মৌকরা দরবার ছারছীনা দরবার থেকে আলাদা হওয়ার সুর বেজে ওঠেছে

বিশেষ প্রতিনিধি:

সম্প্রতি ছারছীনা পীর সাহেবের আচরণে ক্ষুদ্ধ মৌকরার পীর ও তার প্রধান চার খলিফা। মৌকরা মাহফিলে ছারছীনা পীর সাহেবের অবস্থান, নানা দিক থেকে একটি কথাই আসছে মৌকরার পীরের উপর ছারছীনার পীর সাহেব আর আস্থা রাখতে পারছেন না। তাই কুমিল্লা জেলার কার্যক্রমে মৌকরার পীরকে অতীতের মতো ক্ষমতা ব্যবহার করতে দিচ্ছে না ছারছীনার পীর সাহেব। এ বিষয়টি মানুষ বুঝতে বাকী নেই, বিষয়টি মৌকরার পীর ও তার প্রধান চার খলিফার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। বিস্বস্ত সূত্রে জানা যায়, মৌকরার পীরের প্রধান চার খলিফাগন পরামর্শ দিচ্ছেন যে ছারছীনার পীর সাহেব যে ভাবে বলছেন আমরা সেই ভাবেই সব কাজ ও যাবতীয় ডোনেশান দেই। তারপরও তাকে খুশি করা যাচ্ছে না। এ নিয়ে মানুষ আমাদেরকে ধিক্কার দিচ্ছে। এ ধরনের অসম্মান আর মেনে নেয়া যায় না। মৌকরা দরবার নিজস্ব গতিতে চলার আর্থিক ও সাংগঠনিক সামথ্য বর্তমানে আছে। তাই সামনের দিন গুলিতে এ ধরনের অসম্মান আর সহ্য করা হবে না। এ ধরনের অসম্মান করলে আমরা আলাদা চলার প্রসত্তুতি নেওয়া দরকার। সম্প্রতি ০৫ই জুন ২০১১ ইং রোজ রবিবার তিলিপ দরবারে ছারছীনা পীর সাহেব আসেন। এ আসাকে ভালো চোখে দেখছেন না মৌকরার পীর এবং তার সহযোগীগন, কারন অতীতে মৌকরার পীরের মতামতের ভিত্তিতে তিলিপে ছারছীনার পীর সাহেব মাফফিল করতেন বর্তমানে তাকে উপেক্ষিত করা হচ্ছে। তাই তিলিপের মাহফিলে মৌকরা মাদ্রাসার ছাত্র শিক্ষক না যাওয়ার জন্য মৌকরা ভন্ড পীরের নিষেধ ছিল।

মৌকরা পীরের চার খলিফাগনের পরিচিতি:

মাও: আনোয়ার হোসেন ইবনুন মিস্ত্রি ইনি মৌকরার পীরের প্রধান খলিফা। তিনি মৌকরা মাদ্রাসার সব কিছুই নিয়ন্ত্রন করেন। তার কথার উপরে পীর নেছারের ও কিছু করার থাকেনা। কারন ভন্ড পীর নেছারের সকল অপকর্মের সগযোগীও প্রত্যক্ষদর্শী সে। তিনি বর্তমানে কোটিপতি। নাঙ্গলকোট লাকসাম মিলে তার তিনটি বাড়ী আছে। ভন্ড পীর নেছারের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারলে ভবিষ্যতে আরো বাড়ীর মালিক হতে পারবেন বলে সূত্র জানা যায়। তার আয়ের উৎস নিয়ে নানা জনে নানা কথা সর্ব সময়ই বলে থাকে।
হাফেজ আবুল হাশেম ইবনুন চকিদার বিদেশ থেকে এসে মৌকরা মাদ্রাসায় যোগদান করেন। এরপর পেয়ে যান আলাদ্বিনের চেরাগ। ইনি মৌকরা পীরকে ছারছীনা থেকে আলাদা হওয়ার জন্য ফর্মূলা দিচ্ছেন। তার পরামর্শেই জমিয়তে হিযবুল্লাহর সবগুলি কমিটি নতুর করে সাজানো হয়। যা নিয়ে ইতমধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলেও সব গুলো কমিটি বাতিল হয়েছে। তিনি রাতারাতি নাঙ্গলকোট উপজেলার তালিম দাতা হয়েছেন এবং অঘোষিত পীর বনে গেছেন। ইতিমধ্যে তিনিও পীর নেছারের মদদে নতুন একটি বাড়ীও করেছেন। তার আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন আছে জনমনে।
মাও: রফিকুল হোছাইন ইবনে মাজনুন ইনি মৌকরার পীরের ভাগ্নি জামাই। এবং মৌকরা মাদ্রাসার প্রভাবশালী উপাধক্ষ্য আপাতত তার কথায় পীর নেছার ওঠা বসা করে। সেই সুবাদে অত্র প্রতিষ্ঠানে অত্যন্ত ক্ষমতাধর ব্যক্তি তিনি তার ভাষায় আমি ছারছীনা মাদ্রাসায় লেখাপড়া করেছি, কি ভাবে কি করতে হয় আমি সব জানি।
মাও: সাইফুল্লাহ ইনি এক সময় আবাসিক সুপার পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা তছরুপের কারনে বর্তমানে বোডিং সুপারের দায়িত্বে নেই। নেছারের বাল্য জীবনের খাদেম হওয়ার সুবাদে বর্তমানে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পান।




Check Also

নাঙ্গলকোটে সম্মেলন ঘিরে বিভক্ত ছাত্রলীগ; বিক্ষোভ ভাংচুর, স্মারকলিপি প্রদান

  বারী উদ্দিন আহমেদ বাবর :– কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা ছাত্রলীগের কাউন্সিল ও সম্মেলনকে ঘিরে দু’গ্রুপে ...

Leave a Reply