বিশ্বের ৪২ টি স্থানে গণবিক্ষোভ ও একযোগে বাংলাদেশ দূতাবাস ঘেরাও করেছে বহির্বিশ্ব বিএনপি

নিউইয়র্ক প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ সরকার কতৃক নির্মমভাবে বিরোধী দল দমন, জিয়া পরিবার ধংসে বর্তমান সরকারের নানাবিধ পদক্ষেপ, এবং বিচার বিভাগ দলীয়করনের প্রতিবাদে বর্হিবিশ্ব বিএনপির ডাকে আজ ২২ জুলাই পৃথিবীর ৩৮টি স্থানে একযোগে বাংলাদেশ দূতাবাস ঘেরাও করে রাষ্ট্রপতির বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

কোথাও কোথাও ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগকে ধাওয়া, কোথাও রাষ্ট্রদূতকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা, এমনকি কোথাও আন্তঃদলীয় কোন্দলকে উপেক্ষা করে আজ বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে বর্হিবিশ্ব বিএনপি। বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে একযোগে একই সময়ে দূতাবাস ঘেরাও করে প্রতিবাদ জানানোর এক অনন্য ঘটনার জন্ম হয়েছে আজ। ১৬ জুলাই নিউইয়র্কে এ কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছিলেন বর্হিবিশ্ব বিএনপির আহবায়ক ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল লতিফ সম্রাট।

২২ জুলাই স্থানীয় সময় বেলা ২টায় অষ্ট্রেলিয়া বিএনপি সর্বপ্রথম বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি দেয়া শুরু করে। এর পরে পূর্বএশিয়ার দেশগুলো, অস্ট্রেলিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, সর্বশেষে আমেরিকা মহাদেশে গিয়ে শেষ হয় কর্মসূচি। বাংলাদেশের ঘড়িতে তখন ২৩ জুলাই রাত ৩টা।

বাংলাদেশ সরকারের জুলুম নির্যাতনের প্রতিবাদ আহুত এ কর্মসূচি পালনের লক্ষে বর্হিবিশ্বের জাতীয়তাবাদী দলের নেতাদের সাথে টেলি ও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চার মহাদেশের মোট ৪২টি দেশের বিএনপি নেতাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা হয়। বর্হিবিশ্ব বিএনপির আহবায়ক আবদুল লতিফ সম্রাটের সার্বিক তত্ত্বাবধানে যুগ্ম আহবায়ক (সকল) কামরুল হাসান জনি, মহিউদ্দিন আহাম্মেদ, মাহাবুব আলম শাহ, গাজী মনির, সদস্য সচিব মোসলেহ উদ্দিন আরিফ, যুগ্ম সদস্য সচিব মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল, আনোয়ারুল ইসলাম, আকতার হোসেন বাদল, হাফিজ খান সোহায়েল, ও বিশেষ সহযোগীতায় মতিউর রহমান লিটু ব্যাপক তৎপরতা চালান।

ওয়াশিংটনঃ

ওয়াশিংটন মেট্রো বিএনপির উদ্যোগে আজ ২২ জুলাই বাংলাদেশ দূতাবাস ঘেরাও করে। বিএনপির সভাপতি ডঃ আশ্রাফ আহমদের নেতৃত্বে প্রায় দুই শতাধিক বিক্ষোভকারী সরকার বিরোধী বিভিন্ন স্লোগানে কাপিয়ে তোলে দূতাবাস এলাকা। বিক্ষোভ কারীরা রাষ্ট্রদুত আকরামুল কাদেরকে হাসিনার দালাল বলে আখ্যায়িত করে। স্লোগানের ভাষা ছিল, “ভারতীয় দালালেরা হুশিয়ার সাবধান, এক দফা এক দাবি হাসিনা তুই কবে যাবি….ইত্যাদি”। স্লোগান শুনে ওয়াশিংটন পুলিশের লোকজন এগিয়ে এসে বিস্তারিত জানতে চায়। বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে জানায়, বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশে বিরোধী দলের হুইপ জয়নাল আবেদিন ফারুককে পুলিশ নির্মমভাবে ভাবে পিটিয়েছে। একথা শুনে তারা লজ্জিত বোধ করে sorry, sorry, very sorry বলে এবং বিক্ষোভকারীদের সাথে সমবেদনা জানায়। সমাবেশ শেষে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর নিমিত্ত একটি স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়। বর্হিবিশ্ব বিএনপি ঘোষিত দুতাবাস ঘেরাও কর্মসুচী বানচালের লক্ষে বিএনপির ভিতরে লুকিয়ে থাকা সরকারী কিছু এজেন্ট চেষ্টা করে। তারা নেতা কর্মীদের ভয় ভীতি দেখিয়ে ব্যর্থ হয়। এরপরে আওয়ামীলীগের কয়েকজন কর্মী দূতাবাস কর্মসূচিতে বাধা দিতে আসলে বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া খেয়ে তারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।খবর বাপসনিঊজ,

