম কন্যা নরুন্নাহার (২৯) তার স্বামীর বাড়ীতে পারিবারিক কথা কাটাকাটির সূত্র ধরে তারা (দলু মিয়ার ৪ছেলে) মেয়ের স্বামীর বাড়ী গিয়ে তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়।

এবং তাদের ২য় মেয়ে লিলু আক্তার (২২) পাশের গ্রামের মহিন নামের এক ছেলের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছেলের বাড়ীতে গিয়ে (দলু মিয়ার ৪ ছেলে) ছেলের পিতা মুছা মিয়াকে বেদম মারধর করে শেষ পর্যন্ত উভয় পক্ষ মামলা করে।

দলু মিয়ার মেঝ ছেলে আমির হোসেন একই গ্রামের মরহুম ডাঃ কাদের মাষ্টারের মেঝো মেয়ে সাজুকে বিয়ে করে । সাজু তিন ছেলের মা হওয়ার পর আমীর হোসেন চট্রগ্রামের ষ্টীল মেইলে চাকুরীরত অবস্থায় আক্তারী নামের এক কাজের ভূয়াকে বিয়ে করে ।

বিয়ে করার পর প্রথম স্ত্রী সাজু বেগম এবং তার তিন ছেলের কোন খোজ খবর নিচ্ছে না। তারা বর্তমানে গাজী পুর জেলার বাগমারা বৌ বাজারের পাশে গার্মেন্টে চাকুরী করে অনেক কষ্টে দিন যাপন কাটাচ্ছে। এদিকে আমীর হোসেন তার ২য় স্ত্রী আক্তারীকে নিয়ে রঙ্গ রসে দিন কাটাচ্ছে।

আমীর হোসেন এর ২য় স্ত্রী ১ম মেয়ে আয়রিন, গ্রামের বিদ্যালয়ে ৯ম শ্রেণীতে াকা অবস্থায় পাশের গ্রাম আদ্রাতে এক টেম্পু চালকের সাথে প্রেম করার এক পর্যায়ে দু জনে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। তাতেও এলাকায় ব্যপক গুঞ্জন সৃষ্টি হয়। আমীর হোসেনের ২য় স্ত্রীর বড় ছেলে বাবু (১৮) ও তার মা আক্তারী বেগম (৩৫) গত ১০ আগষ্ট ২০১১ইং বিকালে পাশের বাড়ীর ফারুকের স্ত্রী পারভীন বেগম (৩০) ও তার ছেলে পরহাদ (৮) কে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে ফারুকের ঘরে ঢুকে বেদম মারধর করে ।

রিপটটি লেখার সময় তারা নাঙ্গলকোট সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে। এ ব্যাপারে পারভীনের স্বামী ফারুক এলাকার মেম্বার ও গণ্য মান্য ব্যাক্তিকে অবহিত করলেও তারা কোন প্রকার সাড়া দেয়নি। এ ব্যাপারে কোর্টে মামলা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

দুলা মিয়ার ৪র্থ ছেলে মোশারফ হোসেন দুইটি বিয়ে করার প্রেক্ষিতে চার সন্তানের জনক হন। প্রত্যেক স্ত্রীকে যৌতুক সহ বিভিন্ন অযুহাতে তালাক দেয়। যানা গেছে গত এক সাপ্তাহ আগে সে আরেকটি বিয়ে করে। মোশারফের প্রথম স্ত্রী একটি মামলা করে।

মামলাটি নাঙ্গলকোট থানায় এখন ওয়ারেন্ট অবস্থায় আছে। সর জমিনে গিয়ে জানা যা যে, গত ২-৩ মাস আগে তাদের বাগানের একটি লেবু ছেড়াকে কেন্দ্র করে তাদের বাড়ীর আব্দুর রশিদ (৭০) কে মারাক্তক ভাবে জখম করে। আঃ রশিদ মামলা করে মামলার ধারা ৩২৩ ,৩০৭,৩২৬,৩২৪,৩৭৯ তারিখ ১৩/০৬/২০১১ইং আরও জানা যায় দলু মিয়ার ৫ম ছেলে গোলাপ হোসেন (৩৫) উপজেলার আতাকরা গ্রামে প্রথম বিয়ে করে তিন সন্তানের জনক হয়।

এলাকা সূত্রে জানা গেছে গত ৮/৯ মাস আগে নারায়ন গঞ্জের সিকদার ষ্টীল মেইলে চাকুরীরত অবস্থায় সে এক গামেন্টে কর্মীকে প্রলভন দেখিয়ে ৪/৫ মাস ঘর সংসার করে। এ ঘটনা প্রথম স্ত্রী জানার পর সে তার বাপের বাড়ী চলে যায়। এবং নার্ ীএবং শিশু নির্যাতন ধারায় মামলা করলে গোলাপ হোসেন ঢাকার স্ত্রীকে নিয়ে কয়েক মাস পলাতক থাকে। এখন সে প্রথম স্ত্রীর ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী। এ সমস্থ কর্মকান্ডের ব্যাপারে এলাকার গণ্য মান্য ব্যক্তি বহু বার সালিশ ধরবার করলেও কোন প্রতিকার পাওয়া যায়।




Check Also

নাঙ্গলকোটে সম্মেলন ঘিরে বিভক্ত ছাত্রলীগ; বিক্ষোভ ভাংচুর, স্মারকলিপি প্রদান

  বারী উদ্দিন আহমেদ বাবর :– কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা ছাত্রলীগের কাউন্সিল ও সম্মেলনকে ঘিরে দু’গ্রুপে ...

Leave a Reply