কচুয়ায় সরকারি খাল দখলের হিড়িক

কচুয়া প্রতিনিধি :
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় সরকারি খাল দখলের হিড়িক চলছে। নজরদারী করার যেন কেউ নেই। প্রকাশ, কচুয়া-হাজীগঞ্জ ভায়া পরানপুর ১৪ কিঃমিঃ খালের কড়ইয়া গ্রাম অংশে কড়ইয়া গ্রামের মুনচুর আহমেদ কেনুর বাড়ীর পশ্চিম পার্শ্বে খাল ভরাট করে রাস্তা তৈরি করে ট্রাক্টর দিয়ে মাটি আনা-নেয়া করা হচ্ছে। তৈরি করা রাস্তার উত্তর পাশ সংলগ্ন ১৫/১৬ ফুট উচ্চতার বাঁশের শলাকার বাঁধ এবং এ বাঁধ থেকে প্রায় ৪০০ ফুট উত্তরে আরেকটি অনুরূপ বাঁধ নির্মান করে মাছ চাষ করা হচ্ছে। এছাড়া হায়াৎপুর ও সাদিপুরা চাঁদপুর গ্রাম অংশে খাল ভরাট করে রাস্তা তৈরী করে ট্রাক্টর দিয়ে মাটি আনা-নেয়া করা হচ্ছে। ৮৩৮ নম্বর খাল নামে পরিচিত কচুয়া-হাজীগঞ্জ ভায়া পরানপুর খালটি হাজীগঞ্জের ডাকাতিয়া নদীর সাথে সংযুক্ত। খাল ভরাট করে রাস্তা তৈরী করায় কৃষকরা ফসলাদি উৎপাদনে জোয়ারের পানিকে কাজে লাগিয়ে সেচ কার্য চালাতে পারছে না। প্রবেশ করতে পারছে না নদীর মাছ। জেলে সম্প্রদায়ের লোকজনরা মাছ ধরা থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়ছে। বৃষ্টির পরিমান একটু বেশী হলে মাঠের পর মাঠ বন্যা রূপ নেয়। এতে ফসলহানি ঘটে।

এদিকে কচুয়া পৌরসভাধীন কচুয়া-কোয়া সড়কের দক্ষিন পার্শে আওয়ামী অফিস সংলগ্ন থেকে করইয়া গ্রামের সুশান্তের বাড়ী পর্যন্ত প্রায় ২ কিঃমিঃ খালের পূর্ব পাশ ঘেঁষে নিয়মিত রাস্তা দখল করে নিচ্ছে পূর্ব পাড়ের লোকজনরা। পশ্চিম পাড়ের খাল অংশ ভরাট করে পট ব্যবসায়ীরা প্রতি শতক ৪/৫ লক্ষ টাকা দরে বিক্রি করে চলছে। এতে দিনের পর দিন খালের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হতে চলছে। অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে নজরদারী করে জনগুরুত্বপূর্ণ এ সরকারি খাল স্বার্থবাদী মহলের ছোবল থেকে রক্ষা করার কেউ নেই।

এব্যাপারে কচুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ সাইদুল আরিফের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান- বাঁশের খুটি বাঁধ তৈরি করে মাছ চাষে যে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এসব বাঁশের খুটির বাঁধ উচ্ছেদ অভিযান প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে এ খালের কোথাও মাটি ভরাট করে রাস্তা তৈরি করার কোন তথ্য তার জানা নেই বা কেউ এ বিষয়ে অভিযোগ করেনি বলেও তিনি জানান।




Check Also

যে কোনো আন্দোলন-সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে : বিএনপি

চাঁদপুর প্রতিনিধি :– চাঁদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সাধারণ সভায় বক্তারা বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম ...

Leave a Reply