হোয়াইট হাউজঃ শত শত বিএনপি নেতা কর্মীদের ব্যাপক বিক্ষোভে প্রকম্পিত।

বাংলাদেশ সরকার কতৃক বিরোধী দলের উপর অত্যাচার নির্যাতন ও জিয়া পরিবার ধংসের জন্য শেখ হাসিনার উন্মক্ততার প্রতিবাদে মার্কিন সরকারের দৃষ্টি আকর্ষনের উদ্দেশ্যে হোয়াইট হাউজের সামনে শত শত প্রবাসী বাংলাদেশী বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ করে। ওয়াংশিটন মেট্রো বিএনপির নেতৃত্বে বিক্ষোভকারীরা ব্যানার, বাংলাদেশ সরকার বিরোধী পলাকার্ড ও ফেস্টুন নিয়ে বেলা ১২ টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত হোয়াইট হাউজের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেয়। আয়োজিত সমাবেশে সভাপতি ডাঃ আশরাফ উদ্দিন ছাড়াও হাফিজ খান সোহায়েল, মোহাম্মাদ হোসেন, রনি রহমান, মাসুদুর রহমান, অভি আলম বক্তব্য রাখেন। বক্তারা শেখ হাসিনা সরকারের বিভিন্ন অগণতান্ত্রিক কর্মকান্ড ও দমন পীড়নের কথা উল্লেখ করেন। এ সময় মুহুর্মুহ শেলাগান দিয়ে সরকারের কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করা হয়। অন্যান্যের মধ্যে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা কাজী এম রহমান, জাহাঙ্গীর আলম, মজনু মিয়া, নাফিজ আহমেদ, হারুনুর রশীদ, জয়েন্ট সেক্রেটারি মাসুদুর রহমান, তারিকুল ইসলাম, ফিরোজ আলম, তৌহিদুল ইসলাম, খন্দকার জি হাসান, আলবাব হোসেন, কবিরুল ইসলাম, খালেদ দপাদার, কাজী শওকত আজীজ, রনি রহমান, জাকির আলম, রাসেল ইমন, নাসির উদ্দীন, ফজলুর রহমান, নাসির উদ্দীন নেসার, আবু মুসা, মুনির হোসেন, শাহাদাত হোসাইন, নুর মোহাম্মদ লিটন, হুমায়ুন কবির, কামাল পাশা, ও সালাউদ্দীন আখন্দ সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীরা।

অষ্ট্রেলিয়াঃ সিডনী কনসুলেটে গণবিক্ষোভে শেখ হাসিনা ও মাসুদকে প্রতিহত করার ঘোষনা

বহির্বিশ্ব বিএনপি, অষ্ট্রেলিয়া বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল ছাত্রদলের উদ্যোগে সিডনীতে বাংলাদেশ কনসুলেটের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বহির্বিশ্ব বিএনপির সদস্য সচিব মোসলেহউদ্দিন আরিফের নেতৃত্বে গণবিক্ষোভে অংশ গ্রহন করেন অস্ট্রেলিয়া বিএনপি ও অংগসংগঠনের নেতা এম এম সারওয়ার বাবু, ইব্রাহীম খলিল মাসুদ, হাফিজুল ইসলাম তারেক, সর্দার মো: খালেদ, ইয়াসিন আরাফাত সবুজ, এএনএম মাসুম, মোস্তফা মোরশেদ নিথুন, মোস্তাফিজ আল মামুন, শাহাদাত হোসেন সোহেল, ওমর ফারুক, হুমায়ুন কবির, নোমানুল ইসলাম প্রমুখ। বাংলাদেশের বর্তমান সার্বিক অবস্থা তুলে ধরে মহামান্য রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি কনসুলেট অফিসার মোশাররফ হোসেনের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

