নাঙ্গলকোটে বৃদ্ধের দেড় কোটি টাকার সম্পত্তি আত্নসাতের অভিযোগ

ষ্টাফ রিপোটার:
নাঙ্গলকোটের সাতবাড়িয়ার এক বয়োবৃদ্ধের প্রথম ঘরের সন্তানরা অন্য লোককে তাদের ভূয়া পিতা সাঝিয়ে প্রতারনার মাধ্যমে জাল দলিলে ২ একর ৩০ শতক জমি যার মূল্য ১কোটি ৫০লাখ টাকা আতœসাত করার ঘটনা ঘটিয়েছে। ঘটনা জানতে পেরে তাদের পিতা ৯জনকে আসামী করে নাঙ্গলকোট থানায় মামলা করে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, নাঙ্গলকোটের সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের মৃত আব্দুল মজিদের
ছেলে হাজী আব্দুল মালেক (৭৫) ৩ বিয়ে করে। ৫ ছেলে ১মেয়ে রেখে ১ম স্ত্রী ১৯৭৯ ইং সালে মৃত্যুবরণ করে। দ্বিতীয় স্ত্রী ৫ছেলে ২মেয়ে রেখে ২০০২সালে মারা যায়। তৃতীয় স্ত্রী নিঃসন্তান। প্রথম ঘরের সন্তানরা গত ২২/১১/২০০৯ইং তারিখে নাঙ্গলকোট রেজিষ্ট্রি অফিসে এসে তাদের পিতা হাজী আব্দুল মালেক এর স্থলে চৌদ্দগ্রাম থানার কেন্দুয়া গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলাম হকের ছেলে মোঃ আমীর হোসেন তোতা মিঞাকে তাদের পিতা- আব্দুল মালেক সাঝিয়ে সাতবাড়িয়া মৌজার বি, এস খতিয়ান নং- ৩০৬২ জে এল নং- ২৭৫, হাল দাগ নং- ৬০১০/৬০২০/১২৫৮/১৩৫৬ দাগে ২একর ৫শতক ও সৃজিত দলিল নং- (১) ৯৮৩৪/০৯ তাং- ২২/১১/২০০৯ইং (২) একই খতিয়ান ভূক্ত দাগ নং ৯৮৩৫/০৯ সাবেক দাগ ৬৪৮ হাল দাগ নং- ১২৪৯ = ২৫ শতক সহ মোট-২ শ-৩০ শতক জমি প্রতারনার মাধ্যমে আতœসাত করার উদ্দেশ্য জাল দলিল করে সম্পত্তির মালিকানা দাবী করে। সম্পত্তির বাজার মূল্য প্রায় ১কোটি ৫০লক্ষ টাকা। জমির মালিক হাজী আব্দুল মালেক খবর পেয়ে ২৬ জুলাই ২০১১ইং নাঙ্গলকোট থানায় ১। আবুল কালাম ২। জসিম উদ্দিন ৩। মনির আহম্মেদ (স্বপন) ৪। সাহাব উদ্দিন ৫। নাসির আলম সর্ব পিতা- হাজী আব্দুল মালেক, সাতবাড়িয়া ৬। আক্তার হোসেন ৭। আব্দুল আলী প্রকাশ আলী মিঞা ৮। আব্দুর রহিম ভেন্ডার পিতা- মৃত- হাজী কালা মিঞা পাটোয়ার, নাঙ্গলকোট ৯। আমীর হোসেন প্রকাশ তোতা মিঞা (৭০) পিতা- মৃতা- সিরাজুল ইসলাম, কেন্দুয়া, আলকয়া, শিলরী, পদুয়া বাজার, চৌদ্দগ্রাম, এই ৯ জনকে আসামী করে নাঙ্গলকোট থানায় মামলা করে। মামলা নং ১৫/১১০ ধারা: ৪৬৭/৪৭১/৪১৯/৪২০/দ: বি: তাং ২৬/৭/২০১১ইং। ঘটনা জানাজানি হলে আসামীদের চাচা ডাঃ আবুল হাসেমকে দিয়ে সমঝোতার মাধ্যমে ঘটনার সিষ্পত্তির চাপ সৃষ্টি করছে বলে জানা গেছে।





Check Also

কুমিল্লায় তিন গৃহহীন নতুন ঘর পেল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ– কুমিল্লা সদর উপজেলায় গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে ৪নং আমড়াতলী ইউনিয়নের গৃহহীন নুরজাহান বেগম, ...

Leave a Reply