নাঙ্গলকোট, চৌদ্দগ্রাম ও লাকসাম রেজিস্ট্রি অফিসে অদ্ভূত বাণিজ্য

জামাল উদ্দিন স্বপন, ২জুন ২০১১ (কুমিল্লাওয়েব ডট কম) :
নাঙ্গলকোট চৌদ্দগ্রাম ও লাকসাম রেজিস্ট্রি অফিস দূর্ণীতি ও অনিয়মের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। জমির শ্রেণীবিন্যাসকে পুঁজি করে কতিপয় অসাধু-কর্মকর্তা, কর্মচারী, দলিল লেখক ও দালালরা লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এতে সরকার লাখ লাখ টাকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে। সার্বক্ষণিক রেজিষ্ট্রি অফিসে থাকা বেশ কজন দালাল ও অর্থ শিক্ষিত দলিল লেখকের মাধ্যমে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা লুটপাট হলেও কর্তৃপক্ষের সে দিকে মাথা ব্যাথ্যা নাই। সরকারের নিয়ম অনুযায়ী ৫শ্রেণীতে বিভক্ত করে জমি বেছাকিনা হয়। বাস্তবিটা, দাঙ্গা, বাঁশঝাড়, বাগান, ধানী জমি, বিল, বাজার, ডোবা, পুকুর ও দোকান কেনা বেচার জন্য রয়েছে সরকারী মূল্য তালিকা। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মূল্য বাজার /দোকান শ্রেণীর, এরপর বাস্তভিটা, ডাঙ্গা, পুকুর ও ধানী জমির মূল্য। সবচেয়ে কমমূল্যে বিল ডোবা শ্রেণীর জমি বেচা-কেনা হয়। এছাড়া জমির বিক্রয় মূল্য সরকারী ভাবে প্রতি লাখে রাজস্ব ১০ হাজার টাকা দেয়ার কথা থাকলেও দলিল লেখকরা প্রতি লাখে পৌর এলাকায় ১২ থেকে ১৩ হাজার ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ১০ থেকে ১১ হাজার টাকা নিচ্ছেন। এর মধ্যে দলিল লেখক সমিতির নামে ২শত টাকা নেয়া হচ্ছে। বিশ্বস্তসূত্র জানায় নাঙ্গলকোট চৌদ্দগ্রাম ও লাকসাম দলিল লেখক সমিতির নামে যে টাকা নেয়া হয়। তা নিজেদের ভাগবাটোয়ারা হয়। এছাড়া শ্রেণী বিন্যাসের নাম করে দূর্ণীতি বাজরা আবাসিক এলাকাকে ডাঙ্গা দেখিয়ে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। কর্মকর্তা, কর্মচারী, লেখক ও দালালদের মাঝে তার পর্যায়ক্রমে বন্টন হয়। সূত্র আরো জানায় নাঙ্গলকোট চৌদ্দগ্রাম ও লাকসাম ও রেজিষ্ট্রিঅফিসে কর্মকর্তা কর্মচারীও দলিল লেখকদের ডজন খানিক দালাল রয়েছে। ঐ সব দালাল জমির মালিকদের কাছ থেকে জমির হাল দাগের পর্চা, দলিলের সার্টিফাই কপি ও দলিল সম্পাদন করে অতিরিক্ত টাকা আদায় করতে। জমির মালিকরাও নিরুপায় হয়ে টাকা দিতে বাধ্য হচ্ছেন। এই ব্যাপারে এলাকাবাসী ও ভোক্তভূগী সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি চেয়েছে


Check Also

করোনাযুদ্ধে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিমকে বুড়িচংয়ে সমাহিত

বুড়িচং প্রতিনিধিঃ করোনাযুদ্ধে পুলিশে প্রথম জীবন উৎসর্গকারী কনস্টেবল জসিম উদ্দিনকে (৩৯) কুমিল্লায় সমাহিত করা হয়েছে। ...

Leave a Reply