নিউইয়র্কঃ

বাংলাদেশ সরকার কতৃক বিরোধী দলের উপর অত্যাচার নির্যাতন ও জিয়া পরিবার ধংসের লক্ষে হিংসাত্মক কার্যকলাপের প্রতিবাদে আজ বেলা দুইটায় শত শত প্রবাসী বাংলাদেশী নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনসুলেট ঘেরাও করে। বর্হিবিশ্ব বিএনপির আহ্বায়ক ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল লতিফ সম্রাটের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশটি পরিচালনা করেন বর্হিবিশ্ব বিএনপির যুগ্ম সদস্য সচিব ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম, আকতার হোসেন বাদল, মতিউর রহমান লিটু প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

বিক্ষোভকারীদের প্রচন্ড হৈ চৈ ও শ্লোগানে চারিদিক প্রকম্পিত হয়ে উঠে। ‍এ সময়ে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা নিউইয়র্ক পুলিশের সদস্যরা এগিয়ে আসে এবং বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চায়। নেতারা বাংলাদেশ সরকারের নির্যাতন ও অন্যায় অত্যচারের কথা বর্ননা করেন। বিরোধী দলের প্রধান হুইপের ওপর পুলিশী আক্রমনের ভিডিও ফুটেজ দেখালে তারা বলে ওঠেন, ড় সু এড়ফ. ংযধসব. ংযধসব. ঃযরং ংযড়ঁষফ হড়ঃ নব ফড়হব বলেন। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের একটি গ্রুপ বিক্ষোভ কর্মসূচি বানচালের উদ্দেশ্যে কনসূলেটের আশে পাশে হাজির হয। কিন্তু তারা সংখ্যায় অনেক কম ছিলো। এক পর্যায়ে বিএনপির নেতা কর্মীরা “বাকশালীদের ধর ধর” বলে চিৎকার করলে তারা পালিয়ে যায়।

বাংলাদেশ কনসুলেট ঘেরাও এবং বিক্ষোভ সমাবেশে আরো উপস্হিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সহসভাপতি হযরত আলী, মেট্রো বিএনপির সভাপতি মাওলানা ওলিউল্লাহ আতিকুর রহমান, নিউজার্সি বিএনপির সভাপতি সোলায়মান সেরনিয়াবাদ, বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিন, জসিমউদ্দিন ভিপি, রফিকুল ইসলাম ডালিম, নার্গিস সেরনিয়াবাদ, চিত্তরঞ্জন সিং, আনোয়ার পারভেজ সহ নেতৃবৃন্দ।

নিউইয়ক শহরের রেকর্ড ১০৪ ডিগ্রি গরম উপেক্ষা করে বেলা আড়াইটায় বিপুল সংখ্যক নেতা কর্মীর উপস্হিতি ছিলো উল্লেখ করার মতো। বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে রাষ্ট্রপতির উদ্দেশ্যে কনসাল জেনারেল জনাব সাব্বির আহমেদের কাছে স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন নেতৃবৃন্দরা।

নিউজার্সি বিএনপির বিক্ষোভ:

জিয়া পরিবারকে ষড়যন্ত্রের হাত থেকে বাঁচানোর সংগ্রামে নিউজার্সি বিএনপি সভাপতি সোলায়মান সেরনিয়াবাদ ও সহসভাপতি গিয়াস উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল নিউ ইয়র্ক কনস্যুলেটের সামনে গণবিক্ষোভ কর্মসুচিতে অংশ নেয়। এ সময় পিতা মাতাদের সাথে আসা শিশুরা ব্যতিক্রমী বিক্ষোভ দেখিযয়েছ। বাংলাদেশ সরকারের অগণতান্ত্রিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদ জানানোর জন্য নিজ হাতে লেখা প্লাকার্ড ফেস্টুন নিয়ে তারা হাজির হয় নিউইয়র্ক কন্সাল জেনারেল অফিসের সামনে। শিশুদের এসব প্লাকার্ডে লেখা ছিল Stop killing, Killer Hasina. Step down Hasina.

যুক্তরাজ্য বিএনপির বাংলাদেশ হাইকমিশন ঘেরাও

বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশ দূতাবাস ঘেরাওয়ের ডাকে সাড়া দিয়ে যুক্তরাজ্য বিএনপি আজ বাংলাদেশ হাইকমিশন ঘেরাও করেছে। যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক আবদুল মালেকের নেতৃত্বে বিএনপি ও অংসংগঠনের নেতা কর্মীরা এ ঘেরাও কর্মসূচিতে অংশ নেয়। যুক্তরাজ্য বিএনপি সরকারের অগণতান্ত্রিক কর্মকান্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানায়। আবদুল মালেকের নেতৃত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন আবদুর রহিম, এবাদুর রহমান, আবদুল মুহিত সহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা।

