হাত বাড়ালেই পাওয়া যায় কেড়ির বড়ি তিতাসে হঠাৎ বেড়ে গেছে আত্মহত্যা

নাজমুল করিম ফারুক, তিতাস :

তিতাসে বিভিন্ন হাট-বাজারে কেড়ির বড়ি সংরক্ষণের পাইপ। যার একটির ভিতরে ৩০টি বড়ি থাকে
তিতাস উপজেলায় হাট-বাজারগুলোতে হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে কেড়ির বড়ি। যা খেয়ে গত ৩ দিনে উপজেলার ১ ছেলে ও ২ মহিলা আত্মহত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে মাঝারি ঔষধ ও মুদি ব্যবসায়ীরা সরকারী নিয়ম নীতি না মেনে যার তার কাছে কেড়ির বড়ি বিক্রি করছে। ফলে সামান্য মনমানিল্যের কারণে অনাসয়ে কেড়ির বড়ি কিনে আত্মহত্যা সহজ হয়ে উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কড়িকান্দি বাজারের এক মুদি ব্যবসায়ী জানান, উক্ত বাজারে দুই জন ব্যবসায়ীর কেড়ির বড়ি বেচা-কেনার বৈধ্যতা রয়েছে কিন্তু দুঃখের বিষয় উক্ত বাজারে ফোটপাতে সকালে যারা ইঁদুর মারার ঔষধ বিক্রি করে তাদের কাছেও কেড়ির বড়ি পাওয়া যায়। ফলে যে কেউ উক্ত বড়ি কিনতে পারে। একই চিত্র দেখা যায়, উপজেলার বাতাকান্দি, মাছিমপুর, কলাকান্দি ও আসমানীয়া বাজারে। এ ব্যাপারে তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল ফয়সলের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, শীঘ্রই কেড়ির বড়ি বিক্রির ব্যাপারে অভিযান চালানো হবে।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে তিতাস উপজেলার জিয়ারকান্দি ইউনিয়নের দড়িকান্দি গ্রামের মোঃ আজগর আলীর দ্বিতীয় স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৪৫), জগতপুর ইউনিয়নের ডাবুরভাঙ্গা গ্রামের মোঃ আঃ ছাত্তার মিয়ার স্ত্রী নাজমা আক্তার (২৩) এবং শুক্রবার সকালে বলরামপুর ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামের রোকন মিয়ার ছেলে নুরু হোসেন (১০) কেড়ির বড়ি খেয়ে আত্মহত্যা করে। তবে দড়িকান্দি গ্রামের ফাতেমা বেগমকে পরিকল্পনা করে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ এনে তিতাস থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ডাবুরভাঙ্গার নাজমা আক্তার ও বলরামপুর গ্রামের নুরু হোসেনের আত্মহত্যা বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মিমাংসা করা হয়েছে।




Check Also

কুমিল্লায় তিন গৃহহীন নতুন ঘর পেল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ– কুমিল্লা সদর উপজেলায় গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে ৪নং আমড়াতলী ইউনিয়নের গৃহহীন নুরজাহান বেগম, ...

Leave a Reply