দেবিদ্বারে রমজানে লাফিয়ে বাড়ছে নিত্যপন্যের দামঃ নেই বাজার মনিটরিংব্যবস্থা

মোঃ ফখরুল ইসলাস সাগর,দেবিদ্বার(কুল্লিা)সংবাদদাতা :

রমজানের শুরুতেই দেবিদ্বার উপজেলার হাটবাজার গুলোতে প্রয়োজনীয় নিত্যপন্যের দাম বেড়েই চলছে। এতে নিন্ম মধ্যবিত্য পরিবারের মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। বাজার গুলোতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনের জন্য নেই কোন মনিটরিং ব্যবস্থা যার ফলে অনেকটা খেয়াল খুশিমত কেনা বেচা করছেন বিক্রেতারা।

গতকাল বুধবার সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায় ,সরকার নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের দাম নির্ধারন করে প্রত্যেক দোকান গুলোতে বৃক্রির চার্ট দিলেও মানছেনা বিক্রেতারা। সরকার চিনির দাম নির্ধারন করে দিয়েছিল ৬৫ টাকা কিন্তু কেজিতে রেড়েছে ১০ থেকে ১২টাক। ধনে পাতা ২০০থেকে ২৫০টাকা,কাচামরিচ ৯০থেকে ১০০টাকা, টমেটু ৮০ থেকে ৯০টাকা কালো বেগুন ৩০থেকে ৫০টাকা, সিম ৯০ থেকে১০০ টাকা, করলা২৫ থেকে ৪০টাকা, পটল ২০থেকে ৩০টাকা ,বরবটি ৩০ থেকে৪০টাকা,শুকনা মরিচ ১৬০ থেকে ১৮০টাকা ,খেসারির ডাল ৩৬ থেকে৪০টাকা ,মটর ৩০ থেকে ৪০টাকা, মুশুরীর ডাল ৭৫ থেকে ৯০,টাকা, সোলা বুট ৬০ থেকে ৬৫টাকা ,সয়াবিন প্রতিলিটার ১০৫ থেকে ১১০টাকা,চিনির জিলাপি ৭০থেকে১২০টাকা দরে বেড়েছে।

এ ব্যাপারে বাজারে উপস্তিত ক্রেতা,এ্যপোলো হোটেলের মালিক মোঃরুবেল ও বারুর গ্রামের মেহেদি হাসান এই প্রতিবেদককে অভিযোগ করে বলেন,রোজাকে পুজি করে বাজারে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পন্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে। বাজারে দ্রব্যসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধিতে তারা বর্তমান ডিজিটাল সরকারে নিয়ন্ত্রণহীন বাজার মনিটরিং ব্যবস্থাকে দায়ি করেন। এতে নিন্ম মধ্যবিত্য পরিবারের মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।বাজার নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য দেবিদ্বারের জনসাধারন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেন।




Check Also

নিউইয়র্কের চিকিৎসক ফেরদৌস খন্দকারে দেওয়া খাদ্য পাচ্ছে দেবিদ্বারের ১ হাজার পরিবার

দেবিদ্বার প্রতিনিধিঃ করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে লকডাউনের কারনে কর্ম হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছে দেশের হাজার হাজার ...

Leave a Reply