সৌদি আরবঃ

সৌদি আরব বিএনপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শহিদুল্লাহ ভুইয়ার নেতৃত্বে আজ রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসে স্মারকলিপি পেশ করা হয়। স্মারকলিপিতে বাংলাদেশ সরকারের অগণতান্ত্রিক আচরন, বিরোধী দলের উপর মামলা হামলা, জিয়া পরিবার ধংসের অপচেষ্টা, বিচার বিভাগের উপর নগ্ন হস্তক্ষেপের প্রতিবাদ করা হয় এবং এ সকল অপকর্ম বন্ধের দাবী জানানো হয়। আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস প্রেসিডেন্ট ফারুক আহাম্মেদ, শ্রমিক দলের আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান, সৌদিআরব যুবদল সেক্রেটারী আলমগীর হোসেন সহ নেতৃবৃন্দ।

ফ্রান্সঃ

ফ্রান্স বিএনপির আহবায়ক সৈয়দ সাইফুর রহমানের নেতৃত্বে আজ শুক্রবার প্যারিসে বাংলাদেশ দূতাবাস ঘেরাও করে প্রতিবাদ জানায় ফ্রান্স বিএনপি। হাজী হাবিবের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ফ্রান্স বিএনপির আহবায়ক সৈয়দ সাইফুর রহমান, বিএনপি নেতা আবুল কালাম ফরাজী, এইচ এম হাবিব, সিরাজুর রহমান, সানোয়ার খান, শাহজামাল, জালাল খান, শামসুল ইসলাম, মালেক আহমেদ, ওমর গাজী, আবদুল কাইউম, সাইফুল ইসলাম, মাহবুবুর রহমান প্রমুখ। বক্তারা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হিংসাত্মক ও অগণতান্ত্রিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করেন। রাষ্ট্রপতি কতৃক খুনের আসামীকে ফাসি মাফ করে দেয়ার কঠোর সমালোচনা করেন। বর্তমান প্রশাসনকে রক্ষী বাহিনীর সাথে তুলনা করে বক্তারা বলেন, চুহাত্তর সালে ‍বাকশাল করে শেখ মুজিবের যেমন রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটে, তেমনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক অপমৃত্যু ঘটেছে এবার। বিক্ষোভ শেষে সভাপতি সৈয়দ সাইফুর রহমান ও হাজী হাবিবের নেতৃত্বে অন্যন্য নেতারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির বরাবরে পাঠানোর জন্য দূতাবাসের কর্মকর্তা ১ম সচিবের নিকট স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন।

মালয়েশিয়াঃ


২২ জুলাই বেলা ২ টায় কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ দূতাবাস ঘেরাও করে দূতাবাসের স্মারকলিপি পেশ করে স্থানীয় বিএনপি। মালয়েশিয়া বিএনপির সভাপতি মাহবুব আলম শাহ এর নেতৃত্বে এ ঘেরাও কর্মসূচি উপলক্ষে প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার একের পর এক রাষ্ট্রবিরোধী চুক্তি করে যাচ্ছে। জনগেনের মতামতকে উপেক্ষা করে ভারতকে করিডোর দিচ্ছে। সরকারের এহেন দেশবিরোধী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে দেশে বিদেশে বিএনপি প্রতিবাদ করে আসছে। আর এ প্রতিবাদ থামানোর লক্ষে ভারতের পরিকল্পনায় জিয়া পরিবার ধংস করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে হাসিনা সরকার। তারা নিজেদের নামের হাজার হাজার মামলা তুলে নেয়, অথচ খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করছে। বাংলাদেশের সংগ্রামী জনতা আওয়ামী-বাকশালীদের এ অপচেষ্টা অতীতের মতই রুখে দেবে। বক্তারা শেখ হাসিনার প্রতি হুশিয়ারী উচ্চারন করে বলেন, এসকল স্বৈরাচারী কর্মকান্ড অবিলম্বে বন্ধ না হলে জনগনকে সাথে নিয়ে একদফার আন্দোলন করে তার পতন ঘটনো হবে। বিদেশী কোনো প্রভু তাদের রক্ষা করতে পারবে না। এ ঘেরাও কর্মসূচিতে অংশ নেন বর্হিবিশ্ব বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক তালহা মাহমুদ, মোঃ মোশাররফ হোসেন, মোঃ গোলাম মোস্তফা, একে এম ফজলুল হক স্বপন, রফিকুল ইসলাম ইলিয়াস, ফরিদুর রহমান, মোঃ হাবিবুর রহমান রতন, মোঃ নাসির উদ্দিন নাসির, সিরাজুল ইসলাম মাহমুদ, মোস্তাফিজুর রহমান, মনজু খাঁ, মিনহাজ মন্ডল, মির্জা সালাহউদ্দিন, শাওন, মোঃ শাহজাহান হাওলাদার, আহম্মদ হোসেন সাগর, মোঃ সালাউদ্দিন খান, মোঃ কামাল উদ্দিন, মোঃ আলমগীর, আরাফাত আলী, মহসিন আলম (মনা), আমিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গির আলম, তোফাজ্জল হোসেন, আরমান, আমিনুল ইসলাম, দৈনিক দিনকাল প্রতিনিধি মোঃ আলী রেজা, সাংবাদিক কায়ছার হান্নান প্রমুখ।

ফিনল্যান্ড ও সুইডেনঃ

সুইডেনস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সম্মুখে ফিনল্যান্ড ও সুইডেন বিএনপির উদ্যোগে সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশীদের গণবিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। ফিনল্যান্ড বিএনপির সভাপতি কামরুল হাসান জনি ও সুইডেন বিএনপির সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ জিন্টুর নেতৃত্বে গণবিক্ষোভে অংশগ্রহন নেন মেহেদী হাসান কচি, আকতারুজ্জামান ফনু, নাজমুল সিপার, হেলালউদ্দিন হেলু, মোবিন মোহাম্মাদ, শফিক সরকার, মোখলেছুর রহমান চপল, এনাজুল হক ও এজাজুল হক রুবেল প্রমুখ। সমাবেশ শেষে দূতাবাসের মাধ্যমে একটি স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়।

ডেনমার্কঃ

কোপেনহাগেন থেকে কাওসার মাহমুদ জানিয়েছেন, বাংলাদেশের সরকার কতৃক মানবাধিকার লংঘন, বিচার বিভাগের দলীয় করন, জিয়া পরিবার ধংসের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ডেনমার্ক বিএনপির সভাপতি গাজী মনির আহমেদের নেতৃত্বে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং ডেনমার্কস্থ জেনারেল কনসুলেট অফিসে মিষ্টার পিটার বার্নহফে কাছে রাষ্ট্রপতি বরাবর এক স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন। উক্ত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি শিকদার মিজানুর রহমান, কাজী শাহজাহান, দীল মোহাম্মদ, নাসির খান, গাজী এরশাদুল্লাহ বাবুল, আসাদুর রহমান খান, ওয়ালিউল বাতেন, রাজীব হাসান, কাজী আলেকজান্ডার, কাজী সাদমান সুপ্ত, সারোয়ার খান প্রমুখ।

স্পেন বিএনপিঃ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল স্পেন শাখার উদ্যোগে বাংলাদেশ দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচিতে মোঃ ইনসান উদ্দিন আহম্মেদ, আব্দুল কায়ূউম পংকি, মোঃ আরিফ হোসেন সরকার, তালাত মাহমুদ উজ্জল, শরীফ মনিরুজ্জামান, আব্দুল জলিল খাঁন নেতৃবৃন্দ।

অন্যান্য দেশঃ

পর্তূগাল বিএনপি সভাপতি রাব্বির হাসান, জার্মানী বিএনপির সভাপতি দেওয়ান শফিকুল ইসলাম, ইতালী বিএনপির সাধারন সম্পাদক আশরাফুল আলম, সংযুক্ত আরব আমীরাতের বিএনপি সভাপতি হাজী মোঃ শরাফত আলী ও সাধারন সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন, কুয়েত বিএনপির সাধারন সম্পাদক কামরুল হাসান বাবলু, কাতার যুব দলের আন্তর্জাতিক সম্পাদক শরিফুল হক সাজু, হল্যান্ড বিএনপির সভাপতি সেলিম মোঃ সালাউদ্দিন, এমএইচ মামুনের নেতৃত্বে কানাডার কিচেনার সিটি হলের সামনে স্ব স্ব দেশের দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি ও বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন।খবর বাপসনিঊজ





Check Also

রিয়াদে জ্যাবের ‘অমর একুশে’ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ষ্টাফ রির্পোটার :– “অমর একুশের চেতনায় গন মানুষের মনে জেগে উঠুক উজ্জলতা উৎকৃষ্টতা” শীর্ষক আলোচনা ...

Leave a